Published On: Sat, May 5th, 2018

অনেক টাকায় বিক্রি হয়েও আইপিএলে সুপার ফ্লপ যারা

আইপিএল মানেই টাকার ছড়াছড়ি। কেবল বিদেশি ক্রিকেটার নয়, ভারতের স্থানীয় ক্রিকেটারদেরকেও অনেক দাম দিয়ে কিনে নেয় ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো। তাদের ঘরোয়া ক্রিকেটের পারফর্মেন্স এতে বড় ভূমিকা রাখে। কিন্তু এমন অনেক ক্রিকেটার আছেন, যাদের কোটি কোটি টাকার বিনিময়ে আইপিএলে নেওয়া হয়ে থাকে। কিন্তু লড়াইয়ের ময়দানে তারা সুপার ফ্লপ। সফল না হওয়ায় দল থেকেও বাদ পড়েন। দেখে নেওয়া যাক এমনই কয়েক জনকে।

একলব্য দ্বিবেদী: মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান। ১১ কোটি রুপি দিয়ে গুজরাট লায়ন্স কিনেছিল তাকে। তবে, ৪ ম্যাচে করেছিলেন মাত্র ২৪ রান। তার পরই বাদ পড়েন দল থেকে। হুমকির মুখে তার আইপিএল ক্যারিয়ার। যার প্রমাণ স্বরূপ, চলতি একাদশ আসরে কোনো দলই পাননি তিনি।

অনিকেত চৌধুরী: আইপিএলের বিগত ১০ম আসরে অনিকেতকে ২ কোটি রুপির বিশাল দামে কিনে নিয়েছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু। কিন্তু এত আশা জাগিয়েও তিনি হতাশ করেন দলকে। ৫ ম্যাচে ওভার পিছু ৮.৫৫ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন। তার পরই দল থেকে বাদ দেওয়া হয় তাকে।

নাথু সিং: ২০১৬ আইপিএলে ৩ কোটি ২০ লক্ষে নাথুকে কিনেছিল মুম্বাই। নিলামের দর ওঠার পর সবাইকে চমকে দিয়েছিলেন। কিন্তু একটিও ম্যাচে সুযোগ পাননি। পরের বছর গুজরাট লায়ন্স তাকে মাত্র ৫০ লক্ষ রুপিতে কিনে নেয়। কিন্তু ২ ম্যাচে ১ উইকেট নিয়ে বাকী টুর্নামেন্টে আর একাদশে জায়গা পাননি।

কেসি কারিয়াপ্পা: ২০১৫ সালে কারিয়াপ্পাকে ২ কোটি ৪০ লাখ রুপিতে কিনেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। এত অর্থ খরচ করা নিয়ে অনেক কথাও উঠেছিল। কিন্তু সাফল্য পাননি এই ক্রিকেটার। আইপিএলে ওভারপিছু ৯.২৩ রান দিয়ে ৮ উইকেট নেওয়া কারিয়াপ্পা প্রায় হারিয়েই গেছেন।

টাইমল মিলস: ইংল্যান্ড দলের বাঁ-হাতি ফাস্ট বোলার টাইমাল মিলসকে কিনেছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু। খরচ করেছিল মাথা নষ্ট করার মতো- ১২ কোটি রুপি! কিন্তু কিছু দিনের মধ্যেই দল বুঝে যায় কতটা ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তারা। তখন ভেবে আর লাভ কী? টাকা যা যাওয়ার সেটা তো গেছেই।

মহানবী (সা.)-এর প্রিয় ১২টি খাবার… শেয়ার করে জানান সবাইকে

মহানবী (সা.) যেসব খাবার পছন্দ করতেন তার ১২টি খাবারের গুণাবলী এখানে তুলে ধরা হলো : বার্লি, খেজুর, ডুমুর, আঙ্গুর, মধু, তরমুজ, দুধ, মাশরুম, অলিভ অয়েল, ডালিম-বেদানা, ভিনেগার ও পানি।

১।বার্লি (জাউ) : এটা জ্বরের জন্য এবং পেটের পীড়ায় উপকারী।

২. খেজুর : অপরিসীম খাদ্যশক্তি। খেজুরের খাদ্যশক্তি ও খনিজ লবণের উপাদান শরীর সতেজ রাখে। প্রিয়নবী (সা.) বলতেন, যে বাড়িতে খেজুর নেই সে বাড়িতে কোনো খাবার নেই। এমনকি প্রিয়নবী (সা.) সন্তান প্রসবের পর প্রসূতি মাকে খেজুর খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

