Published On: Sat, May 5th, 2018

হলুদ মিশিয়ে এক গ্লাস দুধ পান করুন, এবং ফলাফল নিজের চোখেই দেখুন !

এক গ্লাস দুধে হলুদ মিশিয়ে খেলে, তা আমাদের শরীরের জন্য কতটা উপকারী জানেন? দুধ এবং হলুদ, এই দুয়ের মিশ্রণ আমাদের শরীরের অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ করে। যা আমাদের শরীরেকে বিভিন্ন ইনফেকশন এবং রোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। জেনে নিন এই হলুদ দুধের আরও পাঁচ উপকার-

১. অ্যান্টিসেপটিক এবং অ্যাসট্রিনজেন্ট উপাদান থাকার কারণে হলুদ দুধ ঠাণ্ডা লাগা, সর্দি, কাশির হাত থেকে আমাদের রক্ষা করে। তাই দেখে থাকবেন, বর্ষাকালে কিংবা বৃষ্টিতে ভিজে আসলে, মা-ঠাকুমারা হলুদ দুধ খেতে বলে থাকেন।

২. আর্থারাইটিস নির্মূল করতেও খুবই উপকার করে হলুদ দুধ। গাঁটে ব্যথা কমিয়ে গাঁট এবং পেশিকে সচল রাখতে সাহায্য করে।

৩. প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস থাকার কারণে হলুদ দুধ যেকোনো ব্যথা, যন্ত্রণার হাত থেকে আমাদের মুক্তি দেয়

৪. রক্ত পরিশুদ্ধ করে লিভারের কাজ সচল রাখে হলুদ দুধ।

৫. হজমের জন্য খুবই উপকারী হলুদ দুধ। এটি আলসার, ডায়রিয়া, হজমের গোলমালের সমস্যা দূর করে। শক্তিশালী অ্যান্টিসেপটিক হিসেবেও কাজ করে।

স্তন ক্যান্সার কি? কীভাবে বুঝবেন স্তন ক্যান্সার হয়েছে..

ব্রেস্ট ক্যানসার আমেরিকাতে একটি ভীষণ পরিচিত রোগ, যা প্রায় প্রতি ১০জন মহিলার মধ্যে গড়ে একজনের হয়েই থাকে।

তাই ২০১৭ সালের অক্টোবার মাসে কপারফিল নামক একটি প্রজেক্টের মধ্যে তৈরি হওয়া একটি বিজ্ঞাপনের মাধম্যে একটি বিশেষ বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। বলা হয়েছিল প্রতিদিন পোশাক পরার সময় নিজেই নিজের স্তণ পরীক্ষা করুন। আর তাতে কোনওরকম অস্বাভাবিকতা বা ব্যথা দেখা দিলে তৎক্ষণাৎ ডাক্তারের সঙ্গে পরার্মশ করুন।

এভাবেই যুক্তরাষ্ট্রে কপারফিল নামক প্রজেক্টের মাধ্যমে ব্রেস্ট ক্যানসার সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা এখনও চলছে যাতে আগামিদিনে কমে আসে ব্রেস্ট ক্যান্সারের মতো রোগের হার।

কিন্তু জানেন কি, কীভাবে আপনার শরীরে ব্রেস্ট ক্যানসারের মতো রোগের জন্ম হয়? এই রোগ আমাদের শরীরে থাকা বিআরসিএ বা ব্র্যাকা নামক জিনের ক্রুটি থেকেই শুরু হয়। আমাদের শরীরে মূলত বিআরসিএ বা ব্র্যাকা নামের দুটি জিন থাকে, তার মধ্যে যে কোনও একটি জিনে কোনওরকম ত্রুটি তৈরি হলে সেটা সরাসরি আমাদের শরীরে থাকা ডিএনএ গুলির উপর প্রভাব বিস্তার করতে শুরু করে। যার ফলে সেখান থেকেই জন্ম নেয় ক্যানসারের জীবাণু। আর সেই জীবাণু যখন ধীরে ধীরে আমাদের শরীরের বিভিন্ন কোশে ছড়িয়ে পড়ে তখনই কেউ ক্যানসার দ্বারা আক্রান্ত হয়।

তাই আপনিও আজ থেকে প্রতিদিন পোশাক পরার সময় নিজেই নিজের স্তণ পরীক্ষা করুন। আর তাতে কোনওরকম অস্বাভাবিকতা বা ব্যথা দেখা দিলে তৎক্ষণাৎ ডাক্তারের সঙ্গে পরার্মশ করুন। যদিও অনেক ডাক্তারাই মনে করেন বেশিরভাগ অল্পবয়সি মেয়েরাই তাঁদের স্তনে কোনওরকম অস্বাভাবিকতা বা ব্যথা দেখা দিলে ডাক্তারের কাছে যান না। কারণ তারা মনে করেন এতে হয়তো তাদের স্তন কেটে ফেলার মতো ঝুঁকি নিতে হতে পারে।

