Published On: Tue, May 1st, 2018

জেনে নিন, যে নারীদের যমজ সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা বেশি

নারীদের যমজ সন্তান – কোন মহিলাদের যমজ সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা বেশি, চলুন জেনে নিই যে নারীদের যমজ সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা বেশি এমন চমক প্রদত্ত কিছু তথ্য :- জেনে নিন যে নারীদের যমজ সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা বেশি:-

১. যমজ সন্তানদের হাতের ছাপ একেবারেই আলাদা। যদিও তাদের জিনের বৈচিত্র এক, তবুও হাতের ছাপ আলাদা।

২. যে সকল নারী লম্বা তাদের যমজ সন্তান হওয়ার সম্ভবনা বেশি থাকে। আইজিএফ প্রোটিন লম্বা নারীদের দেহে বেশি থাকে যা যমজ সন্তান হতে সাহায্য করে।

৩. একটি সমীক্ষার মাধ্যমে জানা গেছে, যমজ সন্তানদের মায়েরা অনেকদিন বেঁচে থাকেন।

৪. যে সব নারীরা দুগ্ধজাত দ্রব্য বেশি খেয়ে থাকেন, তাদের যমজ সন্তান হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা থাকে।

৫. একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, বিশ্বের ৪০% যমজ সন্তানের জন্ম আফ্রিকাতে। ওই সমীক্ষা এমনটিই বলছে।

৬. অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায়, প্রায় ২২% যমজ সন্তানেরা বাঁ-হাতি হয়।

৭. এ ব্যাপারে একটি সমীক্ষা বলছে, যমজ শিশুরা নিজেদের মধ্যে একটি বিশেষ ভাষাতে কথা বলে, যা কিনা একমাত্র তারাই বুঝতে পারে।
================
শুয়েই থাকো তুমি! আমি তো অবুঝ, দুধের বাচ্চা…

শুয়েই থাকো তুমি! আমি তো অবুঝ, দুধের বাচ্চা…
শুয়েই থাকো তুমি- স্বামী ভোরবেলা স্পোর্টস ট্রাউজার-কেডস পরে জগিংয়ে যাচ্ছে। কী মনে করে স্ত্রীকেও সঙ্গে নিতে চাইলো। ঘুমে বিভোর স্ত্রীকে জাগিয়ে বললো-

চল, জগিং করতে যাই।

স্ত্রী: জগিং করার দরকারটা কী পরলো এই সকাল সকাল!

স্বামী: মন চাঙ্গা থাকে সারাদিন আর শরীরের চর্বিও ঝড়ে যায়। স্লিম স্বাস্থ্যের সহায়ক জগিং।

স্ত্রী : ও…ও…ও! তার মানে তোমার চোখে আমি এখন মুটকি হয়ে গেছি, তাইনা ?

স্বামী: না না! কথা সেটা না। এমন হাল্কা ব্যায়াম তো স্বাস্থ্যের জন্য ভালো…

স্ত্রী: তার মানে আমার শরীর অসুস্থ! তোমার বোঝা হয়ে গেছি এখন!

স্বামী: না না,তা বলবো কেন? আচ্ছা তুমি যেতে যখন চাওনা তখন থাক…

স্ত্রী: তার মানে আমি অলস, কুঁড়ের বাদশা! নড়তে-চড়তে চাই না- এটাই তো বলবে এখন সবাইকে? তারপর সুযোগ তৈরি করবে আরেকটা…

স্বামী: ওহ হো! তুমি আমাকে বুঝতে পারছো না…

স্ত্রী: আমি তো অবুঝ, দুধের বাচ্চা! তোমার প্যাঁচ ধরতে পারবো না!

স্বামী: আমি আসলে তা বলিনি কিন্তু…

স্ত্রী: তাহলে এখন আমি মিথ্যুক! হায় খোদা! কার সঙ্গে সংসার করছি এত দিন?

স্বামী: সকাল সকাল শুরু করে দিলে ৫২ পর্বের সিরিয়াল? দয়া করে থাম এবার প্লিজ, শুয়েই থাকো তুমি।

স্ত্রী: হ্যাঁ, আমি তো ঝগড়াটে। সকাল থেকেই কাইজা শুরু করি তোমার সঙ্গে। আমি ঘুমিয়ে থাকলেই তুমি শান্তি পাও!

