Published On: Sat, May 5th, 2018

কোন বিশেষ সময়ে যদি হঠাৎ এমন হয় তাহলে, আপনি এক বিরল গুণের অধিকারী! জেনে নিন…

কোনও একটি বিশেষ গান অথবা কোনো বিশেষ কাজে আপনি খুব ব্যাস্ত। গান শোনার সময় কানে হেডফোন, চোখ বন্ধ। আপনার চারপাশে অজস্র কিছু ঘটে চললেও আপনি আর সে সবের মধ্যে নেই। সম্পূর্ণরূপে গানের মধ্যে ঢুকে গিয়েছেন। সে সময়ে হঠাৎ শরীরে হালকা শিরশিরানি অনুভব করলেন, এমনটা কখনও হয়েছে কি? যদি হয়ে থাকে, মনোবিজ্ঞানিগণ জানাচ্ছেন, আপনি এক বিরল গুণের অধিকারী।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম মিরর-এ প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, সম্প্রতি অক্সফোর্ড অ্যাকাডেমিক জার্নালে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে বলা হয়, যদি কোনও গান বা মিউজিক আপনাকে আবেগময় করে তোলে এবং তার জন্য যদি শরীরে আপনি শিহরণ অনুভব করেন, তবে বুঝতে হবে আপনার মস্তিষ্ক আর পাঁচ জনের থেকে আলাদা। কোনও আবেগ বা অনুভূতিকে আপনি যতটা দ্রুত আত্মস্থ করতে পারেন, অন্য কেউ এতটা সহজে সেটা পারে না।গবেষক ম্যাথিউ স্যাচস জানাচ্ছেন, ‘ক্যাথারসিস’ প্রক্রিয়াটি যাদের খুব শক্তিশালী, তাদের এই ধরনের অনুভূতি হয়ে থাকে।

প্রসঙ্গত, গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টটল প্রথম ‘ক্যাথারসিস’ শব্দটির উল্লেখ করেন। যে প্রক্রিয়ায় কোনও বিশেষ ঘটনার ফলে মানুষের অবচেতন মনে জমে থাকা কষ্ট, ভয়-ভীতির প্রকাশ ঘটে, সেটিকে বিশেষজ্ঞরা ক্যাথারসিস বলে থাকেন।

এ ক্ষেত্রে গান শুনে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়াটাকেও গবেষকরা ও ভাবেই ব্যাখ্যা করছেন। তাঁদের দাবি, গান শোনার সময়ে ওই শ্রোতা অতীতের কোনও একটি ঘটনার কথা ভাবছেন বলেই এমনটা ঘটছে।

মহানবী (সা.)-এর প্রিয় ১২টি খাবার… শেয়ার করে জানান সবাইকে

মহানবী (সা.) যেসব খাবার পছন্দ করতেন তার ১২টি খাবারের গুণাবলী এখানে তুলে ধরা হলো : বার্লি, খেজুর, ডুমুর, আঙ্গুর, মধু, তরমুজ, দুধ, মাশরুম, অলিভ অয়েল, ডালিম-বেদানা, ভিনেগার ও পানি।

১।বার্লি (জাউ) : এটা জ্বরের জন্য এবং পেটের পীড়ায় উপকারী।

২. খেজুর : অপরিসীম খাদ্যশক্তি। খেজুরের খাদ্যশক্তি ও খনিজ লবণের উপাদান শরীর সতেজ রাখে। প্রিয়নবী (সা.) বলতেন, যে বাড়িতে খেজুর নেই সে বাড়িতে কোনো খাবার নেই। এমনকি প্রিয়নবী (সা.) সন্তান প্রসবের পর প্রসূতি মাকে খেজুর খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

৩. ডুমুর : এটি অত্যন্ত পুষ্টিকর ও ভেষজগুণসম্পন্ন। যাদের পাইলস ও কোষ্ঠকাঠিন্য আছে তাদের জন্য অত্যন্ত উপযোগী খাবার। ৪. আঙ্গুর : প্রিয়নবী (সা.) আঙ্গুর খেতে অত্যন্ত ভালো বাসতেন। আঙ্গুরের পুষ্টিগুণ ও খাদ্যগুণ অপরিসীম। এই খাবারের উচ্চ খাদ্য শক্তির কারণে এটা থেকে আমরা তাৎক্ষণিক এনার্জি পাই এবং এটা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

