Published On: Sun, May 6th, 2018

আপনি কি জানেন!!! লেবুকে ফ্রিজে জমিয়ে বরফ বানিয়ে তারপর সেটি খেলে কি হয়?? জানলে আজকে শুরু করবেন

লেবুকে ফ্রিজে জমিয়ে – লেবু সাধারণত সারা বিশ্বেই খুব জনপ্রিয় এবং সব রান্নাঘরেই এটা একটা অপরিহার্য খাবার। লেবু সবসময়ই ফ্রিজেতে মজুত রাখা হয়। আপনি অম্বলে ভুগলে লেবু আপনাকে তা থেকে মুক্তি দিতে পারে।শুধু তাই নয় লেবুর আরও অনেক উপকারিতা আছে। বিশেষ করে হিমশীতল লেবু!

লেবুর উপকারিতা জানার পরে এখন অনেক রেস্টুয়ারেন্টেও এর ব্যবহার বেড়েছে। এখানে আপনি দেখুন একটা লেবুর কোন অংশ বাদ না দিয়ে পুরো লেবুটাকে কি ভাবে ব্যবহার করা যায়। খুবই সোজা লেবুটিকে ফ্রিজের বরফ তৈরির জায়গায় রাখুন। তারপর লেবুটি জমে বরফ হয়ে গেলে সেটিকে ছাড়িয়ে কেটে ফেলুন। এরপর এটাকে আপনি যে কোন খাবারের ওপর ছড়িয়ে দিন এবং যে কোন খাবারের স্বাদ অনেক গুণ বাড়িয়ে তুলুন।

নিচে ঠাণ্ডা লেবুর গুণগুলি দেখুন!

হিমশীতল লেবু!

লেবুর রসের থেকে লেবুর খোসায় ৫ থেকে ১০ গুণ বেশি ভিটামিন থাকে। আর হ্যাঁ, আপনি সেটা অপচয় করেন। কিন্তু এখন যদি আপনি প্রথমে লেবুটিকে ফ্রিজে ঠাণ্ডা বরফ করে তারপর সেটাকে গ্রেট করে খাবারের ওপর ছড়িয়ে দিলে আপনি লেবুর সমস্ত গুণগুলি পাবেন!

লেবুর রহস্য।

লেবুর খোসা আপনার স্বাস্থ্যর জন্য ভাল পুনরুজ্জীবকের কাজ করে এবং আপনার শরীরের ভিতর থেকে ক্ষতিকারক পদার্থগুলি বার করে দেয়। তাই আপনি রোজ লেবুকে ফ্রিজে রাখুন আর বের করে কেটে নিজের খাবারের সাথে মিশিয়ে নিন। দেরি হয়ে গেলেও নতুন করে শুরু করতে তো কোন অসুবিধা নেয়।

লেবুর ছিবড়ের ম্যাজিক।

আপনি লেবুর ছিবড়েটাকে পরে ব্যবহার করবার জন্য আলাদা করে ফ্রিজে রাখতে পারেন। এমনকি লেবুর সাহায্য চিকিৎসা করলে ক্যান্সারের কোষগুলিকে নষ্ট করে দেওয়া যায় এবং তা স্বাস্থ্যর কোন রকম ক্ষতি করে না।

জীবনে নতুন রস যোগ করুন!

লেবুর ঠাণ্ডা ছিবড়ে আপনার খাবার এবং পানীয়ের স্বাদ কয়েক গুণ বাড়িয়ে তুলতে পারে। এইভাবে আপনি আপনার খাবারে একপ্রকার টাঙ্গি স্বাদ যোগ করতে পারেন। আর অব্যশয়ই মনে রাখবেন এটা খুবই স্বাস্থ্যকর।

লেবু কেমোর থেকে অনেক ভাল…

লেবু খুব কার্যকরভাবে ক্যান্সারের কোষগুলোকে ধবংস করে দিতে পারে, কারণ এটা কেমোথেরাপির থেকে ১০০০০ গুণ বেশি শক্তিশালী। লেবুর আর একটা গুরুত্বপূর্ণ দিক হল এটা সিস্ট আর টিউমারের খেত্রেও খুব কার্যকারী।

আরোও রোগ প্রতিরোধী ক্ষমতা!

