Published On: Tue, May 1st, 2018

শরীরে তাৎক্ষণিক শক্তি জোগায় যেসব খাবার ! জেনে রাখুন

শক্তির বলেই আমরা যে কোন কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে পারি। অন্যথায় এর ঘাটতি হলে দুর্বল বোধ করি। তখন হালকা কাজেই ক্লান্ত হয়ে পড়ি। কোন কাজেও মন বসে না। শক্তিই কেবল আমাদের সারাদিন কর্মক্ষম রাখতে সাহায্য করে। খাদ্য ও কৃষি সংস্থার মতে, প্রতিদিন একজন ব্যক্তির গড়ে এক হাজার ৮০০ ক্যালরি শক্তির প্রয়োজন। এমন কতগুলো খাবার আছে যেগুলো আপনার শরীরে প্রয়োজনীয় শক্তির জোগান দিয়ে থাকে। কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন এবং ফাইবার সমৃদ্ধ এই খাবারগুলো আপনাকে তাত্ক্ষণিক শক্তির জোগান দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। লাইফস্টাইল বিষয়ক ওয়েবসাইট ‘বোল্ডস্কাই ডট কম’ অবলম্বনে জেনে নিন তাত্ক্ষণিক শক্তি জোগায় এমন কিছু খাবারের তালিকা-

চিংড়ি : চিংড়িতে ভিটামিন বি এবং কম পরিমাণে ক্যালরি রয়েছে, যা হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এ ছাড়া এতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে , যেটি শরীরের শক্তি বাড়িয়ে মেজাজ ভালো রাখতেও ভূমিকা রাখে।

ফলমুল : স্ট্রবেরি, কলা, কালোজাম প্রভৃতি ফলে প্রাকৃতিক চিনি বিদ্যমান রয়েছে, যা তাৎক্ষণিক শক্তি বাড়াতে ভূমিকা রাখে। এসব ফলে তন্তু থাকায় তা রক্তে শর্করার মাত্রাও ঠিক রাখে। কাজেই শক্তি জোগাতে সকালের নাস্তায় সবজি এবং ফল রাখতেই পারেন।

বাদাম : বাদাম, আখরোট প্রভৃতি খাবারে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে, যা শরীরের চিনিকে শক্তিতে রুপান্তরিত করে। এ ছাড়া বাদামে তন্তু পূর্ণ থাকায় তা রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখে। একই সঙ্গে ক্ষুধা দূর করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

দই : তাৎক্ষণিক শক্তি জোগাতে দইয়ের জুড়ি মেলার ভার। এতে ল্যাকটোজ রয়েছে, যা তাড়াতাড়ি শক্তিতে রুপান্তরিত হয়। এ ছাড়া দইয়ে উচ্চ মাত্রার প্রোটিন রয়েছে, যেটি আপনার শক্তি দীর্ঘক্ষণ ধরে রাখতে সাহায্য করে।

ডিম : সকালের নাস্তায় ডিম হতে পারে ভালো একটি খাবার। এতে উচ্চ মাত্রার প্রোটিন থাকায় তা দীর্ঘক্ষণ আপনার পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। ফলে আপনিও অনেকক্ষণ ধরে কর্মক্ষম থাকতে পারেন।

সিয়া সিডস : শক্তির স্থিতাবস্থা ধরে রাখতে সিয়া সিডসের বিকল্প নেই। এতে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, চর্বি এবং তন্তু রয়েছে, যা শক্তি ধরে রাখতে সাহায্য করে। স্বাস্থ্যকর এই খাবারটি শরীরে শর্করার মাত্রা বাড়ায় না। আবার দীর্ঘক্ষণ আপনাকে খাবার খাওয়া থেকেও বিরত রাখে সিয়া সিডস।

