Published On: Sat, May 5th, 2018

হত্যাকাণ্ড ধরে নিয়েই পুলিশ তদন্ত করছে

চট্টগ্রামে স্কুলছাত্রী তাসফিয়া আমিনের মৃত্যুরহস্য তিন দিনেও উন্মোচন করতে পারেনি পুলিশ। ঘটনাটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা—এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ। আর এর জন্য অটোরিকশাচালককে খোঁজা হচ্ছে। তবে ঘটনার তৃতীয় দিন গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত পুলিশ অন্ধকারেই ছিল। হত্যাকাণ্ড ধরে নিয়েই তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) আমেনা বেগম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘তাসফিয়া হত্যার শিকার হয়েছে—এমনটা ধরে নিয়েই পুলিশ তদন্ত করছে। এই ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাই এটি হত্যাকাণ্ড হিসেবে ধরেই তদন্ত হচ্ছে।’ এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘কিভাবে তাসফিয়াকে হত্যা করা হলো, কারা হত্যা করেছে সেই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে তদন্তের শেষ পর্যায় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এ ছাড়া ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনও জরুরি। এই রিপোর্টে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।’

তাসফিয়ার মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদনে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের আলামত পাওয়া গেছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে পুলিশ কর্মকর্তা আমেনা বেগম বলেন, ‘সুরতহালের সময় এমন কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। তার পরও যেহেতু এই ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছে এবং তাসফিয়ার বন্ধু আদনানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাই ঘটনাটিকে হত্যাকাণ্ড ধরে নিয়েই তদন্ত করা হচ্ছে। আদনানের দেওয়া তথ্যাদি চুলচেরা বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। তাকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে আরো কিছু প্রশ্ন করা হবে। তার বক্তব্যে কোনো কিছু ফারাক আছে কি না তাও যাচাই-বাছাই করবে পুলিশ।’ অন্য এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘হত্যাকাণ্ড হলে কে কেন হত্যা করেছে তা জানবে আনদান। তাই তাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।’ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বুধবার সকালে। আগের দিন মঙ্গলবার রাতে তাসফিয়া পতেঙ্গা সৈকতের ১৮ নম্বর ঘাটে মারা যায়। কিভাবে তাসফিয়া পতেঙ্গা গেল, তাসফিয়ার সঙ্গে কেউ ছিল কি না? তাসফিয়া কিভাবে মারা গেল?

এমন সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে পুলিশ গতকালও ব্যস্ত ছিল।

নগর পুলিশের পাশাপাশি তাসফিয়ার মৃত্যুর রহস্য উন্মোচনে কাজ শুরু করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। অপরাধ তদন্তের বিশেষায়িত এই ইউনিটও গতকাল রাত পর্যন্ত রহস্য উন্মোচন করতে পারেনি।

তদন্তের অগ্রগতির বিষয়ে তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (কর্ণফুলী) মো. জাহেদুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘যে অটোরিকশায় চড়ে তাসফিয়া পতেঙ্গা গেছে, সেটি শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। কিন্তু রাতের অন্ধকার হওয়ায় ভিডিও ফুটেজে অটোরিকশার নম্বর স্পষ্টভাবে ধরা পড়েনি। তাই অটোরিকশার নাগাল পাওয়া যায়নি। তবে পুলিশ এই অটোরিকশার নাগাল পেতে কাজ করছে।’ তিনি বলেন, ‘শুধু অটোরিকশা নয়, পাশাপাশি আরো অনেক প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে। তদন্তের স্বার্থে এখনই সব বলা সম্ভব নয়।’

পুলিশের দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা কালের কণ্ঠকে বলেন, তাসফিয়া বাসা থেকে বের হওয়ার সময়ের ভিডিও পাওয়া গেছে পাশের বাসার একটি ক্লোজড সার্কিট (সিসি) টিভি ক্যামেরায়। এরপর সিআরবিসহ কয়েকটি রেস্টুরেন্টে যাওয়ার কথা বলেছে তাসফিয়ার বন্ধু আদনান মির্জা। সেসব রেস্টুরেন্ট থেকেও ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। এসব ফুটেজে তাসফিয়া ও আদনানের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। সন্ধ্যায় গোলপাহাড় মোড়ের চায়না গ্রিল নামের রেস্টুরেন্ট থেকে বের হয়ে একটি অটোরিকশায় ওঠে তাসফিয়া। সেই ভিডিও চিত্রের পর পুলিশ তাসফিয়ার বাসায় যায়, সে বাসায় প্রবেশ করেছে কি না এমন প্রমাণ পাওয়ার আশায়। কিন্তু তাসফিয়ার বাসার পাশের ভবনের সিসি ক্যামেরায় এ ধরনের ফুটেজ পাওয়া যায়নি।

