Published On: Tue, May 1st, 2018

ডায়াবেটিস দুই ধরনের নয়, বাস্তবে পাঁচ ধরনের হয়

আগে অনেকেরই ধারণা ছিল ডায়াবেটিস দুই ধরনের হয়ে থাকে। তবে সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা বলছেন, ডায়াবেটিস আসলে পাঁচটি ভিন্ন ধরনের রোগ এবং এর প্রত্যেকটির ক্ষেত্রে আলাদা চিকিৎসা দেয়া যেতে পারে। ডায়াবেটিস মূলত: ‘রক্তে অনিয়ন্ত্রিত সুগার লেভেল’ হিসেবে চিহ্নিত একটি রোগ এবং এখন পর্যন্ত সাধারণত একে দুটিভাগে ভাগ করা হয় – টাইপ ১ এবং টাইপ ২।

সাম্প্রতিক গবেষণার ভিত্তিতে সুইডেন এবং ফিনল্যান্ডের গবেষকরা মনে করছেন, তাঁরা ডায়াবেটিস সম্পর্কিত আরও জটিল একটি চিত্র খুঁজে পেয়েছেন এবং এর ফলে এই রোগ নিরাময়ে প্রত্যেক ব্যক্তিকে আলাদা চিকিৎসা দেয়ার বিষয়টি সামনে চলে আসতে পারে। তারা বলছেন, এই গবেষণা ভবিষ্যতে ডায়াবেটিস চিকিৎসার ক্ষেত্রে একটি নতুন যুগের সূচনা করতে পারে, তবে চলমান চিকিৎসার ক্ষেত্রে পরিবর্তন আসতে হয়তো আরও সময় লাগবে। বিশ্বে প্রতি ১১ জনে একজন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হন – আর একবার আক্রান্ত হলে রোগীদের হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক বা মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ, অন্ধত্ব, কিডনি অচল হয়ে পড়া এবং অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কেটে ফেলার মতো ঝুঁকি বেড়ে যায়।

টাইপ ১ ডায়াবেটিস হলো মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পর্কিত রোগ। এটি শরীরের ইনসুলিন তৈরির ক্ষমতা বা বেটা সেলকে আক্রমণ করে, ফলে রক্তে সুগার বা চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে প্রয়োজনীয় এই হরমোনটির পর্যাপ্ত উৎপাদন হয়না।

অন্যদিকে, টাইপ ২-কে মনে করা হয় অনিয়ন্ত্রিত জীবনধারার সঙ্গে সম্পর্কিত একটি রোগ হিসেবে, যেখানে শরীরের অতিরিক্ত চর্বি ইনসুলিনের কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করে। ডায়াবেটিস নিয়ে সর্বশেষ গবেষণাটি করেছে সুইডেনের লান্ড বিশ্ববিদ্যালয় ডায়াবেটিস কেন্দ্র এবং ফিনল্যান্ডের ইন্সটিটিউট ফর মলিক্যুলার মেডিসিন। আর এতে ১৪,৭৭৫ রোগীর ওপর নজরদারী করা হয়, বিস্তারিত বিশ্লেষণ করা হয় তাদের রক্তের। গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে ল্যানসেট ডায়াবেটিস অ্যান্ড এন্ডোক্রিনোলজিতে। এতে দেখানো হয়েছে যে ডায়াবেটিস রোগীদের পাঁচটি সুনির্দিষ্ট ক্লাস্টারে ভাগ করা যায়।