কুমড়ো বীজ : স্বাস্থ্যকর চর্বি, তন্তু এবং প্রোটিনের সমৃদ্ধ উৎস হলো কুমড়ো বীজ। এই খাবারটি শক্তি ধরে রাখতে সাহায্য করে। এটি দীর্ঘ সময় পর্যন্ত আপনার পেট ভরা রাখতেও সাহায্য করে। এই বীজে ম্যাঙ্গানিজ., ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, জিঙ্ক প্রভৃতি রয়েছে, যা দেহে অতিরিক্ত শক্তির জোগান দিতে ভূমিকা রাখে।

ডার্ক চকলেট : ডার্ক চকলেট স্বাস্থ্যের জন্য অনেক ভালো। এতে দিওব্রোমিন নামে প্রাকৃতিক উদ্দীপক বিদ্যমান থাকায় তা শক্তির পাশাপাশি আপনার মেজাজ ভালো রাখতে সাহায্য করে।

ওটমিল : ওটমিলে কার্বহাইড্রেট বিদ্যমান থাকায় তা শরীরের শক্তি বাড়াতে ভূমিকা রাখে। শুধু তাই নয়, এটি দীর্ঘক্ষণ ধরে শরীরের শক্তি ধরে রাখতেও ভূমিকা রাখে। এতে ভিটামিন বি বিশেষ করে নিয়াসিন, থায়ামিন এবং ফলেট রয়েছে, যেগুলো শরীরের শক্তি বাড়াতে একসঙ্গে কাজ করে।

আপেল : তন্তু এবং প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও মিনারেল থাকায় শক্তির একটি সমৃদ্ধ উৎস হলো আপেল। তন্তু দীর্ঘ সময় ধরে পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। এতে বার বার খাওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। কাজেই সারাদিন কর্মক্ষম থাকতে প্রতিদিন সকালের নাস্তায় আপেল রাখার চেষ্টা করুন।

রোদ পোহালেই দুর হবে যৌনসমস্যা ! পড়ুন তাহলে

পৃথিবীতে যে রোগের ওষুধ হিসেবে মাটির বড়ি বানিয়ে বিক্রি করলেও ক্রেতার অভাব হয় না, সেটা হলো যৌনঅক্ষমতা। এর জন্য টাকা খরচ করতে পিছুপা হয় না কেউ। কিন্তু রোদ পোহালেই বাড়তে পারে পুরুষের কামশক্তি। গবেষকরা তো তাই বলছেন। অস্ট্রিয়ার গ্রাজ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা জানিয়েছেন, পুরুষের রক্তে যৌন হরমোন টেস্টোস্টেরন ভিটামিন ডি-র মাধ্যমে বৃদ্ধি পায়৷ আর ভিটামিন ডি-র প্রধান উৎস হল সূর্যালোক৷ ত্বকে সূর্যালোকের প্রভাবে রক্তে ভিটামিন ডি এর মাত্রা বৃদ্ধি পায়৷ এছাড়াও ভিটামিন ডি এর প্রধান উৎস হল মাছ এবং মাংস৷ গবেষকেরা জানিয়েছেন, রক্তে প্রতি মিলিলিটারে ভিটামিন ডি-র পরিমাণ যত বেশি হবে পুরুষের যৌন ক্ষমতা তত বাড়বে৷

গবেষণায় দেখা গেছে, সূর্যালোকের সাহায্যে পুরুষের রক্তে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা প্রায় ৬৯ শতাংশ বৃদ্ধি পায়৷ পুরুষের যৌনতার ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি হরমোন৷ এই হরমোনটিই যৌনতার চরিত্র, শুক্রাণু উৎপাদন ও পুরুষের যৌন চাহিদাকে নিয়ন্ত্রণ করে৷ তবে গায়ে রোদ লাগানোর ক্ষেত্রে বরাবরের মতোই সকালের মিষ্টি রোদকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কারণ, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্য্যের আলোতে বাড়তে থাকে অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাব। এটা ত্বকের ক্যান্সার সৃষ্টিসহ নানা শারীরিক সমস্যার জন্ম দেয়।

Facebook Comments

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>