এ ছাড়া গোলপাহাড় মোড় থেকে তাসফিয়াকে বহনকারী অটোরিকশা জিইসির মোড় যাওয়ার সময় মেডিক্যাল সেন্টারের সামনের সড়কে সামান্য সময়ের জন্য অপেক্ষা করেছিল। এরই মধ্যে তাসফিয়া অটোরিকশা থেকে নামে, পরে আবার গাড়িতে ওঠে। এরপর গাড়িটি জিইসির মোড় হয়ে পতেঙ্গা চলে যায় বলে পুলিশ ধারণা করছে। তাসফিয়া সন্ধ্যা ৬টা ৪৮ মিনিটে জিইসির মোড় এলাকায় ছিল। আর রাত ৮টা ১৫ মিনিটে তাকে পতেঙ্গার ১৮ নম্বর ঘাট এলাকায় দেখেছে প্রত্যক্ষদর্শীরা।

তাসফিয়ার যাত্রাপথের এমন তথ্য জানার পর পুলিশ জানতে চেষ্টা করছে যাত্রাপথে প্রায় দেড় ঘণ্টা সময়ে তাসফিয়া কোথাও দাঁড়িয়েছিল কি না। এই তথ্য জানা যাবে অটোরিকশাচালকের কাছ থেকে। তাসফিয়ার হাতে একটি সোনার আংটি ছিল। মরদেহ উদ্ধারের সময় এই আংটি পাওয়া যায়নি। তাহলে কি তাসফিয়া পথে কোথাও দাঁড়িয়েছিল, কিছু নিয়েছিল? কারো সঙ্গে কথা বলেছিল—এসব প্রশ্নের উত্তর পাচ্ছে না পুলিশ। আবার রাত ৮টা ১৫ মিনিটের পরের কোন সময়ে কিভাবে তাসফিয়া মারা গেল—এমন প্রশ্নের উত্তরও নেই পুলিশের কাছে।

পিবিআই চট্টগ্রাম মহানগর অঞ্চলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মঈন উদ্দিন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘তাসফিয়ার মৃত্যুরহস্য উন্মোচনে পিবিআই ছায়া তদন্ত শুরু করেছে। কিন্তু এখনো পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি পাওয়া যায়নি।’

তাসফিয়ার মৃত্যুর ঘটনায় বন্ধু আদনান মির্জাসহ ছয়জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরো পাঁচ-ছয়জনের বিরুদ্ধে পতেঙ্গা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন তাসফিয়ার বাবা ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আমিন।

==============================

মাত্র এক গ্লাসেই উধাও পাকা চুল !! জেনে নিন যাদুকরী পদ্ধতি

অল্প বয়সে চুল পেকে যাওয়া খুবই কমন একটি ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে একেকজন মরিয়া হয়ে ওঠেন। কেউ চুলে মেহেদী দিচ্ছেন, কেউ বাজার থেকে কৃত্রিম রং এনে তা চুলে মাখছেন। খাবারের ভেজাল আর পরিবেশ দূষণের কুফলই কম বয়সে চুল পাকার একটি অন্যতম কারণ। একটি মিশ্রণ খেয়েই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। জেনে নিন কিভাবে তৈরি করবেন সেই ম্যাজিক মিশ্রণ।

যা যা লাগবে:

– ১০০ গ্রাম তিসির তেল

– ২টি মাঝারি মাপের পাতিলেবু

– ২ কোয়া ছোট রসুন

– ৫০০ গ্রাম মধু

যেভাবে তৈরি করবেন:

একটি লেবু খোসা ছাড়ানো অার অন্যটি ছোট ছোট টুকরো হবে। এবার রসুন ও লেবু পেস্ট করে নিন। পেস্ট করার সময় কোনভাবেই পানি মেশাবেন না। এখন এই মিশ্রণের সাথে তিসির তেল এবং মধু দিয়ে আবার ভালো করে মেশান। মিশ্রণটি একটি পরিষ্কার এয়ার টাইট কাঁচের বোতলে ভরে ফ্রিজে রেখে দিন। একদিন পরে বের করে ব্যবহার করুন।

রোজ খাওয়ার আধ ঘণ্টা আগে দিনে তিন বার এক চামচ করে খান। এজন্য কাঠের চামচ ব্যবহার করবেন। ২ সপ্তাহের মধ্যেই তফাতটা ধরতে পারবেন।

মিশ্রণটি নিয়মিত খেলে পাকা চুল কালো হয়ে উঠবে। শুধু তাই নয়, মিশ্রণটি খেলে দৃষ্টিশক্তি প্রখর হবে, চুল পড়ার সমস্যা দূর হবে এবং নতুন চুল গজাবে। এছাড়া ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াবে এবং কুঁচকানো চামড়া টানটান করবে।

সকালে যে ২টি খাবার খেলে শরীরে পাওয়ার বাড়ায় বহুগুণ ?? জেনে নিন এখনই..!

