Published On: Sun, May 6th, 2018

কিডনির পাথর থেকে বাঁচতে হলে শুধু ২টি কাজ করবেন!!

কিডনির পাথর থেকে বাঁচতে- আমাদের দেহের রক্ত পরিশোধনের অঙ্গ কিডনি। এছাড়াও শরীরে জমে থাকা অনেক রকম বর্জ্যও পরিশোধিত হয় কিডনির মাধ্যমে। কিডনির নানা সমস্যার মধ্যে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে কিডনিতে পাথর হওয়া।

কিন্তু ঠিক কি কি কারণে কিডনিতে পাথর হওয়া রোধ করতে পারবেন, জানেন কি? আসুন জেনে নেয়া যাক কিডনিতে পাথর হওয়ার কারণগুলো সম্পর্কে, যা হয়তো আপনার জানা নেই।

কাচা লবন খাবেন না

অনেকেই খাবারে লবণ খান যা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। কারণ লবণের সোডিয়াম খুব সহজে কিডনি দূর করতে পারে না এবং তা জমা হতে থাকে কিডনিতে। এছাড়াও অতিরিক্ত সোডিয়াম সমৃদ্ধ খাবারের কারণেও কিডনিতে পাথর জমার সম্ভাবনা বাড়ে।

পানি পান করুন

কিডনির কাজ হচ্ছে দেহের বর্জ্য ছেঁকে দেহকে টক্সিনমুক্ত করা। আর এই কাজটি কিডনি করে পানির সহায়তায়। যদি আপনি পানি পরিমিত পান না করেন তাহলে কিডনি সঠিকভাবে দেহের বর্জ্য দূর করতে পারে না যা কিডনিতে জমা হতে থাকে পাথর হিসেবে। সুতরাং পরিমিত পানি পান করুন।
===========================
শরীরে রোগের বাসা! জানেন কি নাভির যত্ন নিয়েই সারাতে পারেন অনেক রোগ

শরীরে রোগের বাসা! জানেন কি নাভির যত্ন নিয়েই সারাতে পারেন অনেক রোগ
শরীরে রোগের বাসা- শরীরে হাজারো রোগের বাসা। তাড়াতে কাঁড়ি কাঁড়ি ট্যাবলেট গিলতে হচ্ছে। একটু মত বদলে কেউ কেউ আযুর্বেদের আশ্রয় নিচ্ছেন।

কিন্তু তাতে সাময়িক উপশম হচ্ছে বটে, কিন্তু কাজের কাজ কিছু হয় না। অথচ নাভির যত্ন নিলে শরীরের অধিকাংশ রোগকেই দূরে রাখা যায়। শুধু নাড়ির যোগসূত্র নয়, নাভি মানবদেহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নেহাত সৌন্দর্যের প্রয়োজন নয়, উপেক্ষাও নয়, নাভির যত্নই আপনাকে সুস্থ রাখতে পারে।

১) নিয়মিত নাভিতে নিম তেল দিলে ব্রণ ও ফুসকুড়ির হাত থেকে রেহাই। বহু বিউটি প্রোডাক্ট ব্যবহার করা হয়। ব্রণ নিয়ে দুশ্চিন্তার শেষ নেই। কোনও কোনও ক্রিম বা লোশনে আপাতভাবে ব্রণ দূর হলেও, ফের তা হাজির হয়। অথচ নাভিতে নিম তেল দিলে অনায়াসেই এ সমস্যা থেকে মুক্তি মেলে।

২) শুকনো ঠোঁট নিয়ে মহিলারা প্রায়শই সমস্যায় পড়েন। মেকআপের সঙ্গে মানানসই লিপস্টিকের দফারফা হয় এই ধরনের ফুটোফাটা ও শুকনো ঠোঁটের জন্য। নাভিতে সরষের তেল দিলেই কিন্তু এ সমস্যা থেকে মুক্তি।

৩) ঋতুকালীন যন্ত্রণায় প্রায় প্রত্যেক মহিলাই কষ্ট পান। তুলোয় ব্র্যান্ডি ভিজিয়ে এই সময়ে নাভিতে রাখুন। যন্ত্রণা ও ক্র্যাম্প থেকে স্বস্তি পাবেন।

৪) আচমকা ঠাণ্ডা লেগে জ্বর বেধে যায় অনেক সময়। সর্দি-কাশির সমস্যাও দেখা দেয়। এসব ক্ষেত্রে অ্যালকোহলে ভেজানো তুলো নাভিতে রাখুন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এতে ম্যাজিকের মতো ফল মেলে।

