Published On: Sat, May 5th, 2018

দ্রুত চুল ঘন ও লম্বা করার ৫টি শ্যাম্পুর নাম ও উপকারিতা জেনে নিন!

চুল ঘন আর লম্বা হোক এটা কে না চায়! আর চুল লম্বা করতে কিন্তু শুধু তেল নয়, শ্যাম্পুর ভূমিকাও যথেষ্ট। কিন্তু তার জন্য প্রয়োজন উপযুক্ত শ্যাম্পু বেছে নেওয়া। আজকের আর্টিকেল তাই পড়া মাস্ট।

১. অ্যারোমা ম্যাজিক ত্রিফলা শ্যাম্পু
চুল খুব তৈলাক্ত? তাহলে এই শ্যাম্পুটা বেস্ট অপশন আপনার জন্য। এতে আছে তিনটি এমন উপাদান, যা স্ক্যাল্পকে পরিষ্কার রাখে। চুলের গোড়া মজবুত করে ও চুলের অতিরিক্ত তেল ধুয়ে সাফ করে দেয়। অতিরিক্ত তেলকে কন্ট্রোল করে।

২. ত্রিচাপ হেলদি লং অ্যান্ড স্ট্রং হারবাল শ্যাম্পু
এটাও একটা খুব ভালো হারবাল শ্যাম্পু। কারণ এতে আছে অ্যালোভেরা ও হেনার পুষ্টি যেটা চুলকে ময়েশ্চারাইজড রাখে। প্রতিটা হেয়ার ফলিকলকে নারিশ করে। রিভার্টিলাইজ করে যেটা চুলের গ্রোথ বাড়ায়। চুল পড়া তো নিয়ন্ত্রণ করেই, সাথে চুলে দেয় একটা বাউন্সি লুক এবং চুল লম্বা করতেও সাহায্য করে।

৩. বায়োটিক বায়ো প্রোটিন শ্যাম্পু
চুল পড়ার একটা প্রধান কারণ হল পুষ্টির অভাব। চুল হল কিছু সূক্ষ প্রোটিন যেটা মাথার ত্বকের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসে। এটা খুব সূক্ষ তাই এর সঠিক যত্ন খুব দরকার। আর পুষ্টির অভাবে তাই চুল পড়তে থাকে। এক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রোটিন প্যাকের সাথে প্রোটিন শ্যাম্পু চুলকে মজবুত করে তোলে। স্ক্যাল্পের প্রয়োজনীয় পুষ্টির চাহিদা মেটায়। আর এই প্রোটিন শ্যাম্পুতে আছে আমলকী ও নিম। চুলের বিভিন্ন সমস্যার ক্ষেত্রে আমলকীর উপকারিতা আর নতুন করে কিছু বলার নেই। এই শ্যাম্পু অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল হিসাবেও কাজ করে। যেকোনো স্ক্যাল্প ইনফেকশন থেকে রক্ষা করে। বায়োটিকের এই প্রোটিন শ্যাম্পুর নানারকম ভ্যারাইটি পেয়ে যাবেন। কিনে নিন আপনার পছন্দ মত।

৪. বায়োটিক ওয়ালনাট বারক্ শ্যাম্পু
এটা বায়োটিকের অসাধারণ একটা শ্যাম্পু যেটায় আছে ওয়ালনাট, আমলকী ছাড়াও আরও অনেক উপাদান, যেটা চুলের গোড়া মজবুত করে। চুলকে ভেতর থেকে হেলদি ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল করে তোলে। ওয়ালনাট শ্যাম্পুরও আছে নানারকম ভ্যারাইটি। দেখে নিন আপনার পছন্দের শ্যাম্পুটা।

৫. অ্যাপেল সিডার ভিনিগার শ্যাম্পু
অ্যাপেল সিডার ভিনিগার যেমন ত্বকের জন্য ভালো,তেমনই ভালো চুলের জন্য।তাই কিনে নিন এই শ্যাম্পু যাতে ব্যবহার করা হয়েছে অ্যাপেল সিডার ভিনিগারকে। এটা চুলকে শুধু মজবুতই করে না,এই শ্যাম্পু তিনরকম ভাবে কাজ করে।অ্যান্টি-ফাঙ্গাল,অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-সেপটিক হিসাবে। এটা নর্মাল ও অয়েলি চুলের জন্য বেশী ভালো।

মহানবী (সা.)-এর প্রিয় ১২টি খাবার… শেয়ার করে জানান সবাইকে

মহানবী (সা.) যেসব খাবার পছন্দ করতেন তার ১২টি খাবারের গুণাবলী এখানে তুলে ধরা হলো : বার্লি, খেজুর, ডুমুর, আঙ্গুর, মধু, তরমুজ, দুধ, মাশরুম, অলিভ অয়েল, ডালিম-বেদানা, ভিনেগার ও পানি।

১।বার্লি (জাউ) : এটা জ্বরের জন্য এবং পেটের পীড়ায় উপকারী।

২. খেজুর : অপরিসীম খাদ্যশক্তি। খেজুরের খাদ্যশক্তি ও খনিজ লবণের উপাদান শরীর সতেজ রাখে। প্রিয়নবী (সা.) বলতেন, যে বাড়িতে খেজুর নেই সে বাড়িতে কোনো খাবার নেই। এমনকি প্রিয়নবী (সা.) সন্তান প্রসবের পর প্রসূতি মাকে খেজুর খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

