Published On: Tue, May 1st, 2018

৩ টাকা দিয়ে ফলটি কিনুন ! এই একটি ফলের রসেই গলবে কিডনির পাথর

অপারেশন ছাড়াই গলবে কিডনির পাথর। শুধু একটি ফলের রসেই কিডনির পাথর দূর হবে! হ্যাঁ, ভুল দেখেননি।বিনা অপারেশনেই আধাকাপ লেবুর রসে কিডনির পাথর দূর হবে। প্রতি বছর পৃথিবীতে ক্যানসারের চেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু হয় কিডনির সমস্যায়।

কিডনি সমস্যার সবচেয়ে বড় কারণ কিডনি স্টোন। খবর জি নিউজের। অতিরিক্ত মাংস খেলেই বিপদ। কম পানি খেয়েছেন কী মরেছেন। কম সবজি খেলেও সমস্যা। বেশি নুন খাওয়া ক্ষতিকর। বংশগত কারণেও কিডনিতে পাথর হওয়ার আশংকা থাকে। মাঝে মাঝে ডিহাইড্রেশন হলেও কিডনিতে পাথর তৈরি হতে পারে। ইউরিন ইনফেকশন হলেও কিডনিতে পাথর জমতে পারে। মাইগ্রেনের জন্য ব্যবহৃত টপিরামেট জাতীয় ওষুধ কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়।

ওজন বাড়লেও মারাত্মক বিপদ। কিডনির ভেতরের এই পাথরগুলো মূত্রনালির মাধ্যমে মূত্রথলিতে যাওয়ার চেষ্টা করে। পাথর যখন সংকীর্ণ নালির মধ্যে দিয়ে যায়, তখন প্রচণ্ড ব্যথা হয়। কখনও কখনও নালিটি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এই অবস্থায় অপারেশন ছাড়া পথ থাকে না। কিন্তু ইউনিভার্সিটি অব হাউস্টনের গবেষকরা বলছেন, লেবুর রসে হতে পারে মুশকিল আসান। লেবুর রসে হাইড্রক্সিসিট্রেট থাকে। এটা আমাদের শরীরের ক্যালসিয়াম অক্সালেট ক্রিস্টাল গলিয়ে দিতে সাহায্য করে। এই ক্যালসিয়াম অক্সালেট ক্রিস্টালের কারণেই প্রধানত কিডনিতে পাথর হয়।

গবেষকরা বলছেন, দিনে দুবার ৪ আউন্স পাতিলেবুর রস খেতে হবে। ৩২ আউন্স টাটকা লেমোনেডও খাওয়া যেতে পারে। ২ আউন্স লেবুর রসের সঙ্গে ৬ আউন্স পানি মিশিয়ে নিতে হবে। সকালে ব্রেকফাস্টের আগে এবং রাতে শোয়ার আগে লেবুর রস খেয়ে নিতে হবে।

মূত্রনালিতে সংক্রমণে ছোট-বড় সকলেরই হতে পারে। তবে মূত্রনালিতে সংক্রমণের মতো রোগকে হালকাভাবে নেওয়াটা বেশ বিপজ্জনক। এমন হলে ডাক্তারের কাছে অবশ্যই যাবেন। তবে কয়েকটি ঘরোয়া টোটকাও মানতে পারেন। এতে রোগের প্রভাব তো কমবেই, ব্যথা-যন্ত্রণা থেকেও রেহাই মিলবে।

১) পানি-

এই রোগের ক্ষেত্রে পানি পান করা খুবই প্রয়োজন। দিনে কমপক্ষে ৮ গ্লাস পানি পান করতে হবে। পানি আমাদের দেহের সমস্ত দূষিত পদার্থগুলিতে মূত্রের সঙ্গে বের করে দেয়। আর এর ফলে শরীরও সুস্থ থাকে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বেড়ে যায়।

২) গরম-

মূত্রনালিতে সংক্রমণ হলে মূত্রাশয়ে জ্বালা জ্বালা ভাব থাকে।

অনেকসময় তলপেটে যন্ত্রণাও হয়। এক্ষেত্রে গরম কিছুর সংস্পর্শে থাকা ভাল। এতে আরাম মেলে। চাইলে গরম পানিতে স্নান করতে পারেন নয়তো হট ওয়াটার ব্যাগ তলপেটে লাগিয়ে রাখতে পারেন।

