Published On: Sat, May 5th, 2018

এই ধরনের ছোট্ট থলি পেয়েছেন নতুন বোতল বা জুতোর ভিতরে ? ভুলেও এটি ফেলে দেবেন না

এই ধরনের ছোট্ট থলি পেয়েছেন নতুন বোতল বা জুতোর ভিতরে ? ভুলেও এটি ফেলে দেবেন না- একে বলা হয় সিলিকা জেল। এর কাজ হল আর্দ্রতা শুষে নিয়ে নিজের মধ্যে ধারণ করে রাখা।

নতুন জুতো বা প্লাস্টিকের বোতলের ভিতর জিনিসটি অনেকেই পেয়েছেন। অনেক সময়ে ওষুধের শিশিতেও রাখা থাকে এই ধরনের ছোট্ট সাদা একটি থলি। উপর থেকে স্পর্শ করলে মনে হতে পারে ভিতরে বুঝি নুন জাতীয় কিছু রয়েছে।

গায়ে লেখা থাকে সতর্কবার্তা—খেয়ে ফেলবেন না, কিংবা শিশুদের থেকে দূরে রাখুন। কেউ যদি কৌতূহলী হয়ে থলিটি খুলে দেখেন, তাহলে দেখতে পাবেন ভেতরে রয়েছে ছোট ছোট সাদা, কিছুটা স্বচ্ছ একগুচ্ছ দানা। একে বলা হয় সিলিকা জেল। এর কাজ হল আর্দ্রতা শুষে নিয়ে নিজের মধ্যে ধারণ করে রাখা।

আমরা সাধারণত নতুন কেনা কোনও জিনিসের ভেতর সিলিকা জেলের থলি পেলে তা সঙ্গে সঙ্গে ফেলে দিই। আদপে এই সিলিকা জেলের থলি কিন্তু নানা কাজে লাগতে পারে। যদি নতুন কেনা জিনিসের সঙ্গে পাওয়া সিলিকা জেলের থলিগুলি জমিয়ে রাখতে পারেন, তাহলে অনেক উপকার পাবেন।

ভাবছেন কী ধরনের উপকার? আসুন, জেনে নিই—

১. পানিতে মোবাইল ফোন পড়ে গেলে: আপনার মোবাইলটি পানিতে পড়ে গিয়েছে? কিংবা মোবাইলেই পড়ে গিয়েছে পানি? চিন্তা নেই। মোবাইলটি অফ করে ব্যাটারি, সিম, মেমোরি কার্ড সব খুলে নিয়ে শুকনো কাপড় বা তুলো দিয়ে যতটা পারেন শুকনো করে মুছে নিন।

তারপর ফোনটিকে একটি প্লাস্টিকের বাক্সে রেখে ভিতরে রেখে দিন পাঁচ-ছ’টি সিলিকা জেল ব্যাগ। ব্যাগগুলি মোবাইলের সংস্পর্শে রাখতে পারলেই ভাল। এতে মোবাইলের ভিতরে জমে থাকা জলকণা ও আর্দ্রতা শুষে নিতে পারবে ব্যাগে থাকা সিলিকা জেল।

এই ধরনের ছোট্ট থলি পেয়েছেন নতুন বোতল বা জুতোর ভিতরে ? ভুলেও এটি ফেলে দেবেন না

জনপ্রিয় পোস্ট সমূহ
সহবাসের পর মন খারাপ হয় কেন

Feb 5, 2018
‘বিয়ের পর যখন বুঝতে পারলাম আমার স্বামী নপুংসক, তখন..’

Jan 29, 2018
২. জিনিসপত্রকে মরচের হাত থেকে বাঁচানো: বাড়ির যে ধাতব জিনিসটিকে জং ধরা বা মরচে পড়ার হাত থেকে বাঁচাতে চান, সেটিকে একটি এয়ারটাইট প্লাস্টিকের বাক্সে রেখে ভিতরে রেখে দিন তিন-চারটি সিলিকা জেলের প্যাকেট।

জং ধরবে না। দাড়ি কামানোর সেফটি রেজার এইভাবে রাখলে ব্লেডটি অনেকদিন চলবে। রুপো বা অন্য কোনও ধাতুর তৈরি গয়নাও এই কৌশলে রাখতে পারলে সেগুলি একদম নতুনের মতো থাকবে।