এই বিষয়ে নজির গড়েছেন হলিউড অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলি। তিনি নিজে পরীক্ষা করে যখন দেখেছিলেন তাঁর ব্রেস্ট ক্যানসারে হওয়ার ৮৭% সম্ভাবনা রয়েছে। তখন তিনি নিজেই নিজের স্তন কেটে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

এছাড়া জানিয়ে রাখা ভাল স্তন ক্যানসার ছাড়াও ত্রুটিপূর্ণ বিআরসি-এর কারণে ওভারিয়ান ও প্রোস্টেট ক্যানসারও হতে পারে। তাই আপনিও আজই সাবধান হোন আর শরীরে কোনওরকম অস্বাভাবিকতা দেখা দিলে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে সবরকম পরীক্ষা করে সতর্ক হয়ে যান।

এস্পানিওলের মাঠে হোঁচট খেল মেসির বার্সেলোনা
এস্পানিওলের মাঠে জেরার্দ পিকের গোলে ১ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছেড়েছে বার্সেলোনা। রোববার রাতে নগর প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে ১-১ ড্র করে শীর্ষে থাকা বার্সা।

২২ ম্যাচে ১৮ জয় ও চার ড্রয়ে বার্সেলোনার পয়েন্ট হলো ৫৮। আজ লিওনেল মেসিকে বেঞ্চে রেখে খেলতে নামা বার্সেলোনা ২২তম মিনিটে এগিয়ে যেতে পারতো। তবে ডি-বক্সের বাইরে থেকে ফিলিপে কৌতিনিয়োর বিদ্যুৎ গতির শট ক্রসবারে লাগলে সে যাত্রায় বেঁচে যায় এস্পানিওল। বিরতির আগে দুদলের কেউই আর তেমন কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। বৃষ্টির প্রকোপ বাড়লে দ্বিতীয়ার্ধে স্বাভাবিক খেলায় বিঘ্ন ঘটে।

মাঝমাঠ ও আক্রমণভাগে শক্তি বাড়াতে ৫৯তম মিনিটে পাকো আলকাসেরকে বসিয়ে মেসিকে এবং ডিফেন্ডার নেলসন সেমেদোর জায়গায় মিডফিল্ডার সের্হিও রবের্তোকে মাঠে নামান ভালভেরদে।

এর কিছুক্ষণ পরই উল্টো গোল খেয়ে বসে বার্সেলোনা। ৮২তম মিনিটে সমতায় ফেরে অতিথিরা। বাঁ-দিক থেকে মেসির ফ্রি-কিকে হেডে লক্ষভেদ করেন স্প্যানিশ ডিফেন্ডার পিকে।

==============================

মাত্র এক গ্লাসেই উধাও পাকা চুল !! জেনে নিন যাদুকরী পদ্ধতি

অল্প বয়সে চুল পেকে যাওয়া খুবই কমন একটি ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে একেকজন মরিয়া হয়ে ওঠেন। কেউ চুলে মেহেদী দিচ্ছেন, কেউ বাজার থেকে কৃত্রিম রং এনে তা চুলে মাখছেন। খাবারের ভেজাল আর পরিবেশ দূষণের কুফলই কম বয়সে চুল পাকার একটি অন্যতম কারণ। একটি মিশ্রণ খেয়েই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। জেনে নিন কিভাবে তৈরি করবেন সেই ম্যাজিক মিশ্রণ।

যা যা লাগবে:

– ১০০ গ্রাম তিসির তেল

– ২টি মাঝারি মাপের পাতিলেবু

– ২ কোয়া ছোট রসুন

– ৫০০ গ্রাম মধু

যেভাবে তৈরি করবেন:

একটি লেবু খোসা ছাড়ানো অার অন্যটি ছোট ছোট টুকরো হবে। এবার রসুন ও লেবু পেস্ট করে নিন। পেস্ট করার সময় কোনভাবেই পানি মেশাবেন না। এখন এই মিশ্রণের সাথে তিসির তেল এবং মধু দিয়ে আবার ভালো করে মেশান। মিশ্রণটি একটি পরিষ্কার এয়ার টাইট কাঁচের বোতলে ভরে ফ্রিজে রেখে দিন। একদিন পরে বের করে ব্যবহার করুন।

রোজ খাওয়ার আধ ঘণ্টা আগে দিনে তিন বার এক চামচ করে খান। এজন্য কাঠের চামচ ব্যবহার করবেন। ২ সপ্তাহের মধ্যেই তফাতটা ধরতে পারবেন।

মিশ্রণটি নিয়মিত খেলে পাকা চুল কালো হয়ে উঠবে। শুধু তাই নয়, মিশ্রণটি খেলে দৃষ্টিশক্তি প্রখর হবে, চুল পড়ার সমস্যা দূর হবে এবং নতুন চুল গজাবে। এছাড়া ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াবে এবং কুঁচকানো চামড়া টানটান করবে।

সকালে যে ২টি খাবার খেলে শরীরে পাওয়ার বাড়ায় বহুগুণ ?? জেনে নিন এখনই..!