আঙ্গুর কিডনির জন্য উপকারী এবং বাওয়েল মুভমেন্টে সহায়ক। যাদের আইবিএস বা ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম আছে তারা খেতে পারেন। ৫. মধু : এতে নানা পুষ্টিগুণ ও ভেষজ গুণ রয়েছে। মধুকে বলা হয় খাবার, পানী।।ও ওষুধের সেরা। হালকা গরম পানির সঙ্গে মিশিয়ে মধু পান করা ডায়রিয়ার জন্য ভালো। খাবারে অরুচি, পাকস্থলীর সমস্যা, হেয়ার কন্ডিশনার ও মাউথ ওয়াশ হিসেবে উপকারী।

৬. তরমুজ : সব ধরনের তরমুজ স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। প্রিয়নবী (সা.) তরমুজ আহারকে গুরুত্ব দিতেন। যেসব গর্ভবর্তী মায়েরা তরমুজ আহার করেন তাদের সন্তান প্রসব সহজ হয়। তরমুজের পুষ্টি, খাদ্য ও ভেষজগুণ এখন সর্বজনবিদিত ও বৈজ্ঞানিক সত্য।

৭. দুধ : দুধের খাদ্যগুণ, পুষ্টিগুণ ও ভেষজগুণ বর্ণনাতীত। আজ থেকে দেড় হাজার বছর আগে বিজ্ঞান যখন অন্ধকারে তখন প্রিয়নবী (সা.) দুধ সম্পর্কে বলেন, দুধ হার্টের জন্য ভালো। দুধ পানে মেরুদ- সবল হয়, মস্তিষ্ক সুগঠিত হয় এবং দৃষ্টিশক্তি ও স্মৃতিশক্তি প্রখর হয়। আজকের বিজ্ঞানীরাও দুধকে আদর্শ খাবার হিসেবে ঘোষণা করেছেন এবং এর ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি অস্থিগঠনে সহায়ক।

৮. মাশরুম : বিশ্ব জুড়ে মাশরুম আজ একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর খাবার এবং মাশরুম নিয়ে চলছে নানা গবেষণা। অথচ দেড় হাজার বছর আগে প্রিয়নবী (সা.) জানতেন মাশরুম চোখের জন্য ভালো। এটা বার্থ কন্ট্রোলে সহায়ক ও মাশরুমের ভেষজগুণের কারণে এটা নার্ভ শক্ত করে এবং শরীরের প্যারালাইসিস বা অকেজো হওয়ার প্রক্রিয়া রোধ করে।

৯. জলপাই তেল : অলিভ অয়েলের খাদ্য ও পুষ্টিগুণ অনেক। গবেষণায় দেখা গেছে অলিভ অয়েল ত্বক ও চুলের জন্য উপকারী এবং বয়স ধরে রাখার ক্ষেত্রে সহায়ক বা বুড়িয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া বিলম্বিত করে। এছাড়া অলিভ অয়েল পাকস্থলীর প্রদাহ নিরাময়ে সহায়ক।

১০. ডালিম-বেদানা : বেদানার পুষ্টিগুণ ও খাদ্যগুণের পাশাপাশি এটার ধর্মীয় একটি দিক আছে। প্রিয়নবী (সা.) বলেছেন, এটা আহারকারীদের শয়তান ও মন্দ চিন্তা থেকে বিরত রাখে।

১১. ভিনেগার : ভিনেগারের ভেষজ গুণ ও খাদ্যগুণ অপরিসীম। প্রিয়নবী (সা.) অলিভ অয়েলের সঙ্গে মিশিয়ে ভিনেগার খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। আজকের এই মডার্ন ও বিজ্ঞানের অভূতপূর্ব সাফল্যের যুগে বিশ্বের বড় বড় নামি-দামী রেস্টুরেন্টে বিশেষ করে এলিট ইটালিয়ান রেস্টুরেন্টে অভিল অয়েল ও ভিনেগার এক সঙ্গে মিশিয়ে পরিবেশন করা হয়।

১২. খাবার পানি : পানির অপর নাম জীবন। প্রিয়নবী (সা.) পানিকে পৃথিবীর সেরা ড্রিংক বা পানীয় হিসাবে উল্লেখ করেছেন। সৌন্দর্য চর্চা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য রক্ষায় চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা আজ প্রচুর পানি পান করতে বলে থাকেন।

Facebook Comments

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>