লেবুর মত সিটরাস প্রজাতির ফলে লিমনয়েডস থাকে যা স্তন ক্যান্সারকে প্রতিরোধ করে। একটা গবেষণা দেখাচ্ছে যে লেবুর কোলন, স্তন, প্রোস্টেট, অগ্নাশয়, ফুসফুস সমেত ১২ রকমের ক্যান্সার কোষ ধবংস করার ক্ষমতা আছে।

লেবুর উপকারিতা।

এখানেই শেষ নয়, লেবু ব্যাকটেরিয়া ইনফেকশ্যান এবং ছত্রাকের বিরুদ্ধেও খুব ভাল কাজ করে, বিভিন্ন পরজীবী এবং কৃমির ক্ষেত্রেও খুব কার্যকরী। উচ্চ রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণ করে, বিষণ্ণতার বিরুদ্ধে খুব ভাল কাজ করে, পারকিন্সন এর মত অসুখেও খুব ভাল কাজ করে, পেটের সমস্যা ঠিক করে। লেবুর মধ্যে থাকা সাইট্রিক অ্যাসিড গলব্লাডারে স্টোন, কিডনি স্টোনকে গলিয়ে দেয়।

আপনি নিশ্চয়ই এখন আর হিমশীতল লেবুকে মানা করবেন না এবং তার উপকারিতাগুলিকে গ্রহণ করবেন! লাইক এবং শেয়ার করুন।
”””””
ঘরোয়া ৬টি উপাদান দিয়ে বুকের কফ মাত্র ২ দিনে দূর করুন
এর চিকিৎসা করা না গেলে এটি দ্বারা শ্বাসযন্ত্র আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার আগে ঘরোয়া কিছু উপায়ে এই সর্দি, কফ দূর করতে পারেন। আজ তাহলে এমন কিছু ঘরোয়া উপায়ের সাথে পরিচিত হওয়া যাক

১। লবণ পানি
বুকের সর্দি, কফ দূর করতে সহজ এবং সস্তা উপায় হল লবণ পানি। লবণ শ্বাসযন্ত্র থেকে কফ দূর করে দেয়।

এক গ্লাস কুসুম গরম পানির সাথে এক চা চামচ লবণ মিশিয়ে নিন। এটি দিয়ে দিনে দুই তিনবার কুলকুচি করুন।

2। হলুদ
হলুদে থাকা কারকুমিন উপাদান বুক থেকে কফ, শ্লেষ্মা দূর করে বুকে ব্যথা দ্রুত কমিয়ে দেয়। এর অ্যান্টি ইনফ্লামেনটরি উপাদান গলা ব্যথা, বুকে ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে।

এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে এক চিমটি হলুদের গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। এটি দিয়ে প্রতিদিন কুলকুচি করুন।
এছাড়া এক গ্লাস দুধে আধা চা চামচ হলুদের গুঁড়ো মিশিয়ে জ্বাল দিন। এর সাথে দুই চা চামচ মধু এবং এক চিমটি গোল মরিচের গুঁড়ো মেশান। এই দুধ দিনে দুই থেকে তিনবার পান করুন।

৩। লেবু এবং মধু
লেবু পানিতে এক চামচ মধু মিশিয়ে পান করুন। মধু শ্বাসযন্ত্রের ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে সাহায্য করে। এমনকি এটি বুক থেকে কফ দূর করে গলা পরিষ্কার করে থাকে।

৪। আদা
এক টেবিল চামচ আদা কুচি এক পানিতে মেশান। এবার এটি ঢাকনা দিয়ে ঢেকে ৫ মিনিট জ্বাল দিন। বলক আসলে এতে সামান্য মধু দিয়ে দিন। দিনে তিনবার এই পানীয়টি পান করুন। এছাড়া এক চা চামচ আদা কুচি, গোল মরিচের গুঁড়ো, এবং লবঙ্গের গুঁড়ো দুধ অথবা মধুর সাথে মিশিয়ে নিন। এবার এই মিশ্রণটি দিনে তিনবার পান করুন। আপনি চাইলে এক টুকরো আদা নিয়ে মুখে চাবাতে পারেন। আদার রস বুকের কফ পরিষ্কার করতে সাহায্য করবে।

৫। পেঁয়াজ
সম পরিমাণের পেঁয়াজের রস, লেবুর রস, মধু এবং পানি একসাথে মিশিয়ে চুলায় জ্বাল দিন। কিছুটা গরম হলে নামিয়ে ফেলুন। কুসুম গরম এই পানি দিনে তিন থেকে চারবার পান করুন। এছাড়া পেঁয়াজের ছোট টুকরো খেতে পারেন।

৬। অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার
এক কাপ কুসুম গরম পানিতে দুই চা চামচ বিশুদ্ধ অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার মিশিয়ে নিন। এর সাথে এক চা চামচ মধু মেশান। এইবার এই পানীয়টি দিনে দুই তিনবার পান করুন। এক দুই সপ্তাহ পান করুন। দেখবেন বুকের কফ অনেক কমে গেছে।

Facebook Comments

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>