Published On: Sat, May 5th, 2018

নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ৭৯ মামলা হিমাগারে

রাজধানীর মতিঝিল শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে সারা দেশে নাশকতার ঘটনায় দায়ের করা ৭৯ মামলার তদন্ত শেষ হয়নি পাঁচ বছরেও। পুলিশের ওপর হামলা, সড়ক অবরোধ, ভাঙচুরের ঘটনায় ঢাকায় ৫৩টি এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে ৩০টি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। এসবের মধ্যে ঢাকায় তিনটি এবং চট্টগ্রামে একটি মামলার চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করে পুলিশ। সেগুলোতে অভিযুক্তদের তালিকায় উল্লেখযোগ্য কেউ নেই।

ঘটনার পর হেফাজতের কেন্দ্রীয় নেতা জুনায়েদ বাবুনগরী, সাবেক এমপি মুফতি ওয়াক্কাস, মুফতি হারুন, মুফতি মমিনুল ইসলামসহ ধর্মভিত্তিক সাতটি দলের ৮৭ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তে উসকানি দিয়ে সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরির তথ্য উঠে এসেছিল। পরে তদন্ত আর এগোয়নি। গ্রেপ্তার করা প্রায় সবাই জামিনে মুক্ত হয়েছে। সেই নাশকতার পাঁচ বছর পূর্ণ হচ্ছে আজ শনিবার। তবে মামলাগুলোর তদন্ত কবে শেষ হবে তার স্পষ্ট উত্তর নেই সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের কাছে। ৭৯টি মামলাই কার্যত হিমাগারে।

তদন্তসংশ্লিষ্ট এক পুলিশ কর্মকর্তা কালের কণ্ঠকে বলেন, ঘটনার এক বছরের মধ্যেই ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তদন্তে অনেক অগ্রগতি হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা না থাকায় আর নতুন তদন্ত হয়নি। ওই কর্মকর্তা আরো বলেন, ওই সমাবেশে সরকারি স্থাপনায় হামলার নির্দেশ দেন সাতটি ধর্মভিত্তিক দলের ১০ শীর্ষ নেতা। বিএনপির কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে ঘটনায় উসকানি দেওয়ার তথ্য উঠে এসেছে তদন্তে। ধর্মভিত্তিক দলগুলো হচ্ছে জামায়াতে ইসলামী, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, নেজামে ইসলাম, খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলন, ইসলামী ঐক্যজোট ও মুসলিম লীগ। গ্রেপ্তারকৃত নেতারা ঘটনার ব্যাপারে তথ্য দেন। তবে মামলার তদন্ত শেষ করার কিছু প্রক্রিয়া আটকে আছে।

রাজধানীতে তদন্তাধীন ৪৯ মামলার মধ্যে ১৫টির তদন্ত করছে ডিএমপির গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। ডিবির যুগ্ম কমিশনার আব্দুল বাতেন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এ মামলাগুলো নিয়ে নতুন কোনো সিদ্ধান্ত আমার জানা নেই। আগে যে অবস্থায় ছিল সেভাবেই আছে।’ তদন্তের বিষয়ে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার এবং কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলামের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন আব্দুল বাতেন। মনিরুল ইসলাম দেশের বাইরে থাকায় তাঁর বক্তব্য জানা যায়নি। তবে গত বছর তিনি বলেছিলেন, ‘নির্দেশদাতা চিহ্নিত হলেও যারা মাঠপর্যায়ে থেকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ঘটিয়েছে, তাদের সবাইকে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়নি। সেদিন অনেক জনসমাগম হয়েছিল। তাই প্রত্যেককে চিহ্নিত করে তাদের থেকে তথ্য সংগ্রহ এবং তাদের প্রত্যেকের রোল (ভূমিকা) খুঁজে বের করার চেষ্টা করে যাচ্ছে পুলিশ। এ জন্যই সময় লাগছে।’

