Published On: Wed, May 2nd, 2018

যোগ্য নেতা বলেই তারেক রহমানকে নির্বাচিত করেছি, এটাতে আপনাদের বলার কিছু নেই’

আমাদের নেতা আমরা নির্বাচিত করেছি। যোগ্য নেতা বলেই তারেক রহমানকে নির্বাচিত করেছি। আমাদের পার্টির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী চেয়ারপারসনের অনুপস্থিতিতে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান দায়িত্ব নেবেন। এটাতে আপনাদের বলার কিছু নেই।’

বুধবার বিকেলে তারেক রহমানকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এসব কথা বলেন। গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনের পরই জাতীয় প্রেসক্লাবে এক স্মরণসভায় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানান বিএনপির মহাসচিব।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘তাঁরা (সরকার) আজ আমাদের দল সম্পর্কে সমালোচনা করেছেন। বলছেন, এত বড় দল, এমন কেউ নেই যে, সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিকেই নেতা করতে হবে। উনি সাজাপ্রাপ্ত কোন মামলায়—যে মামলায় উনি খালাস পেয়েছিলেন। তাঁকে খালাস দেওয়ার অপরাধে ওই বিচারককে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে হয়েছে।’

ক্ষোভ প্রকাশ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আপনারা সমস্ত সাজাপ্রাপ্ত লোকদের মন্ত্রিত্বে বসিয়ে রেখেছেন। আপনাদের মামলাগুলো নিজেরা তুলে নিয়েছেন। একটাও মামলা রাখেননি। আপনাদেরটাও থাকুক, অন্যদেরটাও থাকুক, কোর্ট নিরপেক্ষ হোক। দেখা যাক কী হয়।’

মির্জা ফখরুল প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সূত্র ধরে বলেন, ‘ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে আলাপ করছেন তাকে দেশে ফিরিয়ে আনবেন। এই ভয়গুলো আমাদের দেখাচ্ছেন কেন? দেশে যদি ফিরে আসতে হয়, উনি আসবেন। যেদিন উনি জন্মগত নাগরিক হিসেবে দেশে ফিরে আসবেন, সেই দিন আপনারা দেখবেন তাঁর জনপ্রিয়তা কত এবং মানুষ তাঁকে কত ভালোবাসে। সেই দিন দেখবেন কোটি কোটি মানুষ তাঁকে বরণ করার জন্য বিমানবন্দরে গিয়ে হাজির হয়ে গেছে।’
বিএনপির মহাসচিবের দাবি, তারেক রহমানের বিরুদ্ধে যে মামলাগুলো করা হয়েছে, একটি মামলারও ভিত্তি নাই।
বিএনপির নেতা নাসিরউদ্দিন আহমেদ পিন্টুর তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় প্রেসক্লাবে স্মরণসভার আয়োজন করে ‘নাসিরউদ্দিন আহমেদ পিন্টু স্মৃতি সংসদ’। এতে সংগঠনের সভাপতি সাইদ হাসান মিন্টুর সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লা বুলু, সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, নাসিরউদ্দিন পিন্টুর স্ত্রী নাসিমা আখতার কল্পনা প্রমুখ।

Read also:

মেয়েটি শখের বশে নিজেকে ভিডিও করেছিল এবং তারপর ..

ঘটনা ১ : 

মেয়েটি শখের বশে নিজেকে ভিডিও করেছিল।

ফোন চাপতে গিয়ে তা দেখেছিল রুমমেট বান্ধবী। মজার এ ঘটনা বয়ফ্রেন্ডকে জানাতে দেরী করেনি বান্ধবী। গার্লফ্রেন্ডের লাজুক রুমমেটকে নগ্ন দেখার লোভ কী করে সামলায়?

নানা ছল-চাতুরিতে ওই ৩ মিনিটের ভিডিও ছেলেটি হস্তগত করে। নিজে দেখে শেয়ার করে বন্ধুদের মাঝেও। যার ভিডিও সে এসবের কিছুই জানে না। অবশ্য জানতে সময়ও লাগেনি। নানা হাত ঘুরে ভিডিওটি এসে পড়ে মেয়েটির এক ক্লাসমেটের হাতে। সে মেয়েটিকে ব্লাকমেইল করা শুরু করে।

এরপর? আত্মহত্যার চেষ্টা করে মেয়েটি!