৩. ডুমুর : এটি অত্যন্ত পুষ্টিকর ও ভেষজগুণসম্পন্ন। যাদের পাইলস ও কোষ্ঠকাঠিন্য আছে তাদের জন্য অত্যন্ত উপযোগী খাবার। ৪. আঙ্গুর : প্রিয়নবী (সা.) আঙ্গুর খেতে অত্যন্ত ভালো বাসতেন। আঙ্গুরের পুষ্টিগুণ ও খাদ্যগুণ অপরিসীম। এই খাবারের উচ্চ খাদ্য শক্তির কারণে এটা থেকে আমরা তাৎক্ষণিক এনার্জি পাই এবং এটা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

আঙ্গুর কিডনির জন্য উপকারী এবং বাওয়েল মুভমেন্টে সহায়ক। যাদের আইবিএস বা ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম আছে তারা খেতে পারেন। ৫. মধু : এতে নানা পুষ্টিগুণ ও ভেষজ গুণ রয়েছে। মধুকে বলা হয় খাবার, পানী।।ও ওষুধের সেরা। হালকা গরম পানির সঙ্গে মিশিয়ে মধু পান করা ডায়রিয়ার জন্য ভালো। খাবারে অরুচি, পাকস্থলীর সমস্যা, হেয়ার কন্ডিশনার ও মাউথ ওয়াশ হিসেবে উপকারী।

৬. তরমুজ : সব ধরনের তরমুজ স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। প্রিয়নবী (সা.) তরমুজ আহারকে গুরুত্ব দিতেন। যেসব গর্ভবর্তী মায়েরা তরমুজ আহার করেন তাদের সন্তান প্রসব সহজ হয়। তরমুজের পুষ্টি, খাদ্য ও ভেষজগুণ এখন সর্বজনবিদিত ও বৈজ্ঞানিক সত্য।

৭. দুধ : দুধের খাদ্যগুণ, পুষ্টিগুণ ও ভেষজগুণ বর্ণনাতীত। আজ থেকে দেড় হাজার বছর আগে বিজ্ঞান যখন অন্ধকারে তখন প্রিয়নবী (সা.) দুধ সম্পর্কে বলেন, দুধ হার্টের জন্য ভালো। দুধ পানে মেরুদ- সবল হয়, মস্তিষ্ক সুগঠিত হয় এবং দৃষ্টিশক্তি ও স্মৃতিশক্তি প্রখর হয়। আজকের বিজ্ঞানীরাও দুধকে আদর্শ খাবার হিসেবে ঘোষণা করেছেন এবং এর ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি অস্থিগঠনে সহায়ক।

৮. মাশরুম : বিশ্ব জুড়ে মাশরুম আজ একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর খাবার এবং মাশরুম নিয়ে চলছে নানা গবেষণা। অথচ দেড় হাজার বছর আগে প্রিয়নবী (সা.) জানতেন মাশরুম চোখের জন্য ভালো। এটা বার্থ কন্ট্রোলে সহায়ক ও মাশরুমের ভেষজগুণের কারণে এটা নার্ভ শক্ত করে এবং শরীরের প্যারালাইসিস বা অকেজো হওয়ার প্রক্রিয়া রোধ করে।

৯. জলপাই তেল : অলিভ অয়েলের খাদ্য ও পুষ্টিগুণ অনেক। গবেষণায় দেখা গেছে অলিভ অয়েল ত্বক ও চুলের জন্য উপকারী এবং বয়স ধরে রাখার ক্ষেত্রে সহায়ক বা বুড়িয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া বিলম্বিত করে। এছাড়া অলিভ অয়েল পাকস্থলীর প্রদাহ নিরাময়ে সহায়ক।

১০. ডালিম-বেদানা : বেদানার পুষ্টিগুণ ও খাদ্যগুণের পাশাপাশি এটার ধর্মীয় একটি দিক আছে। প্রিয়নবী (সা.) বলেছেন, এটা আহারকারীদের শয়তান ও মন্দ চিন্তা থেকে বিরত রাখে।

১১. ভিনেগার : ভিনেগারের ভেষজ গুণ ও খাদ্যগুণ অপরিসীম। প্রিয়নবী (সা.) অলিভ অয়েলের সঙ্গে মিশিয়ে ভিনেগার খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। আজকের এই মডার্ন ও বিজ্ঞানের অভূতপূর্ব সাফল্যের যুগে বিশ্বের বড় বড় নামি-দামী রেস্টুরেন্টে বিশেষ করে এলিট ইটালিয়ান রেস্টুরেন্টে অভিল অয়েল ও ভিনেগার এক সঙ্গে মিশিয়ে পরিবেশন করা হয়।

১২. খাবার পানি : পানির অপর নাম জীবন। প্রিয়নবী (সা.) পানিকে পৃথিবীর সেরা ড্রিংক বা পানীয় হিসাবে উল্লেখ করেছেন। সৌন্দর্য চর্চা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য রক্ষায় চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা আজ প্রচুর পানি পান করতে বলে থাকেন।

Facebook Comments

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>