Published On: Thu, May 3rd, 2018

দুধ ও কলা একসাথে খেলে আপনার শরীরের কি উপকার করে জানেন? জানলে চমকে যাবেন

দুধ পান কিংবা কলা খাওয়ার উপকারিতা সবারই জানা আছে৷ কিন্তু যদি দুটোই একই সাথে খাওয়া হয় তবে কিন্তু উপকারিতা বা লাভ আরো বেড়ে যায় তা কি লক্ষ্য করেছেন? এটিকে দুধ-কলা ডায়েট বলা হয়৷ ১৯৩৪ সালে ডা: জর্জ হারোপ দুধ-কলা ডায়েট প্রোগ্রাম তৈরি করেছিলেন।

চলুন জানা যাক এর উপকারিতা:

ক্যালরি: এই খাবারটিতে প্রচুর ক্যালরি আছে৷ সাধারণত তিনটি কলা ও এক কাপ ফ্যাটমুক্ত দুধ খেতে হয়৷ কলা ও দুধ আগে পরেও খাওয়া যায়৷ এটি আপনার ত্বক মশৃণ করবে৷ তবে এর পাশাপাশি প্রচুর পানি পান করতে হয়৷এর দ্বারা আপনি দৈনিক এক হাজারের মত ক্যালরি পাবেন৷

প্রতিটি কলায় ১০০ ক্যালরি শক্তি থাকে৷ আর এক কাপ দুধে ৮০ থেকেও বেশি ক্যালরি থাকে৷ তাই দৈনিক তিনবার ৯০০ ক্যালরি পাওয়া যায়৷ এই ক্যালরি ওজন কমাতে সহায়ক৷

ত্বক ও দাঁতের যত্নে: কলা-দুধ ডায়েট ত্বক উজ্জ্বল ও মশৃণ করে৷ ব্রণের চিহ্ন দূর করে৷ দাঁত সাদা করতে এটি খুবই কার্যকরি৷ এটি আপনার সৌন্দর্য বাড়াতে সক্ষম৷

পুষ্টিতে ভরপুর কলা: কলায় প্রচুর ভিটামিন এ, বি, সি ও ই রয়েছে৷ এতে খনিজ, পটাশিয়াম, জিংক, আয়রন রয়েছে যা ত্বকের জন্য খুবই উপকারি৷

ফ্যাটমুক্ত দুধের গুণ: এতে চর্বির মাত্রা কম বা থাকেই না৷ তাই এটি কোলোস্টেরল কমাতে খুবই উত্তম আহার৷ ফ্যাটমুক্ত দুধে ফ্যাট বা চর্বি ছাড়া বাকি উপাদানগুলো যথাযথ পরিমাণে থাকে৷ দুধের প্রোটিন মাংসপেশী মজবুত করে৷

যখন দুধ-কলা একসাথে খাওয়া হয় তখন শরীর প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ভিটামিন, ফাইবার অথবা খনিজ পদার্থের যোগান হয়৷ এই ডায়েট প্রোগ্রামে কোন ফ্যাট থাকে না৷ এই খাবার একবার খেলে তিন চারদিনের শক্তির যোগান হয়ে যায়৷

সাবধানতা: ওজন কমানোর জন্য আপনি শুধু এই কলা-দুধ ডায়েটের উপর নির্ভর করতে পারেন৷ তবে এতে শরীরে ক্যালরির যোগান কিছুটা কম হওয়ায় দূর্বল লাগতে পারে৷ সেক্ষেত্রে দিনে দুইবার খেতে হবে৷ আর একবার অল্পকিছু স্বাভাবিক খাবার (ভাত ও অন্যান্য তরকারি) খেয়ে যান৷ মহিলাদের মাসিকের সময় এই প্রোগ্রাম পরিহার করতে হবে৷ কারণ এই প্রোগ্রামে আয়রনের ঘাটতি আছে৷

Read also:

মাত্র ২০ টাকার আদা দিয়ে গলিয়ে ফেলুন গল ব্লাডারের স্টোন

শরীরের নানা সমস্যার সমাধানে আদার উপকারিতা অপরিসীম। তবে আদা শুধু খেয়ে নয়, এর সেঁকও দারুণ কার্যকরী। নানা ব্যাধির উপশমে ম্যাজিকের মত কাজ করে এই আদার সেঁক। রক্ত সরবরাহের উন্নতি ঘটানোর পাশাপাশি পিঠে ব্যাথা, আর্থারাইটিস, পেশি ফুলে যাওয়া কমানো ও কিডনি/গল ব্লাডারে স্টোন এবং গর্ভাশয়ের সিস্ট ও ফাইব্রয়েড গলিয়ে ফেলতে বিশেষ উপকারী এই আদার সেঁক। গরম আদার জলে ভেজানো কাপড় দিয়ে আদার সেঁক দিতে হয়। কী করতে হবে?

যা যা লাগবে:
১) ১২০ গ্রাম তাজা আদা বা এক টেবল চামচ আদার পাউডার
২) জল
৩) একটি বড় পাত্র
৪) একটি টাওয়েল
৫) ২টো কাপড়
৬) একটি সুতির কাপড়ের ব্যাগ
৭) রবারের গ্লাভস কীভাবে তৈরি করবেন?

পদ্ধতিঃ
জলটা গরম করুন, তবে খেয়াল রাখবেন যেন সেটি ফুটে না যায়।

এ বার সুতির কাপড়ের ব্যাগটিতে আদাটা ভরে ব্যাগটি গরম জলে দিয়ে দিন। এভাবে ৩-৪ মিনিট সিমে রেখে গ্যাস বন্ধ করে দিন।

এ বার হাতে গ্লাভস পরে ব্যাগটি জল থেকে বের করে আনুন আর হাত দিয়ে চেপে চেপে রসটা বের করুন। আপনার আদার জল তৈরি।

কীভাবে সেঁক দেবেন?
এই চিকিত্‍‌সার জন্য আপনার সময় লাগবে ৩০ মিনিট। একটি টাওয়েল গরম আদার জলে চোবান।
এরপর সেটি তুলে চিপে নিয়ে শরীরের যে অংশ সমস্যা, তার উপর তোয়ালেটি রাখুন।
একইভাবে আর একটি তোয়ালেও ভিজিয়ে নিয়ে চিপে প্রথম তোয়ালের উপরে রাখুন। জলটি এই সময় ঢেকে রাখুন, যাতে সেটি ঠাণ্ডা না-হয়ে যায়।
এ বার একটি বড় তোয়ালে দিয়ে পুরোটা ঢেকে দিন। জলটি যেন খুব গরম না-থাকে, সেটি খেয়াল রাখবেন। তাহলে আপনার ত্বক পুড়ে যেতে পারে। আদা কমপ্রেস করুন ৩-৫ মিনিট।

এ ভাবে আরও কয়েকবার কমপ্রেস করুন। তোয়ালে পাল্টানোর সময় ত্বক যেন ঠাণ্ডা হয়ে না-যায়, সেদিকে খেয়াল রাখবেন। এভাবে টানা ২০-৩০ মিনিট সেঁক দিন।
ত্বক কিছুক্ষণের জন্য লাল হয়ে গেলেও তাতে ঘাবড়াবেন না। একদিন অন্তর এই সেঁক দিয়ে যান যতদিন না-পর্যন্ত পরিস্থিতির সামান্য উন্নতি হচ্ছে।
আপনার গর্ভাশয়ে সিস্ট থাকলে প্রতিদিন একবার করে আদার সেঁক দিন অন্তত ১৪ দিন।

Facebook Comments

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>