Published On: Wed, Apr 25th, 2018

যে ১০ কায়দায় সেলফি তোলেন বলিউড তারকারা!

সেলফি তুলতে গেলে, শুধু মুখটা একটু এদিক সেদিক করে আর ক্যামেরাটা সামান্য উঁচু করে এক ক্লিকেই তুলে ফেলেন অনেকে। এ তো গেল আপনার আমার মতো সাধারণ মানুষের সেলফির কথা। বলিউড তারকারা কিন্তু এই এক কায়দায় আটকে নেই, তাঁদের রয়েছে সেলফি তোলার হরেক রকমের ঢং। এমন ১০ কায়দা নিয়েই এক তালিকা পাওয়া গেল ফার্স্টপোস্ট ওয়েবসাইটে। ঝটপট দেখে নিন আর সেলফি তোলার শখ থাকলে রপ্ত করে নিন।

পাউট সেলফি
পাউট বা হাসের মতো মুখ করে সেলফি তোলা শুধু সাধারণ নারীদেরই নয়, বলিউড অভিনেত্রীদেরও এই স্বভাব রয়েছে। আর এই পাউট করা সেলফিতে অভিনেত্রীদের যেন আরো বেশি আকর্ষণীয় মনে হয়। পাউট সেলফিতে কারিনা কাপুরকে বরাবরই অসাধারণ লাগে।

ভ্যাকেশন সেলফি
বলিউড তারকারা কাজ নিয়ে সবসময়ই ব্যস্ত থাকেন। সিনেমার শুটিং, প্রচারণা, বিজ্ঞাপন, পার্টি কতকিছু নিয়ে তাঁদের ব্যস্ত থাকতে হয়। তবে যখন সুযোগ পান, তখন বিভিন্ন দেশে ঘুরতে যেতে একটুও দেরি করেন না। আর সেটা রণবীর সিংয়ের প্যারিসের সেলফিটি দেখলেই বোঝা যায়। এই সেলফি দেখে হিংসা না করে উপায় নেই।

ফুড সেলফি
বলিউড তারকারা শারীরিকভাবে ফিট থাকতে সব সময়ই বেশ সচেতন, তবে সুস্বাদু যেকোনো খাবার দেখলে তাঁদের জিভেও পানি চলে আসে। প্রায়ই বলিউডের তারকাদের খাবারের সঙ্গে সেলফি তুলতে দেখা যায়। এই সেলফিগুলো দেখলে বোঝাই যায় এটা তাঁর পছন্দের খাবার। সোনাক্ষী যে নিউটেলা খেতে পছন্দ করেন, কিন্তু খেতে পারেন না সেটা তাঁর দুঃখী সেলফি দেখেই বোঝা যায়।

মিরর সেলফি
সব সেলফির মধ্যে মিরর সেলফি সবচেয়ের জনপ্রিয় বলিউড তারকাদের মধ্যে। এই সেলফির মাধ্যমে তারকাদের নতুন লুক বা মনমর্জি খুব সহজেই বোঝা যায়। অন্য তারকাদের মতো শহিদ কাপুরও আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে তাঁর ওয়ার্কআউট সেলফি দিতে পছন্দ করেন।

পেট সেলফি
একটি সুন্দর কুকুর আর আপনার প্রিয় বলিউড তারকা যদি একসঙ্গে সেলফি তোলেন, তাহলে আপনার তো পছন্দ হবেই! হৃতিক তাঁর প্রিয় কুকুরটিকে নিয়ে প্রায়ই সেলফি পোস্ট করেন।

স্কোয়াড সেলফি
বলিউড তারকারা তাঁদের কাছের বন্ধুদের সঙ্গে সেলফি তুলতে ভীষণ পছন্দ করেন। বরুণ ধাওয়ান, অর্জুন কাপুর, সাজিদ খান ও রিতেশ দেশমুখের বন্ধুত্ব দারুণ। সেলফির কায়দা দেখে বুঝে নিন।

বিহাইন্ড দ্য সিনস সেলফি
পছন্দের বলিউড তারকার পরবর্তী সিনেমা কী হবে এটা জানার আগ্রহ আপনারও নিশ্চয়ই আছে? আর এটা খুব সহজেই জানতে পারবেন তাঁদের বিহাইন্ড দ্য সিনস সেলফি দিয়ে। দেশি লাল রঙের শাড়ি ও কালো সানগ্লাসে সোনাক্ষীও একেবারে ফিটফাট।

সিক্স প্যাক সেলফি
ব্যায়াম করার জন্য আপনার কী কারো অনুপ্রেরণার প্রয়োজন? তাহলে বলিউড তারকাদের সিক্স প্যাক সেলফি আপনাদের জন্য সেই অনুপ্রেরণার কাজ করবে। শহিদ কাপুরের সিক্স প্যাক সেলফি দেখে এমনটাই মনে হচ্ছে।

লেজি সানডে সেলফি
সাধারণত রোববার সবাই ঘুরতে পছন্দ করেন। কিন্তু বলিউডের তারকারা যেন এই দিন নাক ডেকে ঘুমোতেই পছন্দ করেন। শ্রদ্ধা কাপুরের ছুটির দিনের সেলফি দেখলে মনে হয়, এই একটা দিন ঘুম ছাড়া আর কিচ্ছু চলবে না তাঁর!