স্বামী: হায় আল্লাহ! কী মুসিবতে পড়লাম। আচ্ছা, আমি যাবো না জগিংয়ে।

স্ত্রী: মনের ইচ্ছা লুকিয়ে রাখ কেন? তোমার নিজেরই তো আসলে ইচ্ছে নেই যাওয়ার, আর আমার ওপর দোষ চাপাচ্ছো এখন।

স্বামী: ওকে, ঠিক আছে বাবা। তুমি ঘুমাও এবার, আমি একাই চললাম।

স্ত্রী: তুমি তো সব সময় একা একাই থাকতে চাও। মৌজ-স্ফূর্তি সব একাই করলে জীবনে। আমি তোমার কে!

স্বামী: উফফ, এবারকার মতো মাফ করে দাও! দয়া করো, প্লিজ। আমার মাথা ঘোরাচ্ছে।

স্ত্রী : মাথা তো ঘুরবেই এখন। পার্কে একা একা জগিংয়ের ছলে বেহায়া মেয়েছেলেগো দেখার সুযোগ নষ্ট হলো যে… পুরুষগুলা এমনই হয় কেন প্রভু…

স্বামী বেচারা গত এক সপ্তাহ ধরে ভাবছে: আচ্ছা, দোষটা কী করেছিলাম! ভুলটা কী ছিল আমার?

Read also:

প্রতি রাতে এই ৩ কাজ করে পান নিখুঁত স্নিগ্ধ ফর্সা ত্বক!

অনেকের কাছে নিখুঁত সুন্দর ত্বক একধরণের স্বপ্নের মতোই মনে হয়। কিন্তু বেশ সহজেই ত্বকের যেকোনো সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। জানতে চান রহস্য? তাহলে জেনে নিন স্কিন এক্সপার্ট হুমায়রা আফসারির পরামর্শে। স্কিন এক্সপার্ট হুমায়রা জানান, ‘প্রতিরাতে যদি সামান্য একটু যত্ন নেয়া হয় তাহলে খুব সহজেই ত্বকের সৌন্দর্য ধরে রাখা সম্ভব। একটু সচেতনতাই ব্রণ, ত্বকের রুক্ষতা এবং অন্যান্য নানা সমস্যা দূরে রাখতে পারে। আমরা অনেক সময়ই অনেককে ত্বকের সমস্যার কারণে খুব সহজ ৩টি পরামর্শ দিয়ে থাকি এবং তাদের সকলেই এ কাজগুলো করে অনেক উপকৃত হয়েছেন বলেছেন’।

১) ত্বক পরিষ্কার করুন
রাতে বাসায় ফিরে অবশ্যই ত্বক পরিষ্কার করে নেবেন। স্কিন এক্সপার্ট হুমায়রা জানান, ত্বকের নানা সমস্যার মূল কারণ হচ্ছে অপরিষ্কার ত্বক। ত্বক যতো অপরিষ্কার থাকবে ততো সমস্যা বাড়তে থাকবে। তাই প্রতি রাতে বাসায় ফিরে অবশ্যই ভালো করে ত্বক পরিষ্কার করে নেবেন। প্রথমেই ভালো কোনো ফেসওয়াস দিয়ে ত্বক ধুয়ে নিয়ে ত্বক স্ক্রাব করে উপরের ময়লা দূর করে নিন। এরপর একটি সাধারণ বা প্রাকৃতিক কোনো টোনার দিয়ে ত্বক আরও ভালো করে পরিষ্কার করে নিন। কাঁচা দুধ খুব ভালো টোনার হিসেবে কাজ করে। দুধ লাগিয়ে ৫ মিনিট রেখে ত্বক ধুয়ে ফেললেই চলবে, বলে জানান হুমায়রা।

২) ফেস প্যাক
ফেস প্যাক মানে ভারী কোনো ফেস প্যাক নয়। প্রতিদিন রাতে ব্যবহারের জন্য দুধ মধুর হালকা ফেস প্যাকই যথেষ্ট। এতে ত্বকের কোমলতা ফিরে আসে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতাও বজায় থাকে। যাদের ত্বক রুক্ষ তারা দুধ ও মধু মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন, যাদের ত্বক তৈলাক্ত তারা লেবুর রস ও মধু ব্যবহার করতে পারেন আর যারা একটু উজ্জ্বলতা চান তারা হলুদ গুঁড়ো ও দুধ ব্যবহার করে প্যাক তৈরি করতে পারেন। মাত্র ২০ মিনিট ব্যবহার করেই ধুয়ে ফেললে ত্বকের যত্ন নেয়া শেষ।

