Published On: Tue, May 1st, 2018

আর নয় উত্তেজক ঔষধ,আপনি ঘরে বসেই বানাতে পারেন ভায়াগ্রা, জেনে রাখুন সারাজীবন কাজে লাগবে।

নিত্য দিনের নানা প্রাকৃতিক কাজের মতো সেক্স স্বাভাবিক হলেও, সাধারণভাবে সেক্স নিয়ে মানুষের ‘ট্যাবু’রও অন্ত নেই, কৌতূহলেরও শেষ নেই।

প্রকাশ্যে কথা বলতে বাধলেও যৌনতা বাড়াতে অনেকে ভায়াগ্রা ব্যবহার করেন। অনেকে আবার এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কী হবে ভেবে এ কাজ থেকে বিরত থাকেন।

তবে এখন ঘরে বসেই আপনি ভায়াগ্রা বানিয়ে ফেলতে পারেন। কীভাবে, জানাচ্ছি আমরা।

প্রথমে জানতে হবে ভায়াগ্রা ঠিক কী ধরনের কাজ করে মানব দেহে। এই ওষুধের মধ্যে অ্যাফ্রোডিসিয়াক প্রপার্টি থাকে, যেমন সিট্রুলিন, লাইকোপেন প্রভৃতি।

যা পুরুষদের সেক্সুয়াল পারফরম্যান্স বাড়াতে সাহায্য করে। আমাদের হাতের কাছেই এমন দুই বস্তু রয়েছে যা থেকে সহজেই অ্যাফ্রোডিসিয়াক প্রপার্টি পাওয়া যায় এবং তাও প্রচুর পরিমাণে। প্রথমটি হল তরমুজ এবং দ্বিতীয়টি হল পাতি লেবু।

প্রণালী :
প্রথমে তরমুজ ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিন। মিক্সার বা জুসারের মাধ্যমে তা ক্রাশ করে ফেলুন। তরমুজের খানিকটা সাদা অংশও এর মধ্যে দিয়ে দিন। প্রায় এক লিটার মতো এই জুস দরকার হবে।

এর পর তরমুজের রস একটি পাত্রে ঢেলে তা হাল্কা আঁচে ফোটাতে থাকুন। ফুটে উঠলে একটি গোটা পাতিলেবুর রস তাতে দিয়ে দিন। ভালো করে মিশিয়ে নিন।

মনে রাখবেন, পাত্রের নীচে যাতে না লেগে যায়, তার জন্য ক্রমাগত মিশ্রণটি নাড়তে থাকুন। আঁচ কমিয়েই রাখুন এবং মিশ্রণটি অর্ধেক হতে দিন।

এবার আঁচ থেকে নামিয়ে ঠান্ডা হতে দিন। ঠান্ডা হলে ভালো করে ছেঁকে একটি পরিষ্কার কাঁচের বোতলে ভরে ফ্রিজে রেখে দিন। রোজ সকালে খালি পেটে এবং রাতে খাবার আগে ২ চামচ করে খান।

যদি আপনার ওজন বেশি হয়, তবে তা ৩-৪ চামচ পর্যন্ত খান। সপ্তাহ খানেকের মধ্যেই এর প্রভাব বুঝতে পারবেন। সব বয়সের জন্য একদম নিরাপদ এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন এই হোম মেড ভায়াগ্রা।

* স্বাদ বাড়ানোর জন্য চিনি, লবণ এবং অন্যান্য মশলা ব্যবহার করলে এ উপযোগিতা কমে যায়। ফলে প্রাকৃতিক ভাবেই এটা খাওয়া ভালো।

ছেলেরা এখুনি সাবধান হন, যে কারনে ঝুলে যেতে পারে আপনার অণ্ডকোষ, নষ্ট হতে পারে আপনার সুখের সংসার জীবন।।

হাইড্রোসিল নানা কারণে হতে পারে যেমন – আঘাত লাগা, অত্যধিক কৃত্রিম উপায়ে মৈথন, চাপ লাগা, কোন প্রকার ইনফেকশন ইত্যাদি। ইরিটেসনের ফলে কোষের বৃদ্ধি হতে পারে। ভিতরে পুজের মত একপ্রকার তরল পদার্থ থাকার কারণে কোষ শক্ত হয়।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