৩. খাবারদাবারকে তরতাজা রাখা: যে পাত্রে খাবার রাখছেন তার ঢাকনার ভেতরের দিকে কয়েকটি সিলিকা জেলের ব্যাগ সেলোটেপ দিয়ে আটকে দিন। এবার ঢাকনা বন্ধ করে দিন।

খাবার অনেকক্ষণ তাজা থাকবে। ড্রাই ফুট, বাদামভাজা, ছোলাভাজা ইত্যাদির পাত্রে সিলিকা জেল রাখলে বিশেষ ফল পাবেন। তবে খেয়াল রাখবেন, সিলিকা জেলের ব্যাগ যেন খাদ্যদ্রব্যকে স্পর্শ না করে।

৪. জরুরি কাগজপত্র ও ফোটোগ্রাফকে ঠিকঠাক রাখা: আর্দ্রতার কারণে অনেক সময়েই আমাদের জরুরি কাগজপত্রে একটা স্যাঁতস্যাঁতে আঠালো ভাব চলে আসে। সেক্ষেত্রে যে ড্রয়ার বা আলমারির যে তাকে কাগজ বা ফাইলপত্র রাখছেন সেখানে কয়েকটি সিলিকা জেল ব্যাগ রেখে দিন।সম্ভব হলে ফাইলের ভিতরেও রাখুন একটি কি দু’টি ব্যাগ। দেখবেন আর ওই স্যাঁতস্যাঁতে ভাব আসবে না। ফোটো অ্যালবামের ভিতর সিলিকা জেলের ব্যাগ রাখলে ছবিগুলি একদম ঠিকঠাক থাকবে।

৫. ওষুধপত্রকে ঠিকঠাক রাখা: যে পাত্রে ওষুধ রাখছেন সেই প্লাস্টিকের শিশি বা কৌটোর ভিতরে রাখুন একটি কি দুটি সিলিকা জেল ব্যাগ। ওষুধ নষ্ট হয়ে যাওয়ার ভয় থাকবে না।

কাজেই এবার থেকে নতুন কেনা জিনিসের সঙ্গে পাওয়া সিলিকা জেলের ব্যাগটি ফেলে দেবেন না। এগুলি জমিয়ে রাখুন, অনেক কাজে দেবে। প্রয়োজন বোধ করলে অনলাইন শপিং মারফৎ কিনেও নিতে পারেন সিলিকা জেলের ব্যাগ।

মহানবী (সা.)-এর প্রিয় ১২টি খাবার… শেয়ার করে জানান সবাইকে

মহানবী (সা.) যেসব খাবার পছন্দ করতেন তার ১২টি খাবারের গুণাবলী এখানে তুলে ধরা হলো : বার্লি, খেজুর, ডুমুর, আঙ্গুর, মধু, তরমুজ, দুধ, মাশরুম, অলিভ অয়েল, ডালিম-বেদানা, ভিনেগার ও পানি।

১।বার্লি (জাউ) : এটা জ্বরের জন্য এবং পেটের পীড়ায় উপকারী।

২. খেজুর : অপরিসীম খাদ্যশক্তি। খেজুরের খাদ্যশক্তি ও খনিজ লবণের উপাদান শরীর সতেজ রাখে। প্রিয়নবী (সা.) বলতেন, যে বাড়িতে খেজুর নেই সে বাড়িতে কোনো খাবার নেই। এমনকি প্রিয়নবী (সা.) সন্তান প্রসবের পর প্রসূতি মাকে খেজুর খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

৩. ডুমুর : এটি অত্যন্ত পুষ্টিকর ও ভেষজগুণসম্পন্ন। যাদের পাইলস ও কোষ্ঠকাঠিন্য আছে তাদের জন্য অত্যন্ত উপযোগী খাবার। ৪. আঙ্গুর : প্রিয়নবী (সা.) আঙ্গুর খেতে অত্যন্ত ভালো বাসতেন। আঙ্গুরের পুষ্টিগুণ ও খাদ্যগুণ অপরিসীম। এই খাবারের উচ্চ খাদ্য শক্তির কারণে এটা থেকে আমরা তাৎক্ষণিক এনার্জি পাই এবং এটা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