ক্লাস্টার ১ – এটা মোটা দাগে টাইপ ১ ধরনের তীব্র মাত্রার অটোইমিউন ডায়াবেটিস, যা মানুষকে তখনই আক্রান্ত করে যখন সে বয়সে তরুণ এবং তাকে দেখতে স্বাস্থ্যবান মনে হয়। এই ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের শরীরে ইনসুলিন তৈরি হয় না।
ক্লাস্টার ২ – এরা ওই ধরনের ইনসুলিন-ঘাটতির ডায়াবেটিস রোগী যাদেরকে শুরুতে ক্লাস্টার ১ এর রোগীদের মতোই মনে হয়। এরা তরুণ, এদের ওজন নিয়ন্ত্রণে, কিন্তু ইনসুলিন উৎপাদনে সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে – যদিও এদের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থায় কোন গলদ নেই।
ক্লাস্টার ৩ – এরা তীব্র ইনসুলিন-প্রতিরোধী ডায়াবেটিস রোগী, যারা সাধারণত অতিরিক্ত মোটা। এরা শরীরে ইনসুলিন তৈরি করছে, কিন্তু এদের শরীর সেই ইনসুলিনে সাড়া দেয় না।
ক্লাস্টার ৪ – এটি ওজনের সঙ্গে সম্পর্কিত হালকা-ধরনের ডায়াবেটিস, যা অসম্ভব স্থূলকায় মানুষের মধ্যে দেখা যায়। এ ধরনের মানুষ আবার মেটাবোলিজমের দিক থেকে ক্লাস্টার ৩ ধরনের মানুষদের চেয়ে বরং স্বাভাবিক মানুষদের কাছাকাছি।
ক্লাস্টার ৫ – বয়সের সঙ্গে সম্পর্কিত হালকা ধরনের ডায়াবেটিস, যা ওই ধরনের মানুষদের হয় যখন তাদের বয়স বেড়ে যায়। অর্থাৎ এই রোগীরা অন্য গ্রুপগুলোর মানুষদের তুলনায় বেশী বয়স্ক, তবে এদের ডায়াবেটিসের মাত্রা কম।

গবেষকদলের অন্যতম, অধ্যাপক লিফ গ্রুপ বিবিসিকে বলেন, “এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ, আমরা রোগীদের একেবারে যথাযথ ঔষধ দেয়ার ক্ষেত্রে এক কদম এগিয়ে যাচ্ছি।”

তিনি বলেন, যে তিন ধরনর ডায়াবেটিস তীব্র মাত্রার, তার চিকিৎসা অন্য দুই ধরনর ডায়াবেটিসের চেয়ে জোরালোভাবে করা যেতে পারে। ক্লাস্টার ২ ধরণের রোগীদেরকে এখনকার টাইপ ২ হিসেবে চিহ্নিত করা যেতে পারে, কারণ তাদের অটোইমিউন রোগ নেই। গবেষণায় অবশ্য এই ধারণা পাওয়া যাচ্ছে যে এদের রোগের কারণ সম্ভবত তাদের বেটা-সেলের কোন খুঁত – এরা যে খুব মোটা সে কারণে নয়। আর তাদের চিকিৎসা ওই ধরনের রোগীদের মতো হওয়া দরকার যারা এখন টাইপ ১ হিসেবে চিহ্নিত। ক্লাস্টার ২ রোগীদের অন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশী, আর ক্লাস্টার ৩ রোগীদের বেশী ঝুঁকি কিডনি সম্পর্কিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার – ফলে বেশী করে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় কয়েকটি ক্লাস্টারের রোগীরা উপকৃত হতে পারেন।

আরো ভালো শ্রেণীবিন্যাস

লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজের কন্সালট্যান্ট ও ক্লিনিক্যাল সায়েন্টিস্ট ড. ভিক্টোরিয়া সালেম বলেন, বেশীরভাগ বিশেষজ্ঞই জানতেন যে ডায়াবেটিসকে টাইপ ১ এবং টাইপ ২ – এই দু’ভাগে ভাগ করে যে শ্রেণীবিন্যাস করা হয়, তা “খুব একটা সঠিক নয়”। তিনি বিবিসিকে বলেন, “কোন সন্দেহ নেই যে আমরা ডায়াবেটিসকে নিয়ে ভবিষ্যতে কীভাবে চিন্তা করবো, তা এই গবেষণা সাহায্য করবে।” কিন্তু তিনি একই সঙ্গে সতর্ক করে দেন যে ডায়াবেটিস রোগের চিকিৎসা দেয়ার ক্ষেত্রে আজই কোন পরিবর্তন আসবে না। এই গবেষণা করা হয়েছে স্ক্যান্ডিনেভিয়ায়। অন্যদিকে, ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে একেক রকম। যেমন দক্ষিণ এশিয়ায় এই রোগের ঝুঁকি তুলনামূলক ভাবে বেশী।

ড. সালেম বলেন, “এখনো অনেক কিছুই অজানা। এমনও হতে পারে যে জিন এবং স্থানীয় পরিবেশের কারণে বিশ্বজুড়ে ডায়াবেটিসের ৫০০ ধরনের সাব-গ্রুপ রয়েছে।”

