Published On: Tue, May 1st, 2018

ভয়াবহ আগুনে মাত্র ৯০ মিনিটেই ধসে পড়লো ২৬ তলা ভবন!

ভয়াবহ আগুন! মাত্র ৯০ মিনিটেই ধসে পড়েছে ২৬ তলা একটি ভবন। দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় শহর সাও পাওলোর এ ঘটনায় কমপক্ষে একজন নিহত হয়েছেন। একটি গ্যাস বিস্ফোরণ এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছ।

স্থানীয় সময় সোমবার দিনগত রাত ১টা ২০ মিনিটে ওই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। দমকল বাহিনীর দেড় শতাধিক কর্মী আগুন নেভানোর চেষ্টা করছে। বহুতল ওই ভবনটির বেশিরভাগ বাসিন্দাই অবৈধভাবে সেখানে বসবাস করছিলেন।

সাও পাওলোর লার্গো দো পাইসানদু এলাকায় ওই ভবনটি ব্রাজিলের পুলিশ বাহিনী কয়েক বছর আগে ছেড়ে যাওয়ার পর প্রায় ৫০টি পরিবার সেখানে বসবাস করছিল। দমকল বাহিনী বহুতল ভবনটি খালি করতে সক্ষম হয়েছে। কিন্তু ভবনটির একজন বাসিন্দাদের বের করার সময় ভবনটি ধসে পড়লে ওই ব্যক্তি মারা যায়।

দমকল কর্মী ম্যাক্স মেনা বলেছেন, এটা এক মুহূর্তের ব্যাপার ছিল কিন্তু আমরা তাকে বাঁচাতে পারিনি। ভবনটির একজন বাসিন্দা বলেন, যখন ভবনটি ধসে পড়লো তখন এটি সুনামির মতো অনুভূত হয়েছিল। ৫৮ বছর বয়সী ওই নারী বলেন, আমি সঙ্গে করে কিছুই আনতে পারিনি।

দেইসে সিলভা নামের ৩১ বছর বয়সী এক নারী তার পাঁচ সন্তান নিয়ে ঘুমিয়ে ছিলেন। কিন্তু চিৎকার চেঁচামেচিতে তার ঘুম ভেঙে যায়। তিনি বলেন, যখন সবাই বললো বিল্ডিংয়ে আগুন লেগেছে। আমি আমার সন্তানদের ঘুম থেকে ডেকে তুলি এবং বিল্ডিং থেকে বেরিয়ে আসি।

এসময় পার্শ্ববর্তী একটি হোটেলও খালি করতে দেখা যায়। হোটেলের রিসেপশনিস্ট বলেন তিনি চিৎকার করে সবাইকে আগুনের খবর জানান। দমকল বাহিনী জানিয়েছে, তারা আশঙ্কা ভবনটিতে আরও বহু লোক আটকা পড়ে থাকতে পারে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ভবনটির নিচের দিকের একটি ফ্লোরে ওই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত ঘটে। পরে সেটি লাগোয়া আরেকটি ভবনেও ছড়িয়ে পড়ে।

Read also:

সাপের বিষ থেকে বাঁচাতে নারীকে ৭৫ মিনিট গোবর চাপা! অতঃপর…

প্রতিদিনের মতো রান্নার লাকড়ি কুড়াতে গিয়েছিলেন দেভেন্দ্রি। হঠাৎই ঝোপের আড়াল থেকে একটি সাপ এসে ছোবল দিলো তাকে। এরপর অদ্ভুতুড়ে গোবর চিকিৎসায় মারা গেলেন এই নারী। সাপের বিষ নামাতে তাকে ৭৫ মিনিট গোবরের নিচে চাপা দিয়ে রাখা হয়েছিল।

ঘটনাস্থল ভারতের উত্তরপ্রদেশের বুলেন্দশাহর এলাকার ঘটনা এটি। ৩৫ বছর বয়সী গৃহবধূ দেভেন্দ্রি আচমকা সাপের কামড় খেয়ে হতবিহ্বল হয়ে পড়েন। দৌঁড়ে যান স্বামীর কাছে। তাৎক্ষণিকভাবে বিভিন্ন ওষুধ দেয়া হয় তাকে। কিন্তু তাতে আস্থা না পেয়ে ডাকা হলো এলাকার নাম করা ওঝা মুরারেকে। মুরারে এসে দিলেন বিচিত্র এক চিকিৎসা। গোবর দিয়ে চাপা দিলেন দেভেন্দ্রিকে। এমনকি শ্বাস নেয়ার ব্যবস্থাও রাখলেন না। পাশে বসে পড়তে থাকতে যত তন্ত্র-মন্ত্র।

এভাবে ৭৫ মিনিট থাকার পর মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন দেভেন্দ্রি। পাড়া-প্রতিবেশির ভাষ্য, তারা চিৎকার-চেচামেচি শুনে এসে দেখেন দেভেন্দ্রিকে গোবর চাপা দিয়ে রাখা হয়েছে। মুরারে নামকরা ওঝা, তাই সবাই চুপচাপ দেখছিলেন কী হয়।

দেভেন্দ্রির স্বামী মুকেশ বলেন, আমি ভাবতেই পারিনি এমন কিছু ঘটতে যাচ্ছে। আমার বিশ্বাস ছিল সে সুস্থ হয়ে উঠবে। অন্যদিকে, মুরারের কথা, আমি দীর্ঘদিন সফলতার সাথে মানুষের চিকিৎসা করে আসছি। দেভেন্দ্রিকে বিষধর কোবরা ছোবল দিয়েছে। তবে, গোবরে চাপা থাকায় দম বন্ধ হয়ে থাকতে পারে সে কথা অস্বীকার করেননি তিনি। স্থানীয় থানা জানিয়েছে, এ বিষয়ে এখনও কোনো ধরনের অভিযোগ তাদের কাছে আসেনি।

Facebook Comments

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>