Published On: Thu, May 3rd, 2018

মরগানের সেরা আইপিএল টিমে রয়েছেন যারা

২০১০ সাল থেকে আইপিএল খেলেছেন ইংলিশদের ওয়ানডে দলপতি ইয়ন মরগান। ছয় মৌসুমে চারটি ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে খেলা বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান চলতি আইপিএলে কোন দল পাননি।

বেস প্রাইজ ২ কোটি টাকা মূল্যে তাকে দলে টানেনি কোন ফ্র্যাঞ্চাইজি। আর নিলামে অবিক্রিত থাকা এই ইংলিশ দলপতি চলতি বছরের আইপিএলে এখন পর্যন্ত ক্রিকেটারদের পারফর্মেন্স বিবেচনায় সেরা স্কোয়াড ঘোষণা করেছেন।

আর মরগানের ঘোষিত এই স্কোয়াডে হায়দ্রাবাদের দুই ক্রিকেটার থাকলেও নেই সাকিব আল হাসান। সাকিব না থাকলেও হায়দ্রাবাদের স্পিনার রশিদ খান এবং পেসার সিদ্ধার্থ কউলের জায়গা হয়েছে এই স্কোয়াডে।

স্কাই স্পোর্টসে আইপিএলের এক অনুষ্ঠানে এই স্কোয়াড ঘোষণা করেন তিনি। ইংলিশ দলপতির ধারণা এই স্কোয়াডে থাকা প্রত্যেক ক্রিকেটার ম্যাচের মোড় পাল্টে দেয়ার ক্ষমতা রাখেন।

যেখানে চেন্নাই সুপার কিংসের তিনজন, মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের তিনজন, দিল্লী ডেয়ার ডেভিলসের দুইজন, সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের দুইজন, কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের দুইজন, কলকাতা নাইট রাইডার্সের দুইজন, রাজস্থান রয়্যালসের একজন এবং রয়্যাল চেলেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর দুইজন করে ক্রিকেটার জায়গা পেয়েছেন।

মরগানের স্কোয়াডে দলটির নেতৃত্বে থাকবেন চেন্নাই সুপার কিংসের অধিনায়ক এবং উইকেট রক্ষক মহেন্দ্র সিং ধোনি। আর সহঅধিনায়ক হিসেবে তিনি দায়িত্ব দিয়েছেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর অধিনায়ক ভিরাট কোহলিকে।

ইয়ন মরগানের আইপিএল স্কোয়াডঃ আম্বাথি রাইডু, সূর্য কুমার জাদভ, শ্রেয়াস আইয়ার, ভিরাট কোহলি, এবি ডি ভিলিয়ার্স, রিশাভ পান্ট, লোকেশ রাহুল, শেন ওয়াটসন, মহেন্দ্র সিং ধোনি, আন্দ্রে রাসেল, সুনিল নারাইন, হার্দিক পান্ডেয়া, রশিদ খান, অ্যান্ড্রু টাই, সিদ্ধার্থ কউল, জাস্প্রিত বুমরাহ, ট্রেন্ট বোল্ট, জোফরা আর্চার।

Read also:

যে ১০ লক্ষণ দেখে বুঝবেন আপনার হার্টের সমস্যা আছে

শরীরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ আমাদের হৃদযন্ত্র। যতদিন হৃদপিণ্ড সচল আছে ততদিন আমরাও সুস্থ আছি। কিন্তু হৃদযন্ত্রের সমস্যা হলেই বিপদ। তাই সমসময় চেষ্টা করুন হৃদপিন্ডকে সুস্থ ও স্বাভাবিক রাখতে। আজকালকার দিনে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়া বা হৃৎযন্ত্রের সমস্যা আগের চেয়ে অনেক বেড়ে গিয়েছে।

তার কারণ যেমন জীবনধারা, দুশ্চিন্তা, উত্তেজনা তেমনই হৃদযন্ত্রের সমস্যার লক্ষণগুলি এড়িয়ে যাওয়া। বিভিন্ন সমীক্ষায় ধরা পড়েছে পুরুষদের তুলনায় মহিলাদের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের প্রবণতা এবং হৃদরোগের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। মহিলাদের তাই বেশি করে নিজেদের শরীরের যত্ন নেওয়া উচিত। তাহলে আসুন ঝটপট দেখে নিই কোন কোন লক্ষণগুলি দেখলে আপনি বুঝবেন আপনার হৃদযন্ত্র সমস্যায় রয়েছে।