৫) মুখের সৌন্দর্য নিয়ে যাঁরা সচেতন তাঁরা মুখেই এটা ওটা লাগান। তাতে ফল মেলে অবশ্য। তবে খানিকটা অলিভ অয়েল নাভিতে দিন। এতে মুখের সৌন্দর্য ফিরবে। এছাড়া পরিষ্কার মাখন নাভিতে দিলে ত্বক নরম হয়।

৬) সৌন্দর্য চর্চায়, বিশেষত চুলের জন্য নারকেল তেলের প্রয়োগের কথা তো আলাদা করে বলার প্রয়োজন নেই। তবে এর একটা আলাদা উপকারিতাও আছে। নাভিতে নারকেল তেল দিলে ফার্টিলিটি বা প্রজনন শক্তি উন্নত হয় বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

তাই নাভি নিয়ে হেলাফেলা না করাই ভাল। নাভি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখলে হাজারও আধি-ব্যধি থেকে এমনিই মুক্তি মেলে।

Read also:

শিখে নিন, ডেন্টিস্ট ছাড়াই বাড়িতে বসে দূর করবেন দাঁতের পাথর
দাঁতের পাথর – ডেন্টিস্ট ছাড়াই বাড়িতে বসে দূর করুন দাঁতের পাথর! দাঁতে ব্যথা! পাথর জমে হলুদ আবরণ পরে গেছে দাঁতে। অনেকেই ভুগে থাকেন এই সমস্যাটিতে।

দেখা যায়, তাদরে দাঁতে কম বেশি হলুদ বা বাদামি খনিজ পদার্থের আবরণ। ডাক্তারি ভাষায় যাকে টার্টার বলা হয়। তবে সাধারণ মানুষ একে দাঁতের পাথর হিসেবে জেনে থাকেন।

মূলত নিয়মিত দাঁত পরিষ্কার না করলেই এই টার্টার বাড়তে থাকে। যা দাঁতের ‘পিরিওডোনটাইটিস’ নামক রোগেরও কারণ।

পিরিওডোনটাইটিস কী: ‘পিরিওডোনটাইটিস’ হলে দাঁতের মাড়ির টিস্যুতে প্রদাহ হয়। ফলে মাড়ি সংকোচিত হয়ে অকালে দাঁত পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

এ সমস্যা এড়াতে প্রয়োজন নিয়মিত দাঁতে জমা টার্টার পরিষ্কার করা। টার্টার দূর করার প্রথম সমাধান হলো ডেন্টিস্ট। তবে আপনি চাইলে বাড়িতে বসেও এ সমস্যার সমাধান করতে পারেন।

টার্টার পরিষ্কার করতে যা লাগবে: বেকিং সোডা,ডেন্টাল পিক, লবণ, হাইড্রোজেন পেরোক্সাইড, পানি

টার্টার দূর করতে সবচেয়ে সহজলভ্য ও কার্যকরী উপাদান হচ্ছে বেকিং সোডা। আসুন এবার জেনে নিই টার্টার দূর করার পদ্ধতি।

কাপে এক টেবিল চামচ বেকিং সোডার সঙ্গে ১/২ চা চামচ লবণ মেশান। এবার গরম পানিতে টুথব্রাশ ভিজিয়ে বেকিং সোডা ও লবণের মিশ্রণ দিয়ে পাঁচ মিনিট ধরে দাঁত ব্রাশ করুন। সবশেষে কুলকুচি করে নিন।

দ্বিতীয় ধাপ

এক কাপ হাইড্রোজেন পেরোক্সাইডের সঙ্গে ১/২ কাপ হালকা গরম পানি মেশান। এই পানি মুখে নিয়ে এক মিনিট রাখুন। এরপর ১/২ কাপ পানি দিয়ে কুলকুচি করে ফেলুন।

তৃতীয় ধাপ

ডেন্টাল পিক দিয়ে দাঁতের হলুদ টার্টার ধীরে ধীরে ঘষে তুলুন। মাড়ির ক্ষতি এড়াতে ডেন্টাল পিক ব্যবহারের সময় সাবধানতা অবলম্বন করুন।

চতুর্থ ধাপ

অ্যান্টিসেপটিক মাউথ ওয়াশ দিয়ে কুলকুচি করুন

Facebook Comments

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>