Published On: Tue, May 1st, 2018

শবে বরাতের আমল ও ফজিলত

শবে বরাতের রাতটি মুসলিম সমাজে গুরুত্বের সাথে পালিত হয়ে আসছে । শবে বরাতের রাতটির সীমাহীন গুরুত্ব ও ফজিলতের কারণেই মুসলিম সমাজ ইবাদত-বন্দেগি করে উদযাপন করে থাকে। এ রাতের ইবাদত-বন্দেগি মহান আল্লাহ খুবই পছন্দ করেন। শবে বরাতের রাতের ফজিলতও অনেক বেশি। হজরত আয়েশা সিদ্দিকা (রা.) একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন,  এক রাতে আমি রাসুলুল্লাহ (সা.) কে বিছানায় না পেয়ে তাঁকে খুঁজতে বের হলাম। জান্নাতুল বাকিতে (মদিনার সর্ববৃহৎ কবরস্থান) গিয়ে তাঁকে পেলাম। তিনি আকাশ পানে মাথা উঁচু করে ছিলেন। তিনি আমাকে দেখে বললেন,  হে আয়েশা, তুমি কি ভেবেছ,  আল্লাহ এবং তাঁর রাসুল (সা.) তোমার ওপর জুলুম করবেন? হজরত আয়েশা (রা.) বলেন, আমি বললাম তেমন কিছু নয়। আমি ভেবেছিলাম, আপনি হয়তো আপনার অন্য কোনো স্ত্রীর নিকট গমন করেছেন।  অতঃপর রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ তায়ালা নিসফে শাবানের রাতে  (শবে বরাতে)  সৃষ্টির প্রতি করুণার দৃষ্টি দেন এবং কালব গোত্রের বকরির পশমের চেয়েও অধিক মানুষকে ক্ষমা করে দেন।(সুনানে ইবনে মাযা, হাদিস :১৩৮৯, মুসনাদে ইসহাক, হাদিস : ৮৫০, মুসনাদে আহমাদ, হাদিস : ২৬০১৭)

শবে বরাতের আমল
আমদের সমাজে শবে বরাত পালন করা হয়। বছর ঘুরে একবার মহিমাম্বিত রাতটির আগমন হয় বিধায় দীর্ঘদিনের ব্যবধানে অনেকেই রাতটির করণীয় আমল সম্পর্কে  জানতে চান।  আসলে শবে বরাতের জন্য নির্দিষ্ট কোনো আমল ইসলামি শরিয়ত বিধিবদ্ধ করেনি। এ রাত্রিতে যে আমলই করা হোক না কেন তার মর্যাদা নফল।  সুতরাং নফল যেকোনো আমলই এ রাতে করা যেতে পারে। যেমন নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত,  জিকির, সাদাকাহ,  কবর জিয়ারত ইত্যাদি। কেউ কেউ শবে বরাতে বিশেষ কোনো সুরা দিয়ে নির্দিষ্ট সংখ্যক রাকাত নফল নামাজ পড়ার বিষয়ে বলে থাকেন। যারা এমনটি বলেন, তাঁরা তাঁদের অজ্ঞতার কারণেই এমন কথা বলেন তাতে কোনো সন্দেহ নেই। যেকোনো সুরা দিয়ে নফল নামাজ আদায় করলেই হবে। আর দিনের বেলাতে অর্থাৎ ১৫ শাবানের দিনে নফল রোজা রাখার বিষয়টি হজরত আলী (রা.) বর্ণিত হাদিস দ্বারা প্রমাণিত এবং এ রোজার সওয়াবও অনেক বেশি। বিশেষ করে শবে বরাতে মহান আল্লাহর দরবারে ইস্তেগফার ও মুনাজাত করতে হবে একনিষ্ঠ ভাবে।

Read also:

সমস্ত মেয়েদেরকে আহব্বান করছি প্লিজ বোন মাত্র ২ মিনিট ব্যয় করে লেখাটা পড়, আর সম্ভব হলে….