উক্ত সঞ্চিত তরল পদার্থ চাপ বাধতে থাকে অথবা রক্ত বা পুজের কনা মিশ্রিত বস্তু ঘোলা হয়ে জমে যেতে পারে। অণ্ডকোষের অভ্যন্তরস্থ তরল বস্তু সমূহ বর্ণশূন্য থাকে অথবা কখনো বা ইষৎ হলুদ বর্ণের হয়। এর সাথে ধীরে ধীরে পিগমেন্ট রক্ত, ফাইব্রিন, চর্বি, মিউকাস এপিথেলিয়াম শুক্র ইত্যাদির মিশ্রনে সবুজাভ, ঘোর সবুজ বা কখনো লাল বর্ণের হতে পারে। স্ক্রটামের উপরাংশের কোষ এবং নিচের অংশে সঞ্চিত তরল পদার্থ থাকে কিন্তু ইরিটেসন বা প্রদাহের জন্য স্ক্রটামের সাথে সংযুক্ত হয়ে যায় তখন কোষ নিজেই আবদ্ধ থাকে এবং তরল পদার্থসমূহ উপরে সঞ্চিত হয়ে থাকে।

রোগের এই অবস্থায় অনেক সময় বাহির থেকে স্ক্রোটাল হার্নিয়ার সঙ্গে ভ্রম হতে পারে কিন্তু পরীক্ষায় হার্নিয়া হলে এবডোমিনাল রিঙের মধ্যে পাওয়া যাবে এবং কাশি দিলে অণ্ডকোষ ফুলে উঠবে কিন্তু হাইড্রোসিলে তা হবে না। তবে সাধারণত স্বাস্থ্যভঙ্গ, শোথ রোগ, আঘাত লাগা, অণ্ডকোষ ঝুলে থাকা ইত্যাদি কারণেই বেশি হয়ে থাকে।

অণ্ডকোষের বৃদ্ধি বা হাইড্রোসিলের লক্ষণ :-

০১. এই রোগটি দেখলেই বুঝতে পারা যায় যে অণ্ডকোষ সাধারন এবং স্বাভাবিক আকার হতে অনেক বড় দেখায়। কোন কোন ক্ষেত্রে এত বড় হয় যে দেখতে নারিকেলের মত দেখায়। কখনো একটি আবার কখনো দুটিই এত বড় হয়ে পারে।

০২. অণ্ড ফুলে মোটা হয়ে যায় এবং নরম বোধ হয়। অণ্ডকোষের দুটি পর্দার মধ্যে যে তরল পদার্থ জমে তা বুঝতে পারা যায়। কারণ হাত দিয়ে অণ্ডকোষ সমেত একটি অণ্ড চেপে ধরলে এবং মৃদু চাপ দিলে নরম বোধ হবে।

০৩. এই রোগের অণ্ডকোষের চামড়া পুরু এবং মোটা হয় কিন্তু কোরণ্ড হলে চামড়া অত্যন্ত মোটা হবে তবে এর মধ্যে কোন প্রকার তরল পদার্থের সঞ্চালন পাওয়া যাবে না।

০৪. জ্বালা যন্ত্রণা বা টাটানি বেদনা থাকে আবার কখনো থাকে না এবং অণ্ডকোষের চামড়া ও এর নিচের তন্তু গুলো পুরু হয়ে থাকে। অধিকাংশ সময় একই অণ্ডকোষে এইরোগ হয় আবার কোন কোন ক্ষেত্রে দুটি অণ্ডই এক সাথে আক্রান্ত হতে পারে।

০৫. যদি আঘাত জনিত কারণে এই রোগ হয় তবে ঐ স্থানে বেদনা হয় এবং টান টান একটা ভাব থাকে, এমন কি রোগী এটি স্পর্শ করতে দিতে চায় না।

০৬. যদি রোগ জীবানু সংক্রান্ত কারণে হয় তবে আক্রমনের সাথে সাথেই জ্বর ভাব চলে আসে, তবে দেহের তাপমাত্রা খুব বেশি বৃদ্ধি পায় না।

০৭. অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে, এই রোগের আক্রমনের সাথে সাথে স্পার্মেটিক কর্ড কিছুটা ফুলে যায় এবং তাতে প্রদাহ ভাব সৃষ্টি হয়।

০৮. অনেক সময় নির্দিষ্ঠ দিকের গ্রন্থীগুলি ফুলে উঠে এবং তাতে ভয়ানক বেদনা থাকে। এছাড়া যোনি রোগ সংক্রান্ত কারণে যেমন সিফিলিস, গনোরিয়া ইত্যাদি কারনেও এটি হতে পারে।

০৯. আবার রোগী ফাইলেরিয়া রোগে আক্রান্ত হলেও এই উপসর্গটি দেখা দিতে পারে। তখন পা ফোলে এবং পায়ের শিরা স্ফীত হয়ে উঠে। এতে অণ্ডকোষে বেশি পরিমান পানি সঞ্চয় হয় এবং অনেক বেশি ফুলে যায়। প্রথম অবস্থায় এর ট্রিটমেন্ট করলে আরোগ্য হয়ে যায় কিন্তু রোগটি যখন কঠিন অবস্থায় চলে যায় তখন অনেক সময় অপারেসনেরও প্রয়োজন হতে পারে ।

Read also:

সমস্ত মেয়েদেরকে আহব্বান করছি প্লিজ বোন মাত্র ২ মিনিট ব্যয় করে লেখাটা পড়, আর সম্ভব হলে….

