Published On: Thu, May 3rd, 2018

আপনি অবাক হয়ে যাবেন,শুধু মাএ এক বার খান””আর দেখুন। দই-ভাতের ৫টি স্বাস্থ্য উপকারিতা ।

যখন কেউ পেটের সমস্যায় ভোগেন তখন তাকে এক বাটি দই খাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়। এসিডিটির সমস্যায় ভুগছেন? তাহলে দই খান। জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন? তাহলেও পেট ভরে দই খেতে বলা হয়। এসিডিটি, ডায়রিয়া বা জ্বরের জন্যই শুধু ঘরোয়া প্রতিকার হিসেবে কাজ করে দই-ভাত। শুধু তাই নয়, আরো অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতাও আছে এর। দই-ভাতের স্বাস্থ্য উপকারিতার কথাই জেনে নেব আজ।

১। ওজন কমায়:-

হ্যাঁ দই-ভাত ওজন কমতেও সাহায্য করে। ওজন কমানোর জন্য তিন বেলাই দই-ভাত খেতে হবে এমন নয়। তবে আপনার ডায়েট প্ল্যানে দই-ভাত অন্তর্ভুক্ত করুন। ভেজিটেবল ফ্রায়েড রাইসের তুলনায় দই-ভাতের ক্যালরি কম থাকে। একবাটি দই-ভাত খেলে পেট ভরে যায় এবং ক্ষুধা কম লাগে।

২। কোষ্ঠকাঠিন্য:-

দই ভালো ব্যাকটেরিয়ায় পরিপূর্ণ। অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিতে সাহায্য করে দই। এতে প্রচুর পানি থাকে বলে মল নরম করার মাধ্যমে মল বাহির হয়ে যেতে সাহায্য করে। এছাড়াও কোষ্ঠকাঠিন্যের ফলে পেটে যে ব্যথা হয় তা কমতে সাহায্য করে দই-ভাত।

৩। জ্বরে:-

জ্বরের ফলে কিছু খেতে ইচ্ছে করছেনা আপনার? তাহলে সামান্য দই-ভাত খেয়ে নিন। এতে আপনার পেট ভরার অনুভূতি পাবেন এবং ইনফেকশনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার এনার্জিও পাবেন। দইয়ে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাকে উদ্দীপিত করার উপাদান থাকে বলে জ্বরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে সাহায্য করে। এছাড়াও জ্বরের জন্য যে ঔষধ ও এন্টিবায়োটিক সেবন করা হয় তার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে দই-ভাত।

৪। পেটের সমস্যায়:-

পেটের সমস্যা যেমন- এসিডিটি বা বদহজম হলে নিয়মিত খাবারের বদলে একবাটি দই-ভাত খাওয়াই সবচেয়ে ভালো প্রতিকার। এছাড়াও এটি পুষ্টি উপাদান শোষণে এবং পরিপাকে সাহায্য করে।

৫। স্ট্রেস কমায়:-

নিয়মিত দই-ভাত খেলে শুধু পাকস্থলীর স্বাস্থ্যের উন্নতিই ঘটায় না বরং স্ট্রেস কমতেও সাহায্য করে। দইয়ে প্রোবায়োটিক ব্যাকটেরিয়া, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভালো ফ্যাট থাকে। ব্যথা ও আবেগ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে মেজাজের উন্নতি ঘটায় দই-ভাত।

Read also:

যা খেয়ে মাত্র ১১ দিনেই ডায়াবেটিস নির্মূল হবে, সারা বিশ্বে আলোড়ন

ডায়াবেটিস সম্পূর্ণ নির্মূল করা যায়, কথাটি শুনলে যে কারোই ভড়কে যাবার কথা, কারণ ডায়াবেটিস একবার দেহে বাসা বাধলে তা কখনোই পরিপূর্ণ ভাবে সারে না, তবে পরিমিত পরিমান খাবার গ্রহন করে তা নিয়ন্ত্রনে রেখে দীর্ঘদিন সুস্হ থাকা সম্ভব, কিন্তু বৃটেনের বিজ্ঞানী রিচার্ড ডটির দাবী মাত্র ১১ দিনের মধ্যেই ডায়াবেটিস সম্পূর্ণ মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