ক্লান্তি : খুব একটা খাটুনি না গেলেও আপনি কী ক্লান্তি অনুভব করেন? যদি দিনের বেশিরভাগ সময়ে নিজেকে ক্লান্ত বলে মনে হয় তাহলে বুঝবেন আপনার হৃদযন্ত্রের সমস্যা হচ্ছে। তাই যদি অযথাই ক্লান্ত বোধ করেন সময় নষ্ট না করে চিকিতসকের পরামর্শ নিন।

হাত-পা ফুলে যাওয়া : পা বা হাত মাঝে মধ্যেই ফুলে যাচ্ছে? এটাও কিন্তু হৃদপিণ্ডের সমস্যার একটা লক্ষণ। হৃদপিন্ডের সাহায্যে স্বাভাবিক রক্তচালনায় বাধা পায় তাহলে তা ধমণীর মধ্যে জমতে থাকে এবং শরীরকে ফুলিয়ে দেয়। আবার যদি রক্ত চলাচল স্বাভাবিক হয় তাহলে ফোলা ভাবটা কমে যায়।

বুকে ব্যাথা : হৃদযন্ত্রের সমস্যার সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে বুকের বাঁদিকে মাঝে মাঝেই ব্যথা হওয়া। অনেকে আছেন বুকে ব্যথা হলে গ্যাস অম্বলের থেকে এই ব্যথা হয়েছে বলে বিষয়টা অদেখা করে দেন। ফলে সমস্য়া আরও বাড়ে। বারবার এভাবে বুকে ব্যথা হলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন, এবং ইসিজি করিয়ে দেখে নিন হৃদযন্ত্রের কোনও সমস্যা নেই তো।

শ্বাসকষ্ট : শ্বাসকষ্ট হচ্ছে হার্টের সমস্যার আর একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ যা অনেকসময়ই মহিলারা এড়িয়ে যান। এর কারণ হতে পারে হৃদযন্ত্র সঠিকভাবে কাজ করছে না ফলে শরীরে অক্সিজেনের অভাব হচ্ছে শরীরে। তাই সময় নষ্ট না করে আজই চিকিতসকের পরামর্শ নিন।

তন্দ্রাচ্ছন্ন ভাব : ভালমতো ঘুম হওয়া সত্ত্বেও কোনও কারণ ছাড়াই আপনার যদি সারাক্ষণ ঘুম ঘুম পায় তাহলে বুঝবেন হৃদযন্ত্রে সমস্যা হচ্ছে। ডাক্তারের ক্লিনিক যাওয়ার আপনার সময় এসে গিয়েছে।

হজমের সমস্যা : হার্টের একাধিক সমস্যা থাকলে হজমের সমস্যা দেখা যায়। হাজারো টোটকা, বা ওযুধেও যদি সমস্যা না কমে তাহলে বুঝবেন হৃদপিণ্ড স্বাভাবিক রক্তচলাচলে বাধা দিচ্ছে, আর তাই হজমের সমস্যা হচ্ছে।

বেশিক্ষণ হাঁটতে না পারা : ৫ মিনিট হাঁটলেই কী আপনি ক্লান্ত হয়ে যান? শারীরিক কোনও কসরত করতে গেলেই মনে হয় এনার্জি শেষ? পায়ের শিরায় টান ধরে? এই সব লক্ষণই কিন্তু হৃদযন্ত্রের সমস্যার দিকে ইশারা করছে।

অনিয়মিত হৃদস্পন্দন : অনিয়মিত হৃদস্পন্দন হতে পারে হৃদপিণ্ডের সমস্যা থেকে। সময় থাকতেই চিকিতসকের পরামর্শ নিন ও চিকিতসা শুরু করান।

অতিরিক্ত ঘাম : যদি পাখার তলায় বসে থাকা সত্ত্বেও ঘামে ভিজে যান তাহলে বুঝবেন হৃদযন্ত্রে নজর দেওয়ার সময় এসেছে। অতিরিক্ত ঘাম হলে শরীর থেকে নুন ও জল বেরিয়ে যেতে থাকে, ফলে ক্লান্তি ও শরীর ডিহাইড্রেট হয়ে যায়।

Facebook Comments

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>