২০১৩ সালের ৫ মে ১৩ দফা দাবিতে মতিঝিল শাপলা চত্বরে সমাবেশের ডাক দিয়ে তাণ্ডব শুরু করেছিল হেফাজতে ইসলাম। সংগঠনের হাজার হাজার কর্মী-অনুসারী পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, গাছ কাটা, অগ্নিসংযোগ, আওয়ামী লীগ অফিস পোড়ানো, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে লুটপাট চালিয়েছিল। সহিংসতার পর ২০১৩ সালের ১৬ জুলাই পর্যন্ত রাজধানীর মতিঝিল, পল্টন, কলাবাগান, শেরেবাংলানগর ও রমনা থানায় হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল ৪৯টি। এ ছাড়া ৬ মে সকালের সহিংসতায় নারায়ণগঞ্জে তিনটি এবং একুশে টেলিভিশনের সাংবাদিক নাদিয়া শারমিনের ওপর হামলায় শাহবাগ থানায় একটি মামলা হয়। চট্টগ্রাম, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, কক্সবাজার, লক্ষ্মীপুরসহ কয়েকটি জেলায় মামলা হয় আরো ৩০টি। হেফাজতের শীর্ষ পর্যায়ের ৩৩ নেতাসহ ২০০ ব্যক্তি ঘুরেফিরে বেশির ভাগ মামলার আসামি হয়। আসামি করা হয় ১৮ দলীয় জোটের কয়েকজন নেতাকেও। ঢাকার ৫৩টি মামলার মধ্যে রমনা থানার একটি এবং কলাবাগান থানার দুটি মামলায় আদালতে চার্জশিট দেওয়া হয়। চট্টগ্রামের একটি মামলারও চার্জশিট হয়েছে। তবে এসব মামলায় সাত দলের শীর্ষ নেতাদের অভিযুক্ত করা হয়নি। ঢাকায় ডিবির তদন্তাধীন ১৫টি মামলা ছাড়াও থানার পুলিশ ৩৫টি মামলার তদন্ত করছে।

তদন্ত তদারকির দায়িত্বে থাকা এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, হেফাজতের মহাসচিব জুনায়েদ বাবুনগরী, কেন্দ্রীয় নেতা মুফতি হারুন, মুফতি মমিনুল ইসলামসহ ১০ নেতা ও ৭৭ কর্মীকে গ্রেপ্তার করার পর সাত ইসলামী দলের শীর্ষ নেতাদের সম্পৃক্ততার তথ্য মিলেছিল। পরে এসআই শাহজাহান হত্যা মামলায় বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, এম কে আনোয়ার, রফিকুল ইসলাম মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ২০১৩ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ১৮ দলের শরিক জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মহাসচিব ও হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মুফতি ওয়াক্কাসকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। শাহজাহান হত্যা মামলায় আরেক আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে সাতটি ধর্মভিত্তিক দল এবং বিএনপির কয়েকজন নেতার নাম প্রকাশ করেছিল।

==============================

মাত্র এক গ্লাসেই উধাও পাকা চুল !! জেনে নিন যাদুকরী পদ্ধতি

অল্প বয়সে চুল পেকে যাওয়া খুবই কমন একটি ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে একেকজন মরিয়া হয়ে ওঠেন। কেউ চুলে মেহেদী দিচ্ছেন, কেউ বাজার থেকে কৃত্রিম রং এনে তা চুলে মাখছেন। খাবারের ভেজাল আর পরিবেশ দূষণের কুফলই কম বয়সে চুল পাকার একটি অন্যতম কারণ। একটি মিশ্রণ খেয়েই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। জেনে নিন কিভাবে তৈরি করবেন সেই ম্যাজিক মিশ্রণ।

যা যা লাগবে:

– ১০০ গ্রাম তিসির তেল

– ২টি মাঝারি মাপের পাতিলেবু

– ২ কোয়া ছোট রসুন

– ৫০০ গ্রাম মধু

যেভাবে তৈরি করবেন:

একটি লেবু খোসা ছাড়ানো অার অন্যটি ছোট ছোট টুকরো হবে। এবার রসুন ও লেবু পেস্ট করে নিন। পেস্ট করার সময় কোনভাবেই পানি মেশাবেন না। এখন এই মিশ্রণের সাথে তিসির তেল এবং মধু দিয়ে আবার ভালো করে মেশান। মিশ্রণটি একটি পরিষ্কার এয়ার টাইট কাঁচের বোতলে ভরে ফ্রিজে রেখে দিন। একদিন পরে বের করে ব্যবহার করুন।

রোজ খাওয়ার আধ ঘণ্টা আগে দিনে তিন বার এক চামচ করে খান। এজন্য কাঠের চামচ ব্যবহার করবেন। ২ সপ্তাহের মধ্যেই তফাতটা ধরতে পারবেন।

মিশ্রণটি নিয়মিত খেলে পাকা চুল কালো হয়ে উঠবে। শুধু তাই নয়, মিশ্রণটি খেলে দৃষ্টিশক্তি প্রখর হবে, চুল পড়ার সমস্যা দূর হবে এবং নতুন চুল গজাবে। এছাড়া ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াবে এবং কুঁচকানো চামড়া টানটান করবে।

সকালে যে ২টি খাবার খেলে শরীরে পাওয়ার বাড়ায় বহুগুণ ?? জেনে নিন এখনই..!