বৃটেনের রিচার্ড ডটি (৫৯) নামের এক ব্যক্তি বেশ অল্প ক্যালোরিসম্পন্ন খাবার খেয়ে ১১ দিনেই

ডায়াবেটিস থেকে মুক্তি পেয়েছেন। তিনি কি খাবার খেয়ে এটা করতে পেরেছেন তার একটি চার্ট প্রকাশ করেছেন। যা যা খেতেন, তার তালিকা একেবারেই ছোট। ডায়াবেটিস এমন একটি রোগ যা কখনও সম্পূর্ণ নির্মূল হয় না। এমন প্রচলিত ধারণাকে পাল্টে দিয়েছেন রিচার্ড। মানুষ শরীর থেকে অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে বিভিন্ন ডায়েট পরিকল্পনা করে। কিন্তু তিনি প্রায় অভুক্ত থাকার ডায়েটেই নিরোগ শরীর পেলেন। রিচার্ড লম্বায় ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি, তার ওজন ৬৭ কেজি।
================================
দ্রুত লম্বা হতে সাহায্য করে যে সবজিগুলি !!
=========================================
নিজেকে বেটে খাটো দেখতে কার ভালো লাগে? নারী-পুরুষ সবাই চান স্বাভাবিক লম্বা হতে। মুখশ্রী যতোই সুন্দর হোক না কেন, লম্বা না হলে যেন তা মানানসই নয় কারো কাছে। সাজ-পোশাকেও যেন সৌন্দর্যের ঘাটতি থেকে যায়। এমনকি ব্যক্তিত্ব প্রকাশে ও অবস্থান শক্ত করতেও লম্বা হওয়া প্রয়োজন। অনেকে বংশগত ভাবেই অনেক লম্বা, আবার কেউ খাটো। যারা খাটো হন তাদের মনে থেকে যায় চাপা ক্ষোভ। কিন্তু এই সমস্যার রয়েছে দারুণ সমাধান। আপনার সন্তানের সঠিক উচ্চতা পেতে নিয়মিত খাওয়াতে পারেন এই পাঁচ খাবার।

ব্রোকলি
ব্রোকলি হলো ফুলকপি গোত্রের একটি সবুজ রঙের সবজি। ব্রোকলি খুবই পুষ্টিকর। ব্রোকলিতে ভিটামিন সি, বিভিন্ন রকম ফাইবার ও আয়রন আছে। এছাড়াও এতে প্রচুর পরিমানে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে। ব্রোকলি গ্রোথ হরমোনের কার্যক্ষমতা বাড়ায় এবং উচ্চতা বাড়াতে সহায়তা করে।

ঢেঁড়স
লালাযুক্ত এই সবজিটি অনেকেরই প্রিয় খাবার। আবার কারো কারো অপছন্দেরও সবজি। কিন্তু ঢেঁড়সে আছে ভিটামিন, মিনারেল, কার্বোহাইড্রেট, পানি ও ফাইবার। এই উপাদানগুলো গ্রোথ হরমোনের কার্যক্ষমতা সক্রিয় রেখে উচ্চতা বাড়াতে সহায়তা করে।

পালং শাক
পালং শাক পৃথিবীর সবচাইতে বেশি পুষ্টিকর শাকের মধ্যে একটি। পালং শাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, ফাইবার ও মিনারেল আছে। ফলে পালং শাকও আপনাকে লম্বা হতে সাহায্য করবে দারুণভাবে।

বাঁধাকপি
বাঁধাকপিতে আছে ক্যানসার প্রতিরোধী অ্যান্টি অক্সিডেন্ট নামক উপাদান। এছাড়াও বাঁধাকপিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, আয়রন, প্রোটিন ও ফাইবার আছে। এই উপাদান গুলো সম্মিলিত ভাবে শরীরের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে সহায়তা করে এবং গ্রোথ হরমোনের কার্যকারিতা বাড়ায়।

