Published On: Sat, Apr 28th, 2018

বজ্রপাতের সময় রাসুলুল্লাহ (সা.) যে দোয়া পড়তেন

বৈশাখের আর মাত্র তিনদিন বাকি। তবে এরই মধ্যে শুরু হয়েছে কালবৈশাখীর তাণ্ডব। প্রায় প্রতিদিন দেশের কোথাও না কোথাও হানা দিচ্ছে কালবৈশাখী। সেই সাথে বজ্রপাত।

বজ্রপাতের গর্জন আমাদের অনেককেই কিছুটা সময়ের জন্য তটস্থ করে দেয়। অনেকে ভয়ে ছোটাছুটিও শুরু করে দেন।

কিন্তু বজ্রপাতের সময় কী করা উচিত? সেবিষয়ে ইসলামে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা রয়েছে।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মেঘের গর্জন থেকে আশ্রয় লাভ করতে আল্লাহর কাছে দোয়া করতেন।

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত তিনি বলেন, নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মেঘের গর্জন ও বজ্রপাতের শব্দ শুনতে পেতেন তখন বলতেন-

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা লা তাক্বতুলনা- বিগাদাবিকা ওয়া লা তুহলিকনা- বিআ’জা-বিকা ওয়া আ’-ফিনা- ক্বাবলা জালিক। (মুসনাদে আহমাদ তিরমিজি)

অর্থ : হে আল্লাহ! তুমি আমাদেরকে তোমার রোষের দ্বারা হত্যা করো না; তোমার শাস্তির দ্বারা আমাদেরকে ধ্বংস করো না; বরং এর পূর্বেই আমাদেরকে প্রশান্তি দান করো।

আল্লাহ তাআলা এ দোয়ার মাধ্যমে সমগ্র মুসলিম উম্মাহকে বজ্রপাতের ভয়াবহতা ও ক্ষতি থেকে রক্ষা করুন। আমিন।

===============================

বিয়ে করবেন ভাবছেন ? তাহলে আগে জেনে নিন, কুমারীত্ব পরীক্ষার ৩ টি পদ্ধতি ।

খুব আধুনিকা না হলে, অধিকাংশ মহিলাই প্রেমিক বা স্বামীর কাছে নিজেকে ভার্জিন (কুমারী) বলেই তুলে ধরতে পছন্দ করেন৷ খুব স্বাভাবিক! কেউ কি আর চাইবেন নিজেকে ‘খারাপ’, ‘দুশ্চরিত্র’ বলে জাহির করতে? আমাদের দেশে ভার্জিন না থাকাটা পাপ, ঘোর অন্যায়। মহিলার কথা না হয় বাদই দিন, কোনও পুরুষও চান না, তার সম্বন্ধে প্রেমিকা বা তার স্ত্রী খারাপ ধারণা পোষণ করুন৷ কিন্তু বাস্তব চিত্রটি বড়ই বিচিত্র৷ সে প্রসঙ্গ.. না হয় থাক৷ চুপিচুপি জেনে নিন ভার্জিন কত রকম হয়?

শতভাগ খাঁটি, বিশুদ্ধ ভার্জিন: সোজা পাঁচ-ছয়ের দশক থেকে এদের আগমন৷ বিয়ের আগ পর্যন্ত কোনও পুরুষের হাতটি ছূয়েঁ পর্যন্ত দেখেননি।বাকিটা তো দূরের কথা। পাঁচ-সাতের দশকে বা তারও আগে এমন ভার্জিন পাওয়া যেত ঘরে ঘরে। এখনও পাওয়া যায়। কিন্তু সে সংখ্যাটা অনেক কম৷ বাবা-মায়ের অসম্ভব বাধ্যের। গুরুজনের অনুমতি ছাড়া কোনও পুরুষের সঙ্গে প্রকাশ্যে কথাও বলেন না তারা। তাই সাবধান! এমন নারীকে প্রেম প্রস্তাব দেওয়ার আগে ভেবেচিন্তে এগোন। আগে বাড়ির লোকের অনুমতি নেওয়া জরুরী। বিয়ের কথাটাও সেরে রাখুন। কেননা, এমন ভার্জিনকে পাওয়ার একটাই রাস্তা। বিয়ে। জেনে রাখবেন বিয়ের আগে এদের ‘পাওয়া’ প্রায় অসম্ভব৷ যদি সত্যিই বিয়ে করার জন্য মনস্থির করেন, তবেই এগোন৷

দুষ্টু ভার্জিন: এদের কনসেপ্ট – বিয়ে পর্যন্ত কে অপেক্ষা করবে? তবে যাই হোক, আসল কাজটা নট অ্যালাউড। ওসব রিস্কের মধ্যে নেই৷ এরা গোপনে কিছুটা এগোন৷ কিন্তু ওই একটি জিনিস বাদ দিয়ে। সেটা হতে পারে একমাত্র বিয়ের পর। প্রেমিকের সঙ্গে বাকিটুকুতে মত আছে৷ খুব রোম্যান্টিক মেজাজে থাকলে আরও কিছুটা এগোনো যেতে পারে৷ দেহের সর্বাঙ্গে শিহরণেও তখন খুব একটা আপত্তি থাকে না৷ওই একটি জায়গায় গিয়ে ব্রেক৷ তারপর “না”৷ এদের সঙ্গে প্রেম করতে হলে ধৈর্য্য ধরতে হবে৷ জেনে রাখবেন সবটুকু পেতে গেলে, বিয়ে কিন্তু মাস্ট৷

