Published On: Tue, May 1st, 2018

আপনি কি যন্ত্রণাদায়ক পাইলসে ভুগছেন!!তবে সারিয়ে তুলুন এক নিমিষেই?? টিপসটি জেনে নিন…

আপনি কি যন্ত্রণাদায়ক পাইলসে ভুগছেন!!তবে সারিয়ে তুলুন এক নিমিষেই?? টিপসটি জেনে নিন…পাইলস বা হেমোরয়েড খুব পরিচিত একটি রোগ। প্রায় ঘরে এই রোগ হতে দেখা দেয়। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে ৭৫% মানুষ এই রোগে ভুগে থাকেন। বিশেষত ৪৫ থেকে ৬৫ বয়সী মানুষেরা এই রোগে বেশি ভুগে থাকেন। বর্তমান সময়ে সব বয়সী মানুষের এই রোগ হতে দেখা দেয়। মলদ্বারে যন্ত্রণা, রক্ত পড়া, মলদ্বার ফুলে যাওয়া, জ্বালাপোড়া ইত্যাদি পাইলসের সাধারণ সমস্যা। পারিবারিক ইতিহাস, কোষ্ঠকাঠিন্য, কম ফাইবারযুক্ত খাবার, স্থূলতা, শারীরিক কার্যকলাপ, গর্ভাবস্থায়, এবং দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে অথবা বসে থাকা ইত্যাদি কারণে পাইলস দেখা দেয়। সাধারণত ওষুধ, অপারেশন পাইলসের চিকিৎসা হয়ে থাকে। এর সাথে কিছু ঘরোয়া উপায় এই সমস্যা সমাধান করা যায়।

১। বরফ: ঘরোয়া উপায়ে পাইলস নিরাময় করার অন্যতম উপায় হল বরফ। এটি রক্তনালী রক্ত চলাচল সচল রাখে এবং ব্যথা দূর করে দেয়। একটি কাপড়ে কয়েক টুকরো বরফ পেঁচিয়ে ব্যথার স্থানে ১০ মিনিট রাখুন। এটি দিনে কয়েকবার করুন।

২। অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার:একটি তুলোর বলে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগিয়ে ব্যথার স্থানে লাগান। শুরুতে এটি জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করবে, কিছুক্ষণ পর এই জ্বালাপোড়া কমে যাবে। এটি দিনে কয়েকবার করুন। অভ্যন্তরীণ হেমোরয়েডের জন্য এক চা চামচ অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার এক গ্লাস পানিতে মিশিয়ে নিন। এটি দিনে দুইবার পান করুন। এরসাথে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে নিতে পারেন। bdonlinenews.com

৩। অ্যালোভেরাঃ বাহ্যিক হেমোরয়েডের জন্য অ্যালোভেরা জেল আক্রান্ত স্থানে ম্যাসাজ করে লাগান। এটি জ্বালাপোড়া দূর করে ব্যথা কমিয়ে দেবে। আভ্যন্তরীণ হেমোরয়েডের ক্ষেত্রে অ্যালোভেরা পাতার কাঁটার অংশ কেটে জেল অংশটুকু একটি প্ল্যাস্টিকের প্যাকেটে ভরে ফ্রিজে রেখে দিন। এবার এই ঠান্ডা অ্যালোভেরা জেলের টুকরো ক্ষত স্থানে লাগিয়ে রাখুন। এটি জ্বালাপোড়া, ব্যথা, চুলকানি দূর করে দেবে।

৪। অলিভ অয়েলঃ প্রতিদিন এক চা চামচ অলিভ অয়েল খান। এটি দেহের প্রদাহ হ্রাস করে এবং মোনোস্যাচুরেটেড চর্বি উন্নত করে থাকে। এছাড়া কিছু বরই পাতা গুঁড়ো করে অলিভ অয়েলের সাথে মিশিয়ে নিন। এটি আক্রান্ত স্থানে ম্যাসাজ করে লাগান। এটি ব্যথা কমাতে সাহায্য করবে।

৫। আদা এবং লেবুর রসঃ ডিহাইড্রেশন হেমোরয়েডের অন্যতম আরেকটি কারণ। আদাকুচি, লেবু এবং মধু মিশ্রিত জুস দিনে দুইবার পান করুন। এটি নিয়মিত পান করুন। এটি শরীর হাইড্রেটেড করে পাইলস দূর করে দেয়। এছাড়া দিনে ৮ থেকে ১০ গ্লাস পানি পান করুন।

Read also:

বছরের সবচেয়ে আশ্চর্য ঘটনা!

