Published On: Sat, May 5th, 2018

জান্নাতের ফল ডালিমের অজানা ৮টি স্বাস্থ্য উপকারিতা আপনার জীবন বদলে দিতে পারে!

ডালিমে রয়েছে প্রচুর পুষ্টি। মাত্র এক কাপ ডালিম দানায় রয়েছে আপনার দৈনন্দিন চাহিদর ৩০ শতাংশ ভিটামিন সি, ৩৬ শতাংশ ভিটামিন কে, ১৬ শতাংশ ভিটামিন বি৯ ও ১২ শতাংশ পটাশিয়াম।।

১.ক্যান্সার প্রতিরোধী:

ডালিমের বেশ কিছু উপকার রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ক্যান্সার প্রতিরোধ। বিশেষ করে স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে এর ভূমিকা প্রমাণিত হয়েছে গবেষণায়।

২.হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়:

ডালিম দেহের কোলস্টেরলের ঝুঁকি কমায়। এতে রক্তচলাচল বৃদ্ধি পায় এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।

৩.স্মৃতিশক্তি বাড়ায়:

ডালিম স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সহায়তা করে। আর এ কারণে এটি অ্যালঝেইমার্সের মতো রোগীদের জন্যও উপকারি।

৪.রক্তচাপ:

ডালিম রক্তচাপ কমাতে সহায়তা করে। আপনি যদি উচ্চ রক্তচাপে ভোগেন তাহলে নিয়মিত ডালিম খাওয়ার মাত্র দুই সপ্তাহেই আপনার রক্তচাপ স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

৫.হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধি:
======================
বাংলা ছবি দেখেন ঊর্বশী!

মডেলিং ক্যারিয়ার থেকে ছবিতে আশা। বরাবরের ইন্টারনেট সেনশন। বেশিরভাগ সময়েই অ্যাডাল্ট কমেডি বা অ্যাডাল্ট ড্রামায় অভিনয় করেছেন। তিনি উর্বশী রাউতেলা। নতুন ছবি হেট স্টোরি ফোরের প্রচারে ঘুরে গেলেন কলকাতা। মিস ডিভা ২০১৫ ও মিস ইউনিভার্স ইন্ডিয়া ২০১৫ জিতেছিলেন তিনি।

কারণ ওহি ও ভিভান ভাটেনার বিপরীতে হোট স্টোরি ফোরে অভিনয় করেছেন উর্বশী। ছবির প্রচারে গিয়েছিলেন কলকাতায়। এক প্রসাধনী সংস্থার শোরুমের উদ্বোধনও করেন। ছবির প্রসঙ্গে তিনি জানান, কলকাতাতে সবসময়ে আসতে ইচ্ছে করে। কিন্তু, কাজের এতো চাপ যে আসা হয়ে ওঠে না। এখনকার সংস্কৃতি আমার বেশ ভালোলাগে। আমার কাজ না থাকলে, আমি বাংলা ছবি দেখি। হেট স্টোরি ফোর নিয়ে বলেন, থ্রিলার ছবি। হেট স্টোরি ফ্র্যাঞ্চাইজির চতুর্থ ছবিতে কাজ করতে পেরে ভালো লাগছে।

গ্র্যান্ড মাস্তি, সনম রে-র মতো ছবিতে দর্শকের নজর কেড়েছিলেন উর্বশী। শোনা যাচ্ছে, সালমান খানের রেস থ্রিতেও নাকি দেখা যাবে তাঁকে। ছবিতে কাজের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দুটি বড় ব্যানারের সঙ্গে কাজ করার কথা চলছে। আশা করছি আরও ভালো কাজ করতে পারব।

Read also: 

অসহ্য বাতের ব্যথায় ভুগছেন? ঘরে বসে নিমিশেই দুর করতে আপনাকে যে ছোট কাজটি করতে হবে…

বাতের ব্যথায় – বাতের ব্যথায় ভুগছেন- বাত আমাদের দেশের অনেক মানুষের একটা সাধারণ সমস্যা। আমাদের শরীরে রক্তের সঙ্গে ইউরিক এসিড নামে এক প্রকার উপাদান থাকে, যার মাত্রা বেড়ে গেলে বিভিন্ন অস্থি-সন্ধি বা জয়েন্টে প্রদাহ হয়, একে গাউট বা গেঁটেবাত বলা হয়।

রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস শরীরের যে কোনো অস্থিসন্ধিতে (বিশেষ করে বৃদ্ধাঙ্গুলির অস্থিসন্ধি যা হাঁটার সময় ভাঁজ হয়ে যায়) গেঁটেবাত বেশি হয়। এর ফলে অস্থিসন্ধিতে হঠাৎ করে তীব্র ব্যথা হয়ে থাকে ও ব্যথার স্থান লাল হয়ে যায় ও স্পর্শকাতর হয়ে পড়ে।