৩. ডুমুর : এটি অত্যন্ত পুষ্টিকর ও ভেষজগুণসম্পন্ন। যাদের পাইলস ও কোষ্ঠকাঠিন্য আছে তাদের জন্য অত্যন্ত উপযোগী খাবার। ৪. আঙ্গুর : প্রিয়নবী (সা.) আঙ্গুর খেতে অত্যন্ত ভালো বাসতেন। আঙ্গুরের পুষ্টিগুণ ও খাদ্যগুণ অপরিসীম। এই খাবারের উচ্চ খাদ্য শক্তির কারণে এটা থেকে আমরা তাৎক্ষণিক এনার্জি পাই এবং এটা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

আঙ্গুর কিডনির জন্য উপকারী এবং বাওয়েল মুভমেন্টে সহায়ক। যাদের আইবিএস বা ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম আছে তারা খেতে পারেন। ৫. মধু : এতে নানা পুষ্টিগুণ ও ভেষজ গুণ রয়েছে। মধুকে বলা হয় খাবার, পানী।।ও ওষুধের সেরা। হালকা গরম পানির সঙ্গে মিশিয়ে মধু পান করা ডায়রিয়ার জন্য ভালো। খাবারে অরুচি, পাকস্থলীর সমস্যা, হেয়ার কন্ডিশনার ও মাউথ ওয়াশ হিসেবে উপকারী।

৬. তরমুজ : সব ধরনের তরমুজ স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। প্রিয়নবী (সা.) তরমুজ আহারকে গুরুত্ব দিতেন। যেসব গর্ভবর্তী মায়েরা তরমুজ আহার করেন তাদের সন্তান প্রসব সহজ হয়। তরমুজের পুষ্টি, খাদ্য ও ভেষজগুণ এখন সর্বজনবিদিত ও বৈজ্ঞানিক সত্য।

৭. দুধ : দুধের খাদ্যগুণ, পুষ্টিগুণ ও ভেষজগুণ বর্ণনাতীত। আজ থেকে দেড় হাজার বছর আগে বিজ্ঞান যখন অন্ধকারে তখন প্রিয়নবী (সা.) দুধ সম্পর্কে বলেন, দুধ হার্টের জন্য ভালো। দুধ পানে মেরুদ- সবল হয়, মস্তিষ্ক সুগঠিত হয় এবং দৃষ্টিশক্তি ও স্মৃতিশক্তি প্রখর হয়। আজকের বিজ্ঞানীরাও দুধকে আদর্শ খাবার হিসেবে ঘোষণা করেছেন এবং এর ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি অস্থিগঠনে সহায়ক।

৮. মাশরুম : বিশ্ব জুড়ে মাশরুম আজ একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর খাবার এবং মাশরুম নিয়ে চলছে নানা গবেষণা। অথচ দেড় হাজার বছর আগে প্রিয়নবী (সা.) জানতেন মাশরুম চোখের জন্য ভালো। এটা বার্থ কন্ট্রোলে সহায়ক ও মাশরুমের ভেষজগুণের কারণে এটা নার্ভ শক্ত করে এবং শরীরের প্যারালাইসিস বা অকেজো হওয়ার প্রক্রিয়া রোধ করে।

৯. জলপাই তেল : অলিভ অয়েলের খাদ্য ও পুষ্টিগুণ অনেক। গবেষণায় দেখা গেছে অলিভ অয়েল ত্বক ও চুলের জন্য উপকারী এবং বয়স ধরে রাখার ক্ষেত্রে সহায়ক বা বুড়িয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া বিলম্বিত করে। এছাড়া অলিভ অয়েল পাকস্থলীর প্রদাহ নিরাময়ে সহায়ক।

১০. ডালিম-বেদানা : বেদানার পুষ্টিগুণ ও খাদ্যগুণের পাশাপাশি এটার ধর্মীয় একটি দিক আছে। প্রিয়নবী (সা.) বলেছেন, এটা আহারকারীদের শয়তান ও মন্দ চিন্তা থেকে বিরত রাখে।

১১. ভিনেগার : ভিনেগারের ভেষজ গুণ ও খাদ্যগুণ অপরিসীম। প্রিয়নবী (সা.) অলিভ অয়েলের সঙ্গে মিশিয়ে ভিনেগার খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। আজকের এই মডার্ন ও বিজ্ঞানের অভূতপূর্ব সাফল্যের যুগে বিশ্বের বড় বড় নামি-দামী রেস্টুরেন্টে বিশেষ করে এলিট ইটালিয়ান রেস্টুরেন্টে অভিল অয়েল ও ভিনেগার এক সঙ্গে মিশিয়ে পরিবেশন করা হয়।

১২. খাবার পানি : পানির অপর নাম জীবন। প্রিয়নবী (সা.) পানিকে পৃথিবীর সেরা ড্রিংক বা পানীয় হিসাবে উল্লেখ করেছেন। সৌন্দর্য চর্চা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য রক্ষায় চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা আজ প্রচুর পানি পান করতে বলে থাকেন।

Facebook Comments

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>