যিনি দেখছেন তিনিই তাজ্জব বনে যাচ্ছেন। সকলেরই একটাই জিজ্ঞাসা, ব্যাপারটা কী? এমনটাও হতে পারে! কিন্তু আছে যে তা তো চোখের সামনেই দেখা যাচ্ছে। অগত্যা বিশ্বাস না করে উপায় নেই।

বিস্মিত নেটিজেনরা বলছেন, সন্দেহ নেই, এটাই এখনও পর্যন্ত বছরের সবথেকে আশ্চর্য ঘটনা। এর থেকে অত্যাশ্চর্য আর কিছু হতে পারে না। আপনি কি এখনো ভাবছেন ব্যাপারটা কী? তাহলে একবার ছবিটির দিকে ফিরে তাকান। হ্যাঁ, সাধারণ একটি কমোডই।

এবার একটু খেয়াল করে দেখুন, তাতে লিপস্টিকের দাগ দেখতে পাচ্ছেন? যেমন-তেমন দাগ নয়। পরিষ্কার দুটি ঠোঁটের ছাপ। যেন কেউ কমোডে চুমু খেয়েছেন।

কিন্তু কমোডে চুমু? এরকম কেউ করতে পারেন? করা ছাড়ুন, ভাবতেও পারেন এরকম কাণ্ড ঘটানোর কথা! আপাতত সেই প্রশ্নেরই উত্তর খুঁজছে নেটদুনিয়া। এবং কোনো ব্যাখ্যা না পেয়ে সিদ্ধান্ত এই যে, চলতি বছরের এটাই সবথেকে আশ্চর্য ঘটনা।

ঠিক কোথায় এ ঘটনা ঘটেছে তা স্পষ্ট নয়। যিনি ছবিটি টুইটারের আপলোড করেছেন তিনি শিকাগোর বাসিন্দা। অনুমান করা যেতে পারে, সে দেশেরই কোনো টয়লেটে এই অভূতপূর্ব বিষয়টি খুঁজে পেয়েছেন ওই ব্যক্তি। টুইটারে তা পোস্ট করার সঙ্গে সঙ্গেই ভাইরাল হয়ে ওঠে। প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার বার রিটুইট হয়েছে টুইটটি। ১০,০০০ নেটিজেন ফেভরিট মার্ক করেছেন সেটিকে। ভাইরাল হওয়ার বহরে টুইটার মোমেন্টসেও উঠে এসেছে ঘটনাটি।

কী কারণে এমনটা হতে পারে, তা নিয়েই মেতে গিয়েছেন নেটিজেনরা। কমোডে তাও ওরকম জায়গায় কেউ নিজের ঠোঁট ছুঁইয়েছেন এ কথা কোনোভাবেই বিশ্বাস করা যায় না। এদিকে নানা মুনির নানা মত।

তবে সবথেকে গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যাটিও এসেছে। সেটা এরকম- কোনও মহিলা সম্ভবত লিপস্টিক ঠোঁটে দেওয়ার পর হাতের কাছে কোনো কাগজ না পেয়ে টয়লেট পেপারটিই ব্যবহার করেন। যাতে লিপস্টিক ঘেঁটে না যায়, সে কারণে টিস্যুর বদলে টয়লেট পেপারেই কাজ চালিয়েছিলেন। অথবা যে টিস্যুটি ব্যবহার করেছিলেন সেটি কমোডে ফেলে দেন। সেখান থেকেই এই দাগ চলে আসে।

Facebook Comments

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>