সকালে যে ২টি খাবার খেলে শরীরে পাওয়ার বাড়ায় বহুগুণ ?? জেনে নিন এখনই..!
শরীরের বিভিন্ন পুষ্টি পূরণে আমরা প্রতিদিনই অনেক ধরনের খাবার খেয়ে থাকি কিন্তু সবাই জানি কি কোন ধরনের খাবার আমাদের সেক্স বাড়াতে সক্ষম? সাধারণত খাবারে ভিটামিন এবং মিনারেলের ভারসাম্য ঠিক থাকলে শরীরে এন্ড্রোক্রাইন সিস্টেম সক্রিয় থাকে।
আর তা আপনার শরীরে এস্ট্রোজেন এবং টেস্টোস্টেরনের তৈরি হওয়া নিয়ন্ত্রণ করে। এস্ট্রোজেন এবং টেস্টোস্টেরন সেক্সের ইচ্ছা এবং পারফরমেন্সের জন্য জরুরি। আপনি যৌন মিলনের মুডে আছেন কিনা তা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করে আপনার খাদ্য। আসুন জেনে নিই এমন কয়েকটি দৈনন্দিন খাদ্য সম্পর্কে যা আপনার শরীরে সেক্স পাওয়ার বাড়ায় বহুগুণ।

জেনে নিন:
দুধ :বেশি পরিমাণ প্রাণিজ-ফ্যাট আছে এ ধরনের প্রাকৃতিক খাদ্য আপনার যৌনজীবনের উন্নতি ঘটায়। যেমন, খাঁটি দুধ, দুধের সর, মাখন ইত্যাদি। বেশিরভাগ মানুষই ফ্যাট জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে চায়। কিন্তু আপনি যদি শরীরে সেক্স হরমোন তৈরি হওয়ার পরিমাণ বাড়াতে চান তাহলে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট জাতীয় খাবারের দরকার। তবে সগুলিকে হতে হবে প্রাকৃতিক এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট।
ঝিনুক :আপনার যৌনজীবন আনন্দময় করে তুলতে ঝিনুক খাদ্য হিসেবে খুবই কার্যকরী। ঝিনুকে খুব বেশি পরিমাণে জিঙ্ক থাকে। জিঙ্ক শুক্রাণুর সংখ্যা বৃদ্ধি করে এবং লিবিডো বা যৌন-ইচ্ছা বাড়া

রোদ পোহালেই দুর হবে যৌনসমস্যা ! পড়ুন তাহলে

পৃথিবীতে যে রোগের ওষুধ হিসেবে মাটির বড়ি বানিয়ে বিক্রি করলেও ক্রেতার অভাব হয় না, সেটা হলো যৌনঅক্ষমতা। এর জন্য টাকা খরচ করতে পিছুপা হয় না কেউ। কিন্তু রোদ পোহালেই বাড়তে পারে পুরুষের কামশক্তি। গবেষকরা তো তাই বলছেন। অস্ট্রিয়ার গ্রাজ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা জানিয়েছেন, পুরুষের রক্তে যৌন হরমোন টেস্টোস্টেরন ভিটামিন ডি-র মাধ্যমে বৃদ্ধি পায়৷ আর ভিটামিন ডি-র প্রধান উৎস হল সূর্যালোক৷ ত্বকে সূর্যালোকের প্রভাবে রক্তে ভিটামিন ডি এর মাত্রা বৃদ্ধি পায়৷ এছাড়াও ভিটামিন ডি এর প্রধান উৎস হল মাছ এবং মাংস৷ গবেষকেরা জানিয়েছেন, রক্তে প্রতি মিলিলিটারে ভিটামিন ডি-র পরিমাণ যত বেশি হবে পুরুষের যৌন ক্ষমতা তত বাড়বে৷

গবেষণায় দেখা গেছে, সূর্যালোকের সাহায্যে পুরুষের রক্তে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা প্রায় ৬৯ শতাংশ বৃদ্ধি পায়৷ পুরুষের যৌনতার ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি হরমোন৷ এই হরমোনটিই যৌনতার চরিত্র, শুক্রাণু উৎপাদন ও পুরুষের যৌন চাহিদাকে নিয়ন্ত্রণ করে৷ তবে গায়ে রোদ লাগানোর ক্ষেত্রে বরাবরের মতোই সকালের মিষ্টি রোদকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কারণ, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্য্যের আলোতে বাড়তে থাকে অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাব। এটা ত্বকের ক্যান্সার সৃষ্টিসহ নানা শারীরিক সমস্যার জন্ম দেয়।

Facebook Comments

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>