চিকিৎসকের মতে, জেনেটিক কারণে ফুলে যাওয়া, কারো শরীরে ইউরিক এসিডের উৎপাদন বেশি হলে এবং কিডনি ফেইল্যুর বা ত্রুটিযুক্ত রেচনের জন্য রক্তে ইউরিক এসিডের পরিমাণ বেড়ে যায়।

দীর্ঘদিন লিউকেমিয়ায় (Leukemia বা leukemia) ভুগলে, হাইপারথায়রইডিজম বা থায়রইয়েড হরমোন বেশি থাকলেও এ রোগ হতে পারে।

এছাড়া ডাই-ইউরোটিক ও পাইরাজিনামাইড ওষুধ দীর্ঘদিন সেবন, মদ্যপানের অভ্যাস, লেড পয়জনিং ও গ্লুকোজ-৬ ফসফেটের অভাব থাকলে এ রোগ দেখা দেয়।

বাত হলে পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুলের গোড়া ফুলে গিয়ে লাল হয়ে যায়। পায়ের পাতায় ও হাঁটতে ব্যথা হয়, পা বা পায়ের পাতা ফুলে যায়, গোড়ালি ও কব্জি ব্যথা, পায়ে গিড়া ও মাংসপেশী ফুলে যায়।

একটু বয়স হলেই আমাদের চারপাশের অনেকেই এই সমস্যায় ভুগে থাকেন। এই রোগ হলে কর্মক্ষমতা হ্রাস পায়। অথচ কয়েকটি সহজ উপায় অনুসরণ করলেই বাতের ব্যথা থেকে মুক্ত থাকা যায়।

নিম্নে সেই উপায়গুলো আলোচনা করা হলো:

* ব্যথার জায়গায় ১০ থেকে ১৫ মিনিট গরম বা ঠাণ্ডা ভাপ দিন। এতে আরাম পাওয়া যায়।

* অনেক্ষণ এক জায়গায় বসে বা দাঁড়িয়ে থাকবেন না। প্রয়োজনে একঘণ্টা পর পর অবস্থান পরিবর্তন করুন।

* মেরুদণ্ড ও ঘাড় নিচু করে কোনো কাজ করবেন না।

* বিছানায় শোয়া ও উঠার সময় যেকোন একদিকে কাত হয়ে হাতের ওপর ভর দিয়ে শোবেন ও উঠবেন।

* পিড়া, মোড়া বা ফ্লোরে বসবেন না। সবসময় চেয়ারে মেরুদণ্ড সোজা করে বসবেন।

* নরম ফোম ও জাজিমে শোয়ার অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে। আপনার জন্য উঁচু, শক্ত ও সমান বিছানাই ভালো।

* ভারী ওজন বা বোঝা বহন এড়িয়ে চলতে হবে।

* নিয়মিত ব্যায়াম করতে পারেন তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে।

* হাই হিল জুতা না পরে বরং নরম জুতা পরার অভ্যেস করুন।

* উঁচু কমোড ব্যবহার করুন। নিচু টয়লেট ব্যবহারে ব্যথা বাড়তে পারে।

* শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। পেট ভরে না খেয়ে বরং অল্প অল্প করে বার বার খাবেন।
==================
আপনি কি ধূমপান করেন? মাত্র ৭২ ঘন্টার মধ্যে আপনার ফুসফুস পরিস্কার করুণ এই নিয়মে

পৃথিবীতে এমন অনেক মানুষ আছেন যারা কখনোই ধূমপান করেন না কিন্তু তারপরেও তাদের ফুসফুসে সমস্যা থাকে। কিন্তু অন্য দিকে যারা প্রায় ৪০ বছর ধরে ধূমপান করছেন তাদের ফুসফুসে কোন ধরণের সমস্যাই নেই। এই বিষয়টি প্রতিটি মানুষের শারীরিক রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার ওপর নির্ভর করে। তাই আপনি ধূমপান করুন আর নাই করুন, আপনার ফুসফুসে সমস্যা হতেই পারে।

এজন্য ৭২ ঘন্টার (৩ দিন) মধ্যে কীভাবে আপনার ফুসফুসকে পরিষ্কার করবেন দেয়া হল কিছু পদ্ধতি। তবে ফুসফুসের সুস্থতায় আপনাকে অবশ্যই সব ধরণের দুগ্ধজাত খাবার হতে নিজেকে দূরে রাখতে হবে এবং ফুসফুস পরিষ্কার করার পদ্ধতিগুলোর মাধ্যমে দুগ্ধজাত খাবারের টক্সিন গুলো বের হয়ে যাবে। ১।রাতে ঘুমানোর আগে আপনি ১ কাপ হার্বাল চা পান করুন। এই চা পানের মাধ্যমে আপনার দেহ থেকে সমস্ত টক্সিন বের হয়ে যাবে যা দেহের জন্য ক্ষতিকর। এই পদ্ধতি মেনে চলার সময় এমন কোন কাজ করা যাবেনা যা ফুসফুসের ওপরে চাপ প্রয়োগ করে।