সমস্ত মেয়েদেরকে আহব্বান করছি প্লিজ বোন মাত্র ২ মিনিট ব্যয় করে লেখাটা পড় ! আর সম্ভব হলে ছেলে বা মেয়ে সকলেই পোস্টটি শেয়ার কর।

– বোন সেলফি দিও না ফেসবুকে!
– কেন?!!!
– কারন জাহান্নামের আগুন সহ্য করার ক্ষমতা আমাদের
নাই!!!

তুলতুলে গাল দুইটার কি হবে জান? তুলতুলে গালের ছিটে ফোঁটা অস্তিত্ব থাকবেনা.. শুধু আগুন থাকবে মুখমন্ডল জুড়ে! কি বিশ্বাস হয়না? বিশ্বাস না হলে # সূরা_ইবরাহীম_৫০ আয়াতের অর্থ দেখো!

এখানেই শেষ না বোন! আল্লাহর অবাধ্যতা করলে অনন্তকাল জাহান্নামে পুড়তে হবে! যখনই গায়ের চামড়া পুড়ে কয়লা হয়ে যাবে তখনই তার স্থলে নতুন চামড়া সৃষ্টি করে দিবেন আল্লাহ যাতে পাপীরা গুনাহের শাস্তি পরিপূর্ণ ভাবে ভোগ করে।

এটা আমার বানিয়ে বানিয়ে বলা গল্প না…
# সূরা_নিসা_৫৬_তম_আয়াত_এটি !

জীবনে যে কখনো নামায আদায় করেনি,পর্দা যে স্বপ্নেও ভাবতে পারেনা সেও কোনদিন বলবেনা কোরআনের আয়াত মিথ্যা! এখন বলো বোন! কার জন্য এবং কিসের জন্য তুমি নিজের উপর এমন লানত নিয়ে ঘুরছো! সামান্য কয়টা লাইক? নোংরা কিছু কমেন্ট? এসব দিয়ে
কি হবে তোমার? ডিমান্ড বাড়বে? কার কাছে?

নষ্ট হয়ে যাওয়া কিছু ছেলের কাছেই কেবল বাবা- মা মেরে পিটে মানুষ করতে পারেনি এমন কিছু ছেলে আর কিছু ব্যক্তিত্বহীন ছেলেই তোমার ছবিতে কমেন্ট করবে wow hot!

প্রকৃতই যারা পুরুষ তারা কখনো ঠুনকো লাইক, কমেন্ট দিয়ে তোমার সৌন্দর্য যাচাই করবেনা! তবে কার জন্য নিজেকে একটু একটু করে সস্তা করছো?

তুমি তো সস্তা জাতি নও! তুমি তো সেই জাতি যাদের জীবন্ত কবর দেয়ার প্রথা থেকে তুলে এনে পুরুষের জন্য চক্ষুশীতল কারীনি বানানো হয়েছে!

তুমি তো সেই জাতি যারা রাসূল (সাঃ) এর নবুয়ত প্রাপ্তির পর প্রথম ইসলাম কবুল করার সৌভাগ্য পেয়েছে!

তুমি তো সেই সে জাতি দুনিয়াতে থাকা অবস্থাতেই জান্নাতের নেত্রী হওয়ার সুসংবাদ পেয়েছে!

তুমি তো সেই জাতি যাদের পদতলে জান্নাতের ঘোষনা দেয়া হয়েছে! তুমি এতটা সস্তা নও যে নষ্ট হয়ে যাওয়া একদল কাপুরুষের লাইক, কমেন্ট নিয়ে তোমাকে নতুন করে জাতে উঠতে হবে!

সময় হারানোর পূর্বেই সব সেলফি-টেলফি সরাও বোন….

অন্যের মনোরঞ্জনের জন্য নিজেকে জাহান্নামী করার মত বোকা তুমি নও! সেই দিন আসবার পূর্বেই নিজেকে শুধরাও যেদিন আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব কোন কাজেই আসবেনা!

ওমা তওফিকী ইল্লা বিল্লাহ..

Facebook Comments

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>