ননভেজ ভার্জিন: এরা এককথায় লাকি৷ কিছুদিন বন্ধ থাকলেই সবকিছু যেন সেই আগের মতো৷ নতুন আনকোড়া৷ ফলে কারও বোঝার উপায় থাকে না, যে ইনি অভিজ্ঞতা সম্পন্ন, না অনভিজ্ঞ৷ ভাবপ্রকাশেও অবিকল সেই আগের ঘটনার রিপ্লে৷ নতুন বয়ফ্রেন্ডের কাছে নতুন রূপে আত্মপ্রকাশ৷ ফলে বোঝা কার সাধ্য৷ ইঙ্গিত পেলে, এগোতে পারেন৷ সম্মতি পেলে, এগিয়ে যান৷ তবে কোন মতেই জোরজবরদস্তি নয়৷ আজকাল আইনকানুন খুব শক্ত৷ ভুলচুক হয়ে গেলে বিপদে পড়বেন।খুব আধুনিকা না হলে, অধিকাংশ মহিলাই প্রেমিক বা স্বামীর কাছে নিজেকে ভার্জিন (কুমারী) বলেই তুলে ধরতে পছন্দ করেন৷ খুব স্বাভাবিক! কেউ কি আর চাইবেন নিজেকে ‘খারাপ’, ‘দুশ্চরিত্র’ বলে জাহির করতে? আমাদের দেশে ভার্জিন না থাকাটা পাপ, ঘোর অন্যায়। মহিলার কথা না হয় বাদই দিন, কোনও পুরুষও চান না, তার সম্বন্ধে প্রেমিকা বা তার স্ত্রী খারাপ ধারণা পোষণ করুন৷ কিন্তু বাস্তব চিত্রটি বড়ই বিচিত্র৷ সে প্রসঙ্গ.. না হয় থাক৷ চুপিচুপি জেনে নিন ভার্জিন কত রকম হয়?

শতভাগ খাঁটি, বিশুদ্ধ ভার্জিন: সোজা পাঁচ-ছয়ের দশক থেকে এদের আগমন৷ বিয়ের আগ পর্যন্ত কোনও পুরুষের হাতটি ছূয়েঁ পর্যন্ত দেখেননি।বাকিটা তো দূরের কথা। পাঁচ-সাতের দশকে বা তারও আগে এমন ভার্জিন পাওয়া যেত ঘরে ঘরে। এখনও পাওয়া যায়। কিন্তু সে সংখ্যাটা অনেক কম৷ বাবা-মায়ের অসম্ভব বাধ্যের। গুরুজনের অনুমতি ছাড়া কোনও পুরুষের সঙ্গে প্রকাশ্যে কথাও বলেন না তারা। তাই সাবধান! এমন নারীকে প্রেম প্রস্তাব দেওয়ার আগে ভেবেচিন্তে এগোন। আগে বাড়ির লোকের অনুমতি নেওয়া জরুরী। বিয়ের কথাটাও সেরে রাখুন। কেননা, এমন ভার্জিনকে পাওয়ার একটাই রাস্তা। বিয়ে। জেনে রাখবেন বিয়ের আগে এদের ‘পাওয়া’ প্রায় অসম্ভব৷ যদি সত্যিই বিয়ে করার জন্য মনস্থির করেন, তবেই এগোন৷

দুষ্টু ভার্জিন: এদের কনসেপ্ট – বিয়ে পর্যন্ত কে অপেক্ষা করবে? তবে যাই হোক, আসল কাজটা নট অ্যালাউড। ওসব রিস্কের মধ্যে নেই৷ এরা গোপনে কিছুটা এগোন৷ কিন্তু ওই একটি জিনিস বাদ দিয়ে। সেটা হতে পারে একমাত্র বিয়ের পর। প্রেমিকের সঙ্গে বাকিটুকুতে মত আছে৷ খুব রোম্যান্টিক মেজাজে থাকলে আরও কিছুটা এগোনো যেতে পারে৷ দেহের সর্বাঙ্গে শিহরণেও তখন খুব একটা আপত্তি থাকে না৷ওই একটি জায়গায় গিয়ে ব্রেক৷ তারপর “না”৷ এদের সঙ্গে প্রেম করতে হলে ধৈর্য্য ধরতে হবে৷ জেনে রাখবেন সবটুকু পেতে গেলে, বিয়ে কিন্তু মাস্ট৷

ননভেজ ভার্জিন: এরা এককথায় লাকি৷ কিছুদিন বন্ধ থাকলেই সবকিছু যেন সেই আগের মতো৷ নতুন আনকোড়া৷ ফলে কারও বোঝার উপায় থাকে না, যে ইনি অভিজ্ঞতা সম্পন্ন, না অনভিজ্ঞ৷ ভাবপ্রকাশেও অবিকল সেই আগের ঘটনার রিপ্লে৷ নতুন বয়ফ্রেন্ডের কাছে নতুন রূপে আত্মপ্রকাশ৷ ফলে বোঝা কার সাধ্য৷ ইঙ্গিত পেলে, এগোতে পারেন৷ সম্মতি পেলে, এগিয়ে যান৷ তবে কোন মতেই জোরজবরদস্তি নয়৷ আজকাল আইনকানুন খুব শক্ত৷ ভুলচুক হয়ে গেলে বিপদে পড়বেন।

Facebook Comments

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>