২। সকালে নাস্তা করার আগে ৩০০ মিলিলিটার পানির সাথে ২ টি লেবুর রস চিপে পানির সাথে মিশিয়ে পান করুন। ৩। আঙুর বা আনারসের জুস বানিয়ে পান করুন, কারণ এই দুটি ফলের জুসে রয়েছে প্রচুর পরিমানে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা আমদের দেহের শ্বাস-প্রশ্বাস নেয়ার পদ্ধতিকে উন্নত করে। ৪। সকালের নাস্তায় ও দুপুরে খাওয়ার সময়ে খাদ্য তালিকায় রাখুন গাজরের জুস। গাজরের জুস দেহের রক্তে ক্ষারের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। ৫। দুপুরের খাবার খাওয়ার সময় কলার জুস, নারকেলের শ্বাস, পালংশাক খেতে পারেন কারণ এই খাবারগুলোর মধ্যে আছে পটাশিয়াম যা দেহের বিষাক্ত টক্সিন পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।

পৃথিবীতে এমন অনেক মানুষ আছেন যারা কখনোই ধূমপান করেন না কিন্তু তারপরেও তাদের ফুসফুসে সমস্যা থাকে। কিন্তু অন্য দিকে যারা প্রায় ৪০ বছর ধরে ধূমপান করছেন তাদের ফুসফুসে কোন ধরণের সমস্যাই নেই। এই বিষয়টি প্রতিটি মানুষের শারীরিক রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার ওপর নির্ভর করে। তাই আপনি ধূমপান করুন আর নাই করুন, আপনার ফুসফুসে সমস্যা হতেই পারে।

এজন্য ৭২ ঘন্টার (৩ দিন) মধ্যে কীভাবে আপনার ফুসফুসকে পরিষ্কার করবেন দেয়া হল কিছু পদ্ধতি। তবে ফুসফুসের সুস্থতায় আপনাকে অবশ্যই সব ধরণের দুগ্ধজাত খাবার হতে নিজেকে দূরে রাখতে হবে এবং ফুসফুস পরিষ্কার করার পদ্ধতিগুলোর মাধ্যমে দুগ্ধজাত খাবারের টক্সিন গুলো বের হয়ে যাবে। ১।রাতে ঘুমানোর আগে আপনি ১ কাপ হার্বাল চা পান করুন। এই চা পানের মাধ্যমে আপনার দেহ থেকে সমস্ত টক্সিন বের হয়ে যাবে যা দেহের জন্য ক্ষতিকর। এই পদ্ধতি মেনে চলার সময় এমন কোন কাজ করা যাবেনা যা ফুসফুসের ওপরে চাপ প্রয়োগ করে।

২। সকালে নাস্তা করার আগে ৩০০ মিলিলিটার পানির সাথে ২ টি লেবুর রস চিপে পানির সাথে মিশিয়ে পান করুন। ৩। আঙুর বা আনারসের জুস বানিয়ে পান করুন, কারণ এই দুটি ফলের জুসে রয়েছে প্রচুর পরিমানে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা আমদের দেহের শ্বাস-প্রশ্বাস নেয়ার পদ্ধতিকে উন্নত করে। ৪। সকালের নাস্তায় ও দুপুরে খাওয়ার সময়ে খাদ্য তালিকায় রাখুন গাজরের জুস। গাজরের জুস দেহের রক্তে ক্ষারের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। ৫। দুপুরের খাবার খাওয়ার সময় কলার জুস, নারকেলের শ্বাস, পালংশাক খেতে পারেন কারণ এই খাবারগুলোর মধ্যে আছে পটাশিয়াম যা দেহের বিষাক্ত টক্সিন পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।

পৃথিবীতে এমন অনেক মানুষ আছেন যারা কখনোই ধূমপান করেন না কিন্তু তারপরেও তাদের ফুসফুসে সমস্যা থাকে। কিন্তু অন্য দিকে যারা প্রায় ৪০ বছর ধরে ধূমপান করছেন তাদের ফুসফুসে কোন ধরণের সমস্যাই নেই। এই বিষয়টি প্রতিটি মানুষের শারীরিক রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার ওপর নির্ভর করে। তাই আপনি ধূমপান করুন আর নাই করুন, আপনার ফুসফুসে সমস্যা হতেই পারে।