আঙ্গুর কিডনির জন্য উপকারী এবং বাওয়েল মুভমেন্টে সহায়ক। যাদের আইবিএস বা ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম আছে তারা খেতে পারেন। ৫. মধু : এতে নানা পুষ্টিগুণ ও ভেষজ গুণ রয়েছে। মধুকে বলা হয় খাবার, পানী।।ও ওষুধের সেরা। হালকা গরম পানির সঙ্গে মিশিয়ে মধু পান করা ডায়রিয়ার জন্য ভালো। খাবারে অরুচি, পাকস্থলীর সমস্যা, হেয়ার কন্ডিশনার ও মাউথ ওয়াশ হিসেবে উপকারী।

৬. তরমুজ : সব ধরনের তরমুজ স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। প্রিয়নবী (সা.) তরমুজ আহারকে গুরুত্ব দিতেন। যেসব গর্ভবর্তী মায়েরা তরমুজ আহার করেন তাদের সন্তান প্রসব সহজ হয়। তরমুজের পুষ্টি, খাদ্য ও ভেষজগুণ এখন সর্বজনবিদিত ও বৈজ্ঞানিক সত্য।

৭. দুধ : দুধের খাদ্যগুণ, পুষ্টিগুণ ও ভেষজগুণ বর্ণনাতীত। আজ থেকে দেড় হাজার বছর আগে বিজ্ঞান যখন অন্ধকারে তখন প্রিয়নবী (সা.) দুধ সম্পর্কে বলেন, দুধ হার্টের জন্য ভালো। দুধ পানে মেরুদ- সবল হয়, মস্তিষ্ক সুগঠিত হয় এবং দৃষ্টিশক্তি ও স্মৃতিশক্তি প্রখর হয়। আজকের বিজ্ঞানীরাও দুধকে আদর্শ খাবার হিসেবে ঘোষণা করেছেন এবং এর ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি অস্থিগঠনে সহায়ক।

৮. মাশরুম : বিশ্ব জুড়ে মাশরুম আজ একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর খাবার এবং মাশরুম নিয়ে চলছে নানা গবেষণা। অথচ দেড় হাজার বছর আগে প্রিয়নবী (সা.) জানতেন মাশরুম চোখের জন্য ভালো। এটা বার্থ কন্ট্রোলে সহায়ক ও মাশরুমের ভেষজগুণের কারণে এটা নার্ভ শক্ত করে এবং শরীরের প্যারালাইসিস বা অকেজো হওয়ার প্রক্রিয়া রোধ করে।

৯. জলপাই তেল : অলিভ অয়েলের খাদ্য ও পুষ্টিগুণ অনেক। গবেষণায় দেখা গেছে অলিভ অয়েল ত্বক ও চুলের জন্য উপকারী এবং বয়স ধরে রাখার ক্ষেত্রে সহায়ক বা বুড়িয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া বিলম্বিত করে। এছাড়া অলিভ অয়েল পাকস্থলীর প্রদাহ নিরাময়ে সহায়ক।

১০. ডালিম-বেদানা : বেদানার পুষ্টিগুণ ও খাদ্যগুণের পাশাপাশি এটার ধর্মীয় একটি দিক আছে। প্রিয়নবী (সা.) বলেছেন, এটা আহারকারীদের শয়তান ও মন্দ চিন্তা থেকে বিরত রাখে।

১১. ভিনেগার : ভিনেগারের ভেষজ গুণ ও খাদ্যগুণ অপরিসীম। প্রিয়নবী (সা.) অলিভ অয়েলের সঙ্গে মিশিয়ে ভিনেগার খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। আজকের এই মডার্ন ও বিজ্ঞানের অভূতপূর্ব সাফল্যের যুগে বিশ্বের বড় বড় নামি-দামী রেস্টুরেন্টে বিশেষ করে এলিট ইটালিয়ান রেস্টুরেন্টে অভিল অয়েল ও ভিনেগার এক সঙ্গে মিশিয়ে পরিবেশন করা হয়।

১২. খাবার পানি : পানির অপর নাম জীবন। প্রিয়নবী (সা.) পানিকে পৃথিবীর সেরা ড্রিংক বা পানীয় হিসাবে উল্লেখ করেছেন। সৌন্দর্য চর্চা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য রক্ষায় চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা আজ প্রচুর পানি পান করতে বলে থাকেন।

Facebook Comments

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>