ঘটনা ২ : 
মেয়েটির সঙ্গে এক বন্ধুর মাধ্যমে পরিচয় হয় কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছেলেটির। পরিচয়ের সূত্র ধরে প্রেম। ঘোরাঘুরি, ফোনে রাতভর আলাপ। বিনিময় হয় সবই। কিন্তু মাস ছয়েকের মধ্যেই তাল কেটে যায়।

‘মতের মিল নেই’- অভিযোগে সম্পর্ক ছিন্ন করতে চায় ছেলেটি। রঙিণ চশমার ফোকর গলে হঠাৎ অন্ধকার ঢুকে পড়ে জীবনে। সেই অন্ধকার আরো প্রকট হয় যখন স্কাইপের নগ্ন চ্যাটের ভিডিও ফাঁসের ভয় দেখিয়ে ছেলেটি তার বন্ধুদের সঙ্গেও মেয়েটিকে সম্পর্ক স্থাপনে চাপ দিতে থাকে!

ঘটনা ৩:
স্কলারশীপ নিয়ে বিশ্বভারতীতে পড়তে যায় মেয়েটি। দু-মাসের মধ্যেই কর্তৃপক্ষ তাকে বহিস্কারের সিদ্ধান্ত নেয়! ঘটনার সূত্রপাত ফেসবুকে। দেশে থাকতে মেয়েটির সঙ্গে প্রেম ছিল নিজ বিশ্ববিদ্যালয়েরই এক ছাত্রের। সম্পর্কটা টেকেনি। ক্ষিপ্ত ছেলেটি তাদের আপত্তিকর ছবি ও ভিডিওচ্যাটের দৃশ্য ই-মেইলে পাঠিয়ে দেয় শিক্ষকদের কাছে। ব্যাস, স্কলারশীপ বাতিল করে মেয়েটিকে বহিস্কারের সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ।

ঘটনা ৪:
কয়েক মাস আগে ঢাকা মেডিকেল কলেজের দুই শিক্ষার্থীর আট মিনিটের একটি অন্তরঙ্গ ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। স্ব-ইচ্ছায় নিজেদের একান্ত মূহুর্ত ক্যামেরাবন্দী করেছিলেন তারা। কী করে যেন সেই ভিডিও ভাইরাল হয়ে গেছে। হতে পারে তাদের মুঠোফোনটি হারিয়েছে, হতে পারে ছেলেটির কোন বন্ধু গর্হিত এ কাজটি করেছে আবার এমনও হতে পারে ছেলেটি নিজেই এতে জড়িত!

যাই ঘটুক, এই ঘটনায় ছেলে-মেয়ে দুটির মানসিক অবস্থা কতটা দুর্বিষহ হয়েছিল তা আমি কল্পনাও করতে পারি না। জানি না, আদৌ কোনদিন এই ট্রমা থেকে ওরা বেরিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পেরেছে কিনা! আমি শুধু জানি, নিজের যৌণদৃশ্য পৃথিবীর অন্য কোন মানুষ দেখুক তা কোন সুস্থ্য মানুষ চায় না।

কিন্তু ক্ষণিকের একটুখানি অসতর্কতা, একটুখানি কৌতুহল কিংবা নোংরা শখই শেষ করে দিতে পারে তিলে তিলে গড়ে তোলা ব্যক্তি ইমেজ, আত্মসম্মান, এমনকি বেঁচে থাকার সমুদয় ইচ্ছাশক্তিও।

প্রিয় বন্ধু, 
এমন ভয়াবহ কোন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হবার আগে সতর্ক হবার এখনই সময়। এক সময় প্রাণাধিক ভালোবাসা ছিল, না করতে পারেননি, আদান-প্রদান হয়েছে মন ছাড়াও বহু কিছু। একদিন হুট করে সম্পর্কটা ভেঙ্গে গেল! ব্যাস, মুহুর্তেই পাল্টে যাবে সব। প্রিয় মানুষটাই পরিণত হবে ভয়ংকর এক জানোয়ারে।

মনে রাখবেন, এমন কোন ছবি বা ভিডিও তুলবেন না, যা প্রিয় বন্ধুকেও দেখাতে পারবেন না।

ভালোবাসার দোহাই দিয়ে যদি নগ্ন হতে বলে, যদি এমন কোন ভিডিও করতে বলে যা আপনি মরে গেলেও অন্যকে দেখাতে চাইবেন না, তবে বুঝবেন আপনাকে নয়, মানুষটা ভালোবাসে আপনার অন্যকিছু!

মানুষকে অবিশ্বাস করা পাপ; তবে অন্ধ বিশ্বাস করা মহাপাপ!

Facebook Comments

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>