এজন্য ৭২ ঘন্টার (৩ দিন) মধ্যে কীভাবে আপনার ফুসফুসকে পরিষ্কার করবেন দেয়া হল কিছু পদ্ধতি। তবে ফুসফুসের সুস্থতায় আপনাকে অবশ্যই সব ধরণের দুগ্ধজাত খাবার হতে নিজেকে দূরে রাখতে হবে এবং ফুসফুস পরিষ্কার করার পদ্ধতিগুলোর মাধ্যমে দুগ্ধজাত খাবারের টক্সিন গুলো বের হয়ে যাবে। ১।রাতে ঘুমানোর আগে আপনি ১ কাপ হার্বাল চা পান করুন। এই চা পানের মাধ্যমে আপনার দেহ থেকে সমস্ত টক্সিন বের হয়ে যাবে যা দেহের জন্য ক্ষতিকর। এই পদ্ধতি মেনে চলার সময় এমন কোন কাজ করা যাবেনা যা ফুসফুসের ওপরে চাপ প্রয়োগ করে।

২। সকালে নাস্তা করার আগে ৩০০ মিলিলিটার পানির সাথে ২ টি লেবুর রস চিপে পানির সাথে মিশিয়ে পান করুন। ৩। আঙুর বা আনারসের জুস বানিয়ে পান করুন, কারণ এই দুটি ফলের জুসে রয়েছে প্রচুর পরিমানে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা আমদের দেহের শ্বাস-প্রশ্বাস নেয়ার পদ্ধতিকে উন্নত করে। ৪। সকালের নাস্তায় ও দুপুরে খাওয়ার সময়ে খাদ্য তালিকায় রাখুন গাজরের জুস। গাজরের জুস দেহের রক্তে ক্ষারের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। ৫। দুপুরের খাবার খাওয়ার সময় কলার জুস, নারকেলের শ্বাস, পালংশাক খেতে পারেন কারণ এই খাবারগুলোর মধ্যে আছে পটাশিয়াম যা দেহের বিষাক্ত টক্সিন পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।

পৃথিবীতে এমন অনেক মানুষ আছেন যারা কখনোই ধূমপান করেন না কিন্তু তারপরেও তাদের ফুসফুসে সমস্যা থাকে। কিন্তু অন্য দিকে যারা প্রায় ৪০ বছর ধরে ধূমপান করছেন তাদের ফুসফুসে কোন ধরণের সমস্যাই নেই। এই বিষয়টি প্রতিটি মানুষের শারীরিক রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার ওপর নির্ভর করে। তাই আপনি ধূমপান করুন আর নাই করুন, আপনার ফুসফুসে সমস্যা হতেই পারে।

এজন্য ৭২ ঘন্টার (৩ দিন) মধ্যে কীভাবে আপনার ফুসফুসকে পরিষ্কার করবেন দেয়া হল কিছু পদ্ধতি। তবে ফুসফুসের সুস্থতায় আপনাকে অবশ্যই সব ধরণের দুগ্ধজাত খাবার হতে নিজেকে দূরে রাখতে হবে এবং ফুসফুস পরিষ্কার করার পদ্ধতিগুলোর মাধ্যমে দুগ্ধজাত খাবারের টক্সিন গুলো বের হয়ে যাবে। ১।রাতে ঘুমানোর আগে আপনি ১ কাপ হার্বাল চা পান করুন। এই চা পানের মাধ্যমে আপনার দেহ থেকে সমস্ত টক্সিন বের হয়ে যাবে যা দেহের জন্য ক্ষতিকর। এই পদ্ধতি মেনে চলার সময় এমন কোন কাজ করা যাবেনা যা ফুসফুসের ওপরে চাপ প্রয়োগ করে।

২। সকালে নাস্তা করার আগে ৩০০ মিলিলিটার পানির সাথে ২ টি লেবুর রস চিপে পানির সাথে মিশিয়ে পান করুন। ৩। আঙুর বা আনারসের জুস বানিয়ে পান করুন, কারণ এই দুটি ফলের জুসে রয়েছে প্রচুর পরিমানে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা আমদের দেহের শ্বাস-প্রশ্বাস নেয়ার পদ্ধতিকে উন্নত করে। ৪। সকালের নাস্তায় ও দুপুরে খাওয়ার সময়ে খাদ্য তালিকায় রাখুন গাজরের জুস। গাজরের জুস দেহের রক্তে ক্ষারের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। ৫। দুপুরের খাবার খাওয়ার সময় কলার জুস, নারকেলের শ্বাস, পালংশাক খেতে পারেন কারণ এই খাবারগুলোর মধ্যে আছে পটাশিয়াম যা দেহের বিষাক্ত টক্সিন পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।

Facebook Comments

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>