গেটিং রেডি সেলফি
বলিউডের অভিনেত্রীদের রুপ দেখে অনেক নারীরই ঈর্ষা হয়। আর জানতেও চান তাঁদের এই সৌন্দর্যের পেছনের গল্প। তারকাদের গেটিং রেডি সেলফি দেখে এই প্রশ্নের কিছু উত্তর পেতেই পারেন। নার্গিস ফাখরির গেটিং রেডি সেলফি দেখে যা বোঝার বুঝে নিন!

Read also:

ব্রয়লার মুরগী খাওয়ার কারণে বছরে মারা যাবে ৭ লক্ষ লোক !

মুরগি কমবেশি সকলেরই পছন্দ। দিনদিন চাহিদাও বাড়ছে। কিন্তু জানেন কি ব্রয়লার মুরগীতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় এবং শরীরে দানা বাঁধে ক্যান্সার। সেই সঙ্গে আরো ভয়ানক ব্যাপার হলো যে, পোলট্রির মুরগি খেলে একাধিক অ্যান্টিবায়োটিক আমাদের শরীরে আর কাজ করবে না। একাধিক গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে।

দেখা যায়, ব্রয়লার মুরগির বাচ্চা মাত্র পাঁচ সপ্তাহেই প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে যায়! মাত্র এক কেজি আটশো গ্রাম ম্যাশ খাওয়ালেই এক কেজির নিট মাংস! দুই কেজি ওজনের মুরগি জবাইয়ের আগে ম্যাশ খাচ্ছে মাত্র তিন কেজি ছয়শো গ্রাম! রহস্যটা কী? ম্যাশের সঙ্গে মেশানো হচ্ছে ভিটামিন, ক্যালসিয়াম। অ্যান্টিবায়োটিক ইনজেকশন পুশ করে দেওয়া হচ্ছে। চড়চড় করে বড় হচ্ছে মুরগি। হু হু করে বাড়ছে ওজন।

কিন্তু জানি কি, পিছনে লুকিয়ে রয়েছে কী ভয়ঙ্কর বিপদ? সাম্প্রতিক একটি গবেষণা বলছে, পোলট্রির মুরগি খেলে একাধিক অ্যান্টিবায়োটিক আর কাজ করবে না আমাদের শরীরে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাই ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাবে। ছোটখাটো পেটের রোগ, গ্যাস, অম্বল, সর্দিকাশি, ইনফেকশনের ক্ষেত্রেও অ্যান্টিবায়োটিক আর কাজ করবে না। ফলে রোগ সারাতে উচ্চমাত্রার অ্যান্টিবায়োটিকের সাহায্য নিতে হবে ডাক্তারদের। যে অ্যান্টিবায়োটিকের একাধিক কুপ্রভাব পড়বে আমাদের শরীরে।

কাঁচা মাংসে প্রচুর মাত্রায় ব্যাকটেরিয়া থাকে। আর দোকানে যেভাবে একাধিক মুরগিকে এক সঙ্গে রাখা হয় তাতে দু-পাঁচটার শরীরে সেই ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াগুলি প্রবেশ করে না যাওয়াটা কোনও অস্বাভাবিক নয়। আর এমনটা যে হয় না সে কথা কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারে কি? শুধু তাই নয়, যখন মুরগি কাটা হয় তখনও জীবিত মুরগির শরীর থেকে কাঁচা মাংসে ব্যাকটেরিয়া চলে যাওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়। আর এই জীবাণু যদি আমাদের শরীরে প্রবেশ করে তাহলে আর রক্ষা নেই।

কয়েকজন বিশেষজ্ঞের মতো মাত্রাতিরিক্ত ব্রয়লার মুরগি খেলে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও বৃদ্ধি পায়। ব্রয়লার চিকেন খেলে ফুড পয়জনিং হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। একাধিক গবেষণয়া দেখা গেছে প্রায় ৬৭ শতাংশ ব্রয়লার মুরগির শরীরে ই-কোলাই ব্যাকটেরিয়া থাকে যা কোনও ভাবেই কিন্তু আমাদের শরীরের জন্য ভালো নয়।

বাজার থেকে ব্রয়লার মুরগির মাংস কিনে কখনই বাকি খাবার বা সবজির সঙ্গে সেটি রাখবেন না। শুধু তাই নয়, যে ছুরি দিয়ে মাংসটা কাটবেন তা দিয়ে ওই সময় সবজি কাটবেন না। আর যে প্লেটে কাঁচা মাংসটা রাখবেন তা ভালো করে ধুয়ে নিয়ে তবেই অন্য কাজে লাগাবেন। যেমনটা আগেও বলেছি কাঁচা মাংসে অনেক সময়ই ব্যাকটেরিয়া থাকে। এই নিয়মটা মানলে সেই জীবাণু বাকি খাবারে ছড়িয়ে যাওরা সুযোগ পায় না। ফলে শরীর খারাপ হওয়ার আশঙ্কা কিছুটা হলেও কমে।