৩) সঠিক খাবার
রাতের খাবারের কারণে অনেক সময় ত্বকের সমস্যা দেখা যায় বলে জানান হুমায়রা। এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘রাতের ভারী খাবার হজম না হওয়ার কারণে অনেকেরই ব্রণ সমস্যা দেখা দেয়’। তাই রাতে হালকা খাবার খাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। সেই সাথে পান করা উচিত অন্তত ২ গ্লাস পানি।
====================
অবশেষে দেখা মিলল ক্রিকেটার রুবেলের স্ত্রী’র

স্পোর্টস ডেস্কঃঅভিনেত্রী নাজনীন আক্তার হ্যাপির সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে বেশ আলোচিত হয়েছিলেন পেসার রুবেল হোসেন। ২০১৪ সালর ১৩ ডিসেম্বর রাজধানীর মিরপুর মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে হ্যাপি বাদী হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে মামলাও করেছিলেন। আর এই কারণে দুদিন কারাগারেও থাকতে হয়েছিল তাঁকে।পরে জামিনে মুক্তি পেয়ে অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পান রুবেল। তাঁর অসাধারণ সাফল্যে সেই বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দারুণ কিছু অর্জন ঘরে তোলে। বিশ্বকাপ-পরবর্তী সময়ে রুবেলের পারফরম্যান্স খুব একটা খারাপ ছিল না।

আলোচিত এই পেসার হঠাৎ করে ২০১৬ সালে অগোচরে হঠাৎ করে বিয়ে করেন। তবে কনে হ্যাপি নন, মিডিয়ার একেবারেই বাইরের একজনের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছেন তিনি। অবশ্য সে সময় তাঁকে সামনে নিয়ে আসেননি।

দীর্ঘদিন পর হলেও নিজের স্ত্রীকে ভক্ত-সমর্থকদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন রুবেল। সম্প্রতি স্ত্রীর সঙ্গে নিজের দুটি ছবি প্রকাশ করেছেন। সেখানে শুধু লিখেছেন, ‘আমার স্ত্রী’।

অবশ্য স্ত্রীর নাম প্রকাশ করেননি রুবেল। তবে শোনা যাচ্ছে, পারিবারিক পছন্দে এই বিয়ে হয়েছে বলে রুবেলের এক ঘনিষ্ঠজন জানিয়েছেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস পালিত
জাকির হোসেন পিংকু, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি: ‘উন্নয়ন আর আইনের শাসনে এগিয়ে চলছে দেশ, লিগ্যাল এইডের সুফল পাচ্ছে সারা বাংলাদেশ’ এই শ্লোগাণে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্যে দিয়ে আজ শনিবার জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস পালিত হয়েছে।

এ উপলক্ষে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির আয়োজনে সকালে জেলা জজ আদালত ভবন চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের করা হয়। র‌্যালীটি শহর প্রদক্ষিণ শেষে জেলা আইনজীবী সমিতি ভবন প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়।

র‌্যালীতে অংশ নেন জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি চেয়ারম্যান এবং জলা ও দায়রা জজ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ লিয়াকত আলী মোল্লা, জেলা প্রশাসক মাহমুদুল হাসান, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ জিয়াউর রহমান, পুলিশ সুপার মোজাহিদুল ইসলাম, যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আনোয়ারুল হক, অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আব্দুস সালাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এরশাদ হোসেন, সিভিল সার্জন খায়রুল আতাতুর্ক, লিগ্যাল এইড অফিসার নাজমুল হোসেন জেলা আইনজীবী সমিতি সভাপতি মোসাদ্দেক হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হোসেন, পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) জবদুল হক, অন্যান্য বিচারকগণ, আইনজীবীসহ বিচার বিভাগ সংশ্লিস্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ। পরে, স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচী আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

Facebook Comments

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>