সকালে যে ২টি খাবার খেলে শরীরে পাওয়ার বাড়ায় বহুগুণ ?? জেনে নিন এখনই..!
শরীরের বিভিন্ন পুষ্টি পূরণে আমরা প্রতিদিনই অনেক ধরনের খাবার খেয়ে থাকি কিন্তু সবাই জানি কি কোন ধরনের খাবার আমাদের সেক্স বাড়াতে সক্ষম? সাধারণত খাবারে ভিটামিন এবং মিনারেলের ভারসাম্য ঠিক থাকলে শরীরে এন্ড্রোক্রাইন সিস্টেম সক্রিয় থাকে।
আর তা আপনার শরীরে এস্ট্রোজেন এবং টেস্টোস্টেরনের তৈরি হওয়া নিয়ন্ত্রণ করে। এস্ট্রোজেন এবং টেস্টোস্টেরন সেক্সের ইচ্ছা এবং পারফরমেন্সের জন্য জরুরি। আপনি যৌন মিলনের মুডে আছেন কিনা তা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করে আপনার খাদ্য। আসুন জেনে নিই এমন কয়েকটি দৈনন্দিন খাদ্য সম্পর্কে যা আপনার শরীরে সেক্স পাওয়ার বাড়ায় বহুগুণ।

জেনে নিন:
দুধ :বেশি পরিমাণ প্রাণিজ-ফ্যাট আছে এ ধরনের প্রাকৃতিক খাদ্য আপনার যৌনজীবনের উন্নতি ঘটায়। যেমন, খাঁটি দুধ, দুধের সর, মাখন ইত্যাদি। বেশিরভাগ মানুষই ফ্যাট জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে চায়। কিন্তু আপনি যদি শরীরে সেক্স হরমোন তৈরি হওয়ার পরিমাণ বাড়াতে চান তাহলে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট জাতীয় খাবারের দরকার। তবে সগুলিকে হতে হবে প্রাকৃতিক এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট।
ঝিনুক :আপনার যৌনজীবন আনন্দময় করে তুলতে ঝিনুক খাদ্য হিসেবে খুবই কার্যকরী। ঝিনুকে খুব বেশি পরিমাণে জিঙ্ক থাকে। জিঙ্ক শুক্রাণুর সংখ্যা বৃদ্ধি করে এবং লিবিডো বা যৌন-ইচ্ছা বাড়া

রোদ পোহালেই দুর হবে যৌনসমস্যা ! পড়ুন তাহলে

পৃথিবীতে যে রোগের ওষুধ হিসেবে মাটির বড়ি বানিয়ে বিক্রি করলেও ক্রেতার অভাব হয় না, সেটা হলো যৌনঅক্ষমতা। এর জন্য টাকা খরচ করতে পিছুপা হয় না কেউ। কিন্তু রোদ পোহালেই বাড়তে পারে পুরুষের কামশক্তি। গবেষকরা তো তাই বলছেন। অস্ট্রিয়ার গ্রাজ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা জানিয়েছেন, পুরুষের রক্তে যৌন হরমোন টেস্টোস্টেরন ভিটামিন ডি-র মাধ্যমে বৃদ্ধি পায়৷ আর ভিটামিন ডি-র প্রধান উৎস হল সূর্যালোক৷ ত্বকে সূর্যালোকের প্রভাবে রক্তে ভিটামিন ডি এর মাত্রা বৃদ্ধি পায়৷ এছাড়াও ভিটামিন ডি এর প্রধান উৎস হল মাছ এবং মাংস৷ গবেষকেরা জানিয়েছেন, রক্তে প্রতি মিলিলিটারে ভিটামিন ডি-র পরিমাণ যত বেশি হবে পুরুষের যৌন ক্ষমতা তত বাড়বে৷

গবেষণায় দেখা গেছে, সূর্যালোকের সাহায্যে পুরুষের রক্তে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা প্রায় ৬৯ শতাংশ বৃদ্ধি পায়৷ পুরুষের যৌনতার ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি হরমোন৷ এই হরমোনটিই যৌনতার চরিত্র, শুক্রাণু উৎপাদন ও পুরুষের যৌন চাহিদাকে নিয়ন্ত্রণ করে৷ তবে গায়ে রোদ লাগানোর ক্ষেত্রে বরাবরের মতোই সকালের মিষ্টি রোদকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কারণ, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্য্যের আলোতে বাড়তে থাকে অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাব। এটা ত্বকের ক্যান্সার সৃষ্টিসহ নানা শারীরিক সমস্যার জন্ম দেয়।

Facebook Comments

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>