সমস্ত মেয়েদেরকে আহব্বান করছি প্লিজ বোন মাত্র ২ মিনিট ব্যয় করে লেখাটা পড় ! আর সম্ভব হলে ছেলে বা মেয়ে সকলেই পোস্টটি শেয়ার কর।

– বোন সেলফি দিও না ফেসবুকে!
– কেন?!!!
– কারন জাহান্নামের আগুন সহ্য করার ক্ষমতা আমাদের
নাই!!!

তুলতুলে গাল দুইটার কি হবে জান? তুলতুলে গালের ছিটে ফোঁটা অস্তিত্ব থাকবেনা.. শুধু আগুন থাকবে মুখমন্ডল জুড়ে! কি বিশ্বাস হয়না? বিশ্বাস না হলে # সূরা_ইবরাহীম_৫০ আয়াতের অর্থ দেখো!

এখানেই শেষ না বোন! আল্লাহর অবাধ্যতা করলে অনন্তকাল জাহান্নামে পুড়তে হবে! যখনই গায়ের চামড়া পুড়ে কয়লা হয়ে যাবে তখনই তার স্থলে নতুন চামড়া সৃষ্টি করে দিবেন আল্লাহ যাতে পাপীরা গুনাহের শাস্তি পরিপূর্ণ ভাবে ভোগ করে।

এটা আমার বানিয়ে বানিয়ে বলা গল্প না…
# সূরা_নিসা_৫৬_তম_আয়াত_এটি !

জীবনে যে কখনো নামায আদায় করেনি,পর্দা যে স্বপ্নেও ভাবতে পারেনা সেও কোনদিন বলবেনা কোরআনের আয়াত মিথ্যা! এখন বলো বোন! কার জন্য এবং কিসের জন্য তুমি নিজের উপর এমন লানত নিয়ে ঘুরছো! সামান্য কয়টা লাইক? নোংরা কিছু কমেন্ট? এসব দিয়ে
কি হবে তোমার? ডিমান্ড বাড়বে? কার কাছে?

নষ্ট হয়ে যাওয়া কিছু ছেলের কাছেই কেবল বাবা- মা মেরে পিটে মানুষ করতে পারেনি এমন কিছু ছেলে আর কিছু ব্যক্তিত্বহীন ছেলেই তোমার ছবিতে কমেন্ট করবে wow hot!

প্রকৃতই যারা পুরুষ তারা কখনো ঠুনকো লাইক, কমেন্ট দিয়ে তোমার সৌন্দর্য যাচাই করবেনা! তবে কার জন্য নিজেকে একটু একটু করে সস্তা করছো?

তুমি তো সস্তা জাতি নও! তুমি তো সেই জাতি যাদের জীবন্ত কবর দেয়ার প্রথা থেকে তুলে এনে পুরুষের জন্য চক্ষুশীতল কারীনি বানানো হয়েছে!

তুমি তো সেই জাতি যারা রাসূল (সাঃ) এর নবুয়ত প্রাপ্তির পর প্রথম ইসলাম কবুল করার সৌভাগ্য পেয়েছে!

তুমি তো সেই সে জাতি দুনিয়াতে থাকা অবস্থাতেই জান্নাতের নেত্রী হওয়ার সুসংবাদ পেয়েছে!

তুমি তো সেই জাতি যাদের পদতলে জান্নাতের ঘোষনা দেয়া হয়েছে! তুমি এতটা সস্তা নও যে নষ্ট হয়ে যাওয়া একদল কাপুরুষের লাইক, কমেন্ট নিয়ে তোমাকে নতুন করে জাতে উঠতে হবে!

সময় হারানোর পূর্বেই সব সেলফি-টেলফি সরাও বোন….

অন্যের মনোরঞ্জনের জন্য নিজেকে জাহান্নামী করার মত বোকা তুমি নও! সেই দিন আসবার পূর্বেই নিজেকে শুধরাও যেদিন আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব কোন কাজেই আসবেনা!

ওমা তওফিকী ইল্লা বিল্লাহ..

Facebook Comments

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>