তবে দেশি মুরগিতে এমন কিছু ক্ষতিকারক জিনিস পাওয়া যায়নি। কারণ দেশি মুরগি একেবারে প্রকৃতির নিয়ম মেনে বড়হয়। ফলে ব্রয়লার মুরগির মতো তাদের শরীরে কোনও কেমিকেলের উপস্থিতি যেমন পরিলক্ষিত হয় না। তেমনি দেশি মুরগি অনেকাংশেই ব্যাকটেরিয়া মুক্ত হয়। ফলে তা থেকে আমাদের শরীর খারাপ হওয়ার আশঙ্কা থাকে না।

যুক্তরাজ্য ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম গার্ডিয়ানের এক রিপোর্টে জানা যায়, প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়া কমে যাওয়ায় একটি গুরুতর হুমকির সম্মুখীন হতে যাচ্ছে মানবসভ্যতা। যা বছরে ৭ লক্ষ মানুষের মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়াবে। যার মধ্যে রয়েছে ২৩০০০ আমেরিকান, ইউরোপে ২৫০০০, ৬৩০০০ ভারতীয় শিশু। এদের মৃত্যুর পর আরও লক্ষাধিক অসুস্থ হয়ে পড়বে। তখন বাৎসরিক ২০ লক্ষ আমেরিকান অসুস্থ হয়ে স্বাস্থ্যসেবায় কোটি কোটি টাকা খরচ করবে। শেষ হবে সম্পদ আর দেশ হারাবে জাতীয় উৎপাদনশীলতা।

গার্ডিয়ানের ওই রিপোর্টে আরো পূর্বাভাস দেওয়া হয় যে ২০৫০ সালের মধ্যে, অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধে বিশ্বে ১০০ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচ হবে এবং বছরে ১ কোটি মৃত্যুর ঘটনা ঘটবে।

অস্বস্তিকর হেঁচকি? দৌড়ে পালাবে ! জেনে নিন ঘরোয়া কিছু টিপস !

হেঁচকি এমন একটি অস্বস্তিকর সময় যখন আমাদের আর কিছুই ভালো লাগে না। এই হেঁচকি কমাতে আমরা যে কত কিছুই করে থাকি। অতিরিক্ত পানি বা খাবার খেলেই এই হেঁচকি উঠতে শুরু করে। আর তখন বাড়ে অস্বস্তি বেড়ে যায়। ব্যথা করতে থাকে ঘাড় এবং মাধা। যতক্ষণ না কমছে এই হেঁচকি ততক্ষণ রয়ে যায় অস্বস্তি। আর তাই আজ আমরা জেনে নেই এই হেঁচকি থেকে বাঁচার ৯টি ঘরোয়া টোটকা। হেঁচকি কমাতে খেতে পারেন লেবু। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে হেঁচকি। অনেক সময়ে এসিডিটি থেকে হেঁচকি হয়। তখন প্রচুর পরিমাণে পানি খান। আর এর সাথে নিতে পারেন এসিডিটির ওষুধ। এই হেঁচকির সময়ে যদি আপনাকে কেউ ভয় দেখান আর তাতে আপনি ভয় পেলে দেখবেন হঠাৎই কমে গিয়েছে হেঁচকি। এই হেঁচকি কমাতে পানি দিয়ে গার্গেল করুন। দেখবেন খুব সহজেই কমে গেছে আপনার হেঁচকি। একটু দূরত্ব রেখে পানি পান করতে থাকুন। একসময় দেখবেন কমে গিয়েছে আপনার এই অস্বস্তি। লবণের রয়েছে নিজস্ব এক গন্ধ। আর এই গন্ধ আপনাকে পরিত্রাণ দিতে পারে এই অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে। আর তাই শুঁকুন লবণের গন্ধ। এটি আসলে আদি একটি উপায়। আর এই উপায়ে মিলবে স্বস্তি। হাতে আকুপ্রেশারের মাধ্যমেও কমে যায় হেঁচকি। নাক ধরে নিঃশ্বাস বন্ধ করে রাখুন। এই পদ্ধতি দিবে আপনাকে আরাম। যতক্ষণ না কমে হেঁচকি নিতে থাকুন এই পদ্ধতি।

এটি আরেকটি ঘরোয়া পদ্ধতি। বের করে রাখুন আপনার জিভ, দেখবেন কিছুক্ষণের মধ্যেই মিলেছে আরাম। কিছুক্ষণের মধ্যে কমে যাবে আপনার অস্বস্তিকর সময়।

Facebook Comments

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>