“গবেষকদের বিশ্লেষণে পাঁচটি ক্লাস্টার পাওয়া গেছে, কিন্তু এই সংখ্যা বাড়তেও পারে,” বলছেন এই বিজ্ঞানী। ওয়রউইক মেডিক্যাল স্কুলের অধ্যাপক সুদেষ কুমার বলেন, “নিশ্চিতভাবে এটি কেবলই একটি প্রথম পদক্ষেপ। আমাদের জানতে হবে এদের আলাদা আলাদা চিকিৎসা দিলে আমরা ভালো ফলাফল পাবো কি-না”। ডায়াবেটিস ইউকে’র ড. এমিলি বার্নস বলছেন রোগটি সম্পর্কে ঠিকঠাক মতো বুঝতে পারলে “তা প্রত্যেক ব্যক্তিকে আলাদাভাবে চিকিৎসা দেয়া এবং এটা ভবিষ্যতে ডায়াবেটিস-সংক্রান্ত জটিলতার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য” করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, “টাইপ ২ ধরনের ডায়াবেটিস আরও ভালো করে বুঝতে এই গবেষণা বেশ প্রতিশ্রুতির পরিচয় দিয়েছে, কিন্তু এর মাধ্যমে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত মানুষদের কী উপকার হবে তা বোঝার আগে সাব-গ্রুপগুলো সম্পর্কে আমাদের আরও ভালোভাবে জানতে হবে”।

Read also:

প্রতি রাতে এই ৩ কাজ করে পান নিখুঁত স্নিগ্ধ ফর্সা ত্বক!

অনেকের কাছে নিখুঁত সুন্দর ত্বক একধরণের স্বপ্নের মতোই মনে হয়। কিন্তু বেশ সহজেই ত্বকের যেকোনো সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। জানতে চান রহস্য? তাহলে জেনে নিন স্কিন এক্সপার্ট হুমায়রা আফসারির পরামর্শে। স্কিন এক্সপার্ট হুমায়রা জানান, ‘প্রতিরাতে যদি সামান্য একটু যত্ন নেয়া হয় তাহলে খুব সহজেই ত্বকের সৌন্দর্য ধরে রাখা সম্ভব। একটু সচেতনতাই ব্রণ, ত্বকের রুক্ষতা এবং অন্যান্য নানা সমস্যা দূরে রাখতে পারে। আমরা অনেক সময়ই অনেককে ত্বকের সমস্যার কারণে খুব সহজ ৩টি পরামর্শ দিয়ে থাকি এবং তাদের সকলেই এ কাজগুলো করে অনেক উপকৃত হয়েছেন বলেছেন’।

১) ত্বক পরিষ্কার করুন
রাতে বাসায় ফিরে অবশ্যই ত্বক পরিষ্কার করে নেবেন। স্কিন এক্সপার্ট হুমায়রা জানান, ত্বকের নানা সমস্যার মূল কারণ হচ্ছে অপরিষ্কার ত্বক। ত্বক যতো অপরিষ্কার থাকবে ততো সমস্যা বাড়তে থাকবে। তাই প্রতি রাতে বাসায় ফিরে অবশ্যই ভালো করে ত্বক পরিষ্কার করে নেবেন। প্রথমেই ভালো কোনো ফেসওয়াস দিয়ে ত্বক ধুয়ে নিয়ে ত্বক স্ক্রাব করে উপরের ময়লা দূর করে নিন। এরপর একটি সাধারণ বা প্রাকৃতিক কোনো টোনার দিয়ে ত্বক আরও ভালো করে পরিষ্কার করে নিন। কাঁচা দুধ খুব ভালো টোনার হিসেবে কাজ করে। দুধ লাগিয়ে ৫ মিনিট রেখে ত্বক ধুয়ে ফেললেই চলবে, বলে জানান হুমায়রা।