৩) মূত্রত্যাগ-

এই রোগের সময় মূত্রত্যাগ করাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যতবার পারবেন মূত্রত্যাগ করুন। বেগ না আসলেও বারবার চেষ্টা করুন। একটুখানি মূত্রত্যাগ করতে পারলেও আপনার শরীর থেকে কিছু ক্ষতিকারক ব্যাক্টেরিয়া বেরিয়ে যাবে।

৪) শসা-

মূত্রনালিতে সংক্রমণ কমাতে শসার জুড়ি মেলা ভার। এই ফলে প্রচুর পরিমাণে তরল থাকে যা শরীরে জলের চাহিদা মেটায়। আপনার খুব বেশি পানি খেতে ইচ্ছে না করলে প্রচুর পরিমাণে শসা খেতে পারেন।

৫) ক্র্যানবেরি জ্যুস-

ক্র্যানবেরি জ্যুসে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে। এটি নিয়মিত পান করলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। আর মূত্রনালিতে সংক্রমণের সময় পান করলে তাতে শরীরে জলের জোগানও বাড়ে, আবার দেহ ভিটামিনও পায়।

Read also:

ডেঙ্গু ও জিকা থেকে বাঁচাবে এই মশা

ডেঙ্গু ও জিকা ভাইরাসের মতো মারাত্মক সব রোগের বাহক মশা। আর এসব মশা মারার জন্য প্রচলিত যাবতীয় প্রচেষ্টা একরকম ব্যর্থ হয়েছে। কারণ মশা মেরে ফেললেও তা কিছুদিনের মধ্যেই দ্রুত বংশবৃদ্ধি করে আবার ফিরে আসে। তাই এবার গবেষকরা সেই মশারই সহায়তা নিলেন মশা মারার জন্য।

মারাত্মক ডেঙ্গু ও জিকা রোগবাহী সব মশা মারার জন্য গবেষণাগারে তৈরি করা হয়েছে বিশেষ ধরনের মশা। বিষয়টি অনেকটা কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলার মতোই। তবে এবার একেবারে আঁটঘাট বেধে নেমেছেন গবেষকরা। তারা বলছেন, মশা নিয়ন্ত্রণে মশাই ব্যবহার করতে হবে। আর এতেই নির্মূল করা যাবে সব মশাবাহিত রোগ।

সম্প্রতি সিঙ্গাপুরের এক দ্বীপে আনুষ্ঠানিকভাবে মশা বোঝাই বেশ কয়েকটা বাক্স নেওয়া হয়। সিঙ্গাপুরের ব্রাডেল হাইটসের অধিবাসীরা এগুলোর জন্য দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা করছিলেন। মশাগুলো তাই ছেড়ে দেওয়া হয় সেখানে।

মশাগুলো কাউকে কামড়ায় না। তারা ফুল-ফল থেকে মধু খায় আর এডিস মশা ধ্বংসের কাজ করে।
এর আগে চীনের গুয়াংজুর কারখানায় উৎপন্ন লাখো মশা সপ্তাহান্তে সাজি আইল্যান্ডে ছেড়ে দিয়ে সাফল্যও পেয়েছেন গবেষকরা।

গত কয়েক বছর ডেঙ্গুর প্রকোপে অনেক মানুষ মারা গিয়েছিল চীনে। তাই ডেঙ্গু রোগের বাহক এডিস মশা নিধনে বিশেষভাবে জীবাণুমুক্ত ও অনুৎপাদনশীল এই মশা তৈরির উদ্যোগ নেয় দেশটি।

পরীক্ষাগারে উৎপন্ন মশাগুলো এডিস মশার জন্ম নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম। এদের কারণে এডিসের ডিম আর ফুটবে না। তাই প্রকোপ কমবে ডেঙ্গুর। পরীক্ষাগারের পুরুষ মশাগুলো মানুষকে কামড়ায় না বলে স্বস্তিটা আরো বেশি।

এর আগে চীনের গুয়াংজু সায়েন্স সিটিতে গড়ে তোলা হয়েছে এ ধরনেরই একটি পরীক্ষাগার। সেখান থেকেও এমন মশা উৎপন্ন করে বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হচ্ছে। এ মশাগুলো সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে দেওয়া হলে মারাত্মক এডিস মশার বংশ একদিন পুরোপুরি ধ্বংস করা যাবে বলে মনে করছেন গবেষকরা।

Facebook Comments

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>