মটরশুঁটি
শীতকালীন এই সবজিটি খেতে অত্যন্ত সুস্বাদু ও সবার কাছে বেশ প্রিয়। বড় ছোট সবাই খুব পছন্দ করে মটরশুঁটি খেয়ে থাকেন। মটরশুঁটিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, ফাইবার, লুটেইন ও প্রোটিন আছে। এসব উপাদান শরীরের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে এবং উচ্চতা বাড়াতে সহায়ক।
====================================
যে সবজির খোসা ছাড়ানো উচিত নয়..

যে সবজির খোসা ছাড়ানো উচিত নয়..
রান্না করার সময় সবজির খোসা ছাড়িয়ে নেয়া হয়। কিন্তু যদি বলা হয় খোসা না ছাড়িয়েই রান্না করবেন তবে নিশ্চয়ই অবাক হবেন। তাই তো। তবে বিজ্ঞানীরা বলছেন, সবজি অথবা ফলের খোসা ছাড়িয়ে খেলে এর পুষ্টিগুণ কমে যায়।

এমন কিছু সবজি ও ফল আছে যার খোসা ছাড়িয়ে খাওয়া উচিত নয়। জেনে নেয়া যাক কোন কোন সবজির খোসা ছাড়িয়ে খাওয়া উচিত নয়।

আলু: রান্নার সময় আলুর খোসা ছাড়িয়ে নেওয়া হয়। তবে এটা মোটেই কাজের কথা নয়।আলুর মধ্যে যে ভিটামিন ‘বি’ বা মিনারেল আছে তার ২০ শতাংশই থাকে খোসার মধ্যে। এমনকি সমস্ত ফাইবারও থাকে আলুর খোসার মধ্যেই। ফলে খোসা ছাড়ালে আলুর পুষ্টিগুণ অনেকটাই কমে যায়।

বেগুন: ভর্তা করার সময় বেগুনের খোসা ফেলে দেয়া হয়। বেগুনের খোসাতে নাসুনিন নামের একটি ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট রয়েছে। সেল ড্যামেজ রুখতে এবং বিভিন্ন বয়সজনিত অসুখবিসুখে এটি খুবই কার্যকর। ফলে বেগুনের খোসা ছাড়িয়ে খেলে তা কিন্তু অ্যান্টি-এজিংয়ের বিরুদ্ধে লড়াইতে আপনাকে অনেকটাই পিছিয়ে দেয়।

মিষ্টি আলু: মিষ্টি আলুর খোসায় রয়েছে ভিটামিন সি, বেটাক্যারোটিন ও পটাশিয়াম। ফলে তাছাড়িয়ে খেলে এই উপাদানগুলো কিন্তু বাদ পড়ছে আপনার ডায়েট থেকে।

শশা: শশার খোসায় প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও ফাইবার রয়েছে। ফলে ইমিউনিটি বা কোষ্ঠকাঠিন্যতে খুবই কাজে দেয় শশা। কিন্তু বেশির ভাগ সময় স্যালাদ তৈরির সময় শশার খোসা ফেলে দেয়া হয়।

গাজর: শশার মতো গাজরেও সমস্ত অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে এর খোসাতে। কিন্তু খোসা ছাড়ানো গাজর খেলে তার পুষ্টিগুণ ব্যাহত হয়। খোসা না ছাড়িয়ে ভালো করেধুয়ে গাজর খাওয়া উচিত।

আপেল: হজমের গোলমাল হয় বলে অনেকেই আপেলের খোসা ছাড়িয়ে খান। আপেলের খোসায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার। খোসা ছাড়ালে তা বের হয়ে যায়। আপেলের খোসার মধ্যে ভিটামিন সি-সহ ট্রিটারপেনয়েডস রয়েছে, যা ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে উপযোগী|

Facebook Comments

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>