২) ফেস প্যাক
ফেস প্যাক মানে ভারী কোনো ফেস প্যাক নয়। প্রতিদিন রাতে ব্যবহারের জন্য দুধ মধুর হালকা ফেস প্যাকই যথেষ্ট। এতে ত্বকের কোমলতা ফিরে আসে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতাও বজায় থাকে। যাদের ত্বক রুক্ষ তারা দুধ ও মধু মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন, যাদের ত্বক তৈলাক্ত তারা লেবুর রস ও মধু ব্যবহার করতে পারেন আর যারা একটু উজ্জ্বলতা চান তারা হলুদ গুঁড়ো ও দুধ ব্যবহার করে প্যাক তৈরি করতে পারেন। মাত্র ২০ মিনিট ব্যবহার করেই ধুয়ে ফেললে ত্বকের যত্ন নেয়া শেষ।

৩) সঠিক খাবার
রাতের খাবারের কারণে অনেক সময় ত্বকের সমস্যা দেখা যায় বলে জানান হুমায়রা। এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘রাতের ভারী খাবার হজম না হওয়ার কারণে অনেকেরই ব্রণ সমস্যা দেখা দেয়’। তাই রাতে হালকা খাবার খাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। সেই সাথে পান করা উচিত অন্তত ২ গ্লাস পানি।
====================
অবশেষে দেখা মিলল ক্রিকেটার রুবেলের স্ত্রী’র

স্পোর্টস ডেস্কঃঅভিনেত্রী নাজনীন আক্তার হ্যাপির সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে বেশ আলোচিত হয়েছিলেন পেসার রুবেল হোসেন। ২০১৪ সালর ১৩ ডিসেম্বর রাজধানীর মিরপুর মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে হ্যাপি বাদী হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে মামলাও করেছিলেন। আর এই কারণে দুদিন কারাগারেও থাকতে হয়েছিল তাঁকে।পরে জামিনে মুক্তি পেয়ে অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পান রুবেল। তাঁর অসাধারণ সাফল্যে সেই বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দারুণ কিছু অর্জন ঘরে তোলে। বিশ্বকাপ-পরবর্তী সময়ে রুবেলের পারফরম্যান্স খুব একটা খারাপ ছিল না।

আলোচিত এই পেসার হঠাৎ করে ২০১৬ সালে অগোচরে হঠাৎ করে বিয়ে করেন। তবে কনে হ্যাপি নন, মিডিয়ার একেবারেই বাইরের একজনের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছেন তিনি। অবশ্য সে সময় তাঁকে সামনে নিয়ে আসেননি।

দীর্ঘদিন পর হলেও নিজের স্ত্রীকে ভক্ত-সমর্থকদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন রুবেল। সম্প্রতি স্ত্রীর সঙ্গে নিজের দুটি ছবি প্রকাশ করেছেন। সেখানে শুধু লিখেছেন, ‘আমার স্ত্রী’।

অবশ্য স্ত্রীর নাম প্রকাশ করেননি রুবেল। তবে শোনা যাচ্ছে, পারিবারিক পছন্দে এই বিয়ে হয়েছে বলে রুবেলের এক ঘনিষ্ঠজন জানিয়েছেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস পালিত
জাকির হোসেন পিংকু, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি: ‘উন্নয়ন আর আইনের শাসনে এগিয়ে চলছে দেশ, লিগ্যাল এইডের সুফল পাচ্ছে সারা বাংলাদেশ’ এই শ্লোগাণে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্যে দিয়ে আজ শনিবার জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস পালিত হয়েছে।

এ উপলক্ষে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির আয়োজনে সকালে জেলা জজ আদালত ভবন চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের করা হয়। র‌্যালীটি শহর প্রদক্ষিণ শেষে জেলা আইনজীবী সমিতি ভবন প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়।

র‌্যালীতে অংশ নেন জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি চেয়ারম্যান এবং জলা ও দায়রা জজ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ লিয়াকত আলী মোল্লা, জেলা প্রশাসক মাহমুদুল হাসান, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ জিয়াউর রহমান, পুলিশ সুপার মোজাহিদুল ইসলাম, যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আনোয়ারুল হক, অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আব্দুস সালাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এরশাদ হোসেন, সিভিল সার্জন খায়রুল আতাতুর্ক, লিগ্যাল এইড অফিসার নাজমুল হোসেন জেলা আইনজীবী সমিতি সভাপতি মোসাদ্দেক হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হোসেন, পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) জবদুল হক, অন্যান্য বিচারকগণ, আইনজীবীসহ বিচার বিভাগ সংশ্লিস্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ। পরে, স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচী আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

 

Facebook Comments

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>