সকালে যে ২টি খাবার খেলে শরীরে পাওয়ার বাড়ায় বহুগুণ ?? জেনে নিন এখনই..!
শরীরের বিভিন্ন পুষ্টি পূরণে আমরা প্রতিদিনই অনেক ধরনের খাবার খেয়ে থাকি কিন্তু সবাই জানি কি কোন ধরনের খাবার আমাদের সেক্স বাড়াতে সক্ষম? সাধারণত খাবারে ভিটামিন এবং মিনারেলের ভারসাম্য ঠিক থাকলে শরীরে এন্ড্রোক্রাইন সিস্টেম সক্রিয় থাকে।
আর তা আপনার শরীরে এস্ট্রোজেন এবং টেস্টোস্টেরনের তৈরি হওয়া নিয়ন্ত্রণ করে। এস্ট্রোজেন এবং টেস্টোস্টেরন সেক্সের ইচ্ছা এবং পারফরমেন্সের জন্য জরুরি। আপনি যৌন মিলনের মুডে আছেন কিনা তা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করে আপনার খাদ্য। আসুন জেনে নিই এমন কয়েকটি দৈনন্দিন খাদ্য সম্পর্কে যা আপনার শরীরে সেক্স পাওয়ার বাড়ায় বহুগুণ।

জেনে নিন:
দুধ :বেশি পরিমাণ প্রাণিজ-ফ্যাট আছে এ ধরনের প্রাকৃতিক খাদ্য আপনার যৌনজীবনের উন্নতি ঘটায়। যেমন, খাঁটি দুধ, দুধের সর, মাখন ইত্যাদি। বেশিরভাগ মানুষই ফ্যাট জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে চায়। কিন্তু আপনি যদি শরীরে সেক্স হরমোন তৈরি হওয়ার পরিমাণ বাড়াতে চান তাহলে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট জাতীয় খাবারের দরকার। তবে সগুলিকে হতে হবে প্রাকৃতিক এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট।
ঝিনুক :আপনার যৌনজীবন আনন্দময় করে তুলতে ঝিনুক খাদ্য হিসেবে খুবই কার্যকরী। ঝিনুকে খুব বেশি পরিমাণে জিঙ্ক থাকে। জিঙ্ক শুক্রাণুর সংখ্যা বৃদ্ধি করে এবং লিবিডো বা যৌন-ইচ্ছা বাড়া

রোদ পোহালেই দুর হবে যৌনসমস্যা ! পড়ুন তাহলে

পৃথিবীতে যে রোগের ওষুধ হিসেবে মাটির বড়ি বানিয়ে বিক্রি করলেও ক্রেতার অভাব হয় না, সেটা হলো যৌনঅক্ষমতা। এর জন্য টাকা খরচ করতে পিছুপা হয় না কেউ। কিন্তু রোদ পোহালেই বাড়তে পারে পুরুষের কামশক্তি। গবেষকরা তো তাই বলছেন। অস্ট্রিয়ার গ্রাজ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা জানিয়েছেন, পুরুষের রক্তে যৌন হরমোন টেস্টোস্টেরন ভিটামিন ডি-র মাধ্যমে বৃদ্ধি পায়৷ আর ভিটামিন ডি-র প্রধান উৎস হল সূর্যালোক৷ ত্বকে সূর্যালোকের প্রভাবে রক্তে ভিটামিন ডি এর মাত্রা বৃদ্ধি পায়৷ এছাড়াও ভিটামিন ডি এর প্রধান উৎস হল মাছ এবং মাংস৷ গবেষকেরা জানিয়েছেন, রক্তে প্রতি মিলিলিটারে ভিটামিন ডি-র পরিমাণ যত বেশি হবে পুরুষের যৌন ক্ষমতা তত বাড়বে৷

গবেষণায় দেখা গেছে, সূর্যালোকের সাহায্যে পুরুষের রক্তে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা প্রায় ৬৯ শতাংশ বৃদ্ধি পায়৷ পুরুষের যৌনতার ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি হরমোন৷ এই হরমোনটিই যৌনতার চরিত্র, শুক্রাণু উৎপাদন ও পুরুষের যৌন চাহিদাকে নিয়ন্ত্রণ করে৷ তবে গায়ে রোদ লাগানোর ক্ষেত্রে বরাবরের মতোই সকালের মিষ্টি রোদকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কারণ, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্য্যের আলোতে বাড়তে থাকে অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাব। এটা ত্বকের ক্যান্সার সৃষ্টিসহ নানা শারীরিক সমস্যার জন্